কোচিং সেন্টার Coaching Center by SMsudipBD

প্রাচীন গুরু শিষ্যের ধারা থেকে যখন শিক্ষকতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করলো, তখন থেকেই গৃহশিক্ষক এবং গৃহশিক্ষকতা নামক নতুন ধারাও সৃষ্টি হল। আজকের কোচিং সেন্টার সেই গৃহশিক্ষকতারই একটি পরিবর্তিত, বিস্তৃত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। যদিও আজকে আমাদের  শিক্ষা ব্যবস্থায় এর অবদান ও অবস্থান নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। তবে এর শুরুটা ছিল সমালোচনাহীন। বস্তুতঃ শিক্ষক যখন মাতৃ-প্রতিষ্ঠান বিদ্যালয়কে গুরুত্ব না দিয়ে কোচিং সেন্টারকে গুরুত্ব দিতে শুরু করলেন। তখন থেকেই সমালোচনাহীন কোচিং সেন্টার সমালোচনার শিকার হতে শুরু করলো। তবে, কোচিং সেন্টারে শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষকগনই শিক্ষকতা করেন না। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও শিক্ষকতা করেন।


কোচিং সেন্টার Coaching Center by SMsudipBD
কোচিং সেন্টার Coaching Center by SMsudipBD

 
কোচিং সেন্টারগুলো মূলতঃ দুই ধরনের । এক ধরনের কোচিং সেন্টার শুধু একাডেমিক পড়া-শোনার জন্য এবং অন্য ধরনের কোচিং সেন্টারগুলো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে, মেডিক্যাল কলেজে, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং উচ্চতর পড়া-শোনার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভর্তির জন্য। ভর্তির জন্য বিভিন্ন কোচিং সেন্টারগুলো ইদানীং প্রথম শ্রেণী থেকে বিদ্যালয় পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রেণীতে ভর্তির জন্যও কোচিং করানো শুরু করেছে। হাল আমলে চাকরির জন্য জব কোচিংও শুরু হয়েছে।

কোচিং সেন্টারগুলোর মধ্যে রয়েছে আবার এক ধরনের প্রতিযোগিতা। কোর্স ম্যাটেরিয়াল, শ্রেনী কক্ষের পরিবেশ এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে চলছে এই প্রতিযোগিতা। এসব সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে কতকগুলো কোচিং সেন্টার ইতোমধ্যেই অভিভাবক ও শিক্ষার্থী মহল অর্জন করেছে আস্থা।

একাডেমিক কোচিং
  • ঢাকার প্রত্যেক এলাকাতেই একাডেমিক কোচিং সেন্টার রয়েছে। এই কোচিং সেন্টার গুলোতে ১ম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত একাডেমিক সিলেবাস সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করে থাকে। এই কোচিং সেন্টার গুলোতে ৫ম শ্রেণীর সমাপনী, ৮ম শ্রেণীর সমাপনী, মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় (S.S.C) ও উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা (H.S.C) অংশ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যাচ গঠন করা ও মডেল টেস্ট নেওয়া হয়ে থাকে। একাডেমিক কোচিং করানো এমন প্রতিষ্ঠান গুলো হল ম্যাবস কোচিং, র‍্যামস কোচিং, ই-হক কোচিং, মবিডিক কোচিং, প্রত্যাশা কোচিং সেন্টার, কনফার্ম কোচিং ইত্যাদি।
  • একাডেমিক কোচিং সেন্টারে ভর্তি ফরম পূরণ করে এককালীন কোর্স ফি প্রদান করে শিক্ষার্থীদের ছবি জমা দিয়ে ভর্তি হতে হয়।
  • ই-হক কোচিং সেন্টারে ৫০০/- ভর্তি ফি দিয়ে ভর্তি হতে হয়।
  • প্রতি ব্যাচে ২০-৩৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়ে থাকে।
  • একাডেমিক কোচিং সেন্টারে মাসিক ভিত্তিতে ফি দিতে হয়।
  • কোর্স রিপিট করার ব্যবস্থা থাকে। এজন্য পুনরায় কোর্স ফি প্রদান করতে হয়।
  • ক্লাসে উপস্থিত হতে না পারলে কর্তৃপক্ষকে আগেই জানাতে হয়।
  • ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য আলাদা ব্যাচের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।
  • কোর্স ম্যাটারিয়ালস প্রদান করা হয়। তবে এর জন্য কোন ফি দিতে হয় না।
  • প্রতিটি ক্লাসের ব্যাপ্তি ৪০-৬০ মিনিট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
  • দূর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ব্যাচের ব্যবস্থা করা হয়।
  • কোচিং সেন্টারে প্রতি মাসে অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের যে কোন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা করতে হয়। এক একটি আসনের জন্য ৪০-৫০ জন শিক্ষার্থীকে প্রতিযোগিতা করতে হয়। এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থীগণ সর্বোচ্চ প্রস্তুতির জন্য কোচিং সেন্টারগুলোর শরনাপন্ন হয়ে থাকে। ঢাকায় এরকম কোচিং সেন্টার গুলো হল ইউসিসি, ওমেকা, ফোকাস, ইউনিএইড, অনলাইন, পজিট্রন, সংশপ্তক, ভার্সিটি কোচিং, প্যারাগণ ইত্যাদি।

  • এসকল কোচিং সেন্টার গুলোতে ইউনিট অনুসারে আলাদা ব্যাচ গঠন করে শিক্ষার্থীদের কোচিং করিয়ে থাকে।
  • কোচিং সেন্টার গুলোর ঢাকায় বিভিন্ন এলাকায় শাখা রয়েছে।
  • কোচিংয়ের নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে আবেদনকারীর দু’কপি ছবি জমা দিয়ে ভর্তি হতে হয়।
  • প্রতি বছর উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার পরপরই এ কোচিং সেন্টার গুলো ব্যাচ গঠন ও ক্লাস শুরু করে থাকে।
  • সপ্তাহে তিনদিন ২ ঘন্টা করে ক্লাস, সাপ্তাহিক ক্লাস টেস্ট ও মডেল টেস্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করে তোলে।
  • শিক্ষার্থীদের কোর্স ম্যাটারিয়ালস (লেকচারসীট, ব্যাগ, হ্যান্ডনোট) প্রদান করা হয়।
  • কোন কোন কোচিং সেন্টার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গাইড বই প্রকাশ করে থাকে। উক্ত গাইড বই শিক্ষার্থীদের কিনে নিতে হয়।
 মেডিকেল ভর্তি কোচিং
মেডিকেল ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের  যথাযথ গাইড লাইন দিয়ে যথাযথ ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সহায়তা করার লক্ষ্যে বেশ কতগুলো কোচিং সেন্টার রয়েছে। এসকল কোচিং সেন্টার গুলোর মধ্যে কয়েকটি মেডিকেলের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোচিংও করিয়ে থাকে। ঢাকায় মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টার গুলো হল রেটিনা, ওমেকা, প্রাইমেট, থ্রি ডক্টরস, ফেইম, মেডিকো ইত্যাদি।
  • এই কোচিং সেন্টার গুলোতে ১ম বার ব্যর্থ হলে ২য় বার কোচিং করার সুযোগ রয়েছে।
  • মেডিকেল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে বিজ্ঞান বিভাগ হতে পাশ করা শিক্ষার্থীদের এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় বাদে মোট জিপিএ ৯.০০ থাকতে হয়।
  • শুধুমাত্র জীববিজ্ঞান বিষয়ে অবশ্যই জিপিএ ৪.০০ থাকতে হয়।
  • কোচিং সেন্টার গুলোতে সপ্তাহে তিনদিন ক্লাস হয়ে থাকে।
  • মেডিকেল ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে আলাদাভাবে গণিত কোচিং করানো হয়।
  • কোচিং সেন্টার গুলোতে প্রতি ব্যাচে ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।
  • কোর্স করার সময় কোচিং সেন্টার থেকে লেকচার সীট, প্রশ্ন ও উত্তরপত্র, ফাইল দেওয়া হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মূল বই দাগিয়ে দেওয়া হয়।
  • কোর্স শেষে ভর্তি পরীক্ষার পূর্বে মডেল টেস্ট নেওয়া হয়।
  • ভর্তি হওয়ার পূর্বে যাচাই ক্লাস করার সুযোগ প্রদান করা হয়।
  • কোর্সে বিরতি পড়লে বা বুঝতে অসুবিধা হলে মেকাআপ  ক্লাস করানো হয়ে থাকে।
  • শাখা পরিবর্তেনর ব্যবস্থা রয়েছে। তবে শাখা পরিবর্তনের জন্য কোচিং ভেদে কর্তৃপক্ষকে ৭-১৫ দিন আগে জানাতে হয়।
  • প্রতি ক্লাসের ব্যাপ্তি ২ ঘন্টা করে হয়ে থাকে।
  • কোচিং সেন্টার গুলোর প্রধান শাখায় কোচিং সেন্টারের ভালো শিক্ষকগণের ক্লাস করার সুযোগ পাওয়া যায়।
  • কোন কোন কোচিং সেন্টারে ছাত্র-ছাত্রী আলাদা ব্যাচে ক্লাস করার ব্যবস্থা করে থাকে। রেটিনা মেডিকেল কোচিংয়ে আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।
  • মেডিকেল ভর্তি কোচিং করতে কোচিং ভেদে ১০,০০০-১২,০০০/- টাকা ফি দিয়ে ভর্তি হতে হয়।

ডিফেন্স  কোচিং
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর অফিসার পদে চাকরি পেতে ভর্তি পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করে এমন কতগুলো কোচিং সেন্টার রয়েছে ঢাকায়। ঢাকার এমন কয়েকটি কোচিং সেন্টার হল ডিফেন্স গাইড কোচিং, কর্নেল একাডেমী কোচিং সেন্টার, ইউনিটি ডিফেন্স কোচিং, ভয়েজ ইত্যাদি।

  • এই সকল কোচিং সেন্টার সেনাবাহিনীর দীর্ঘ মেয়াদী কোর্স, নৌবাহিনীর কমিশন্ড অফিসার কোর্স, ISSB কোর্স, মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি কোচিং করানো হয়ে থাকে।
  • এই কোচিং সেন্টার গুলো ভর্তির ক্ষেত্রে কোচিং সেন্টার কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীদের মানসিক ও শারীরিক পরীক্ষা নিয়ে থাকে।
  • পরীক্ষার ফলাফলে যদি দেখা যায় আবেদনকারীকে কোচিংয়ের মাধ্যমে পরীক্ষার পূর্বে যোগ্য করে তোলা সম্ভব তাহলে কোচিং কর্তৃপক্ষ কোচিংয়ের জন্য বিবেচনা করে থাকেন।
  • এক্ষেত্রে সপ্তাহের ছয়দিনই ক্লাস করানো হয়ে থাকে।
  • ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আলাদা ব্যাচ গঠন করা হয়।
  • কোর্স রিপিট করলে কোর্স ফিতে ছাড় পাওয়া যায়।
  • প্রতি ব্যাচে ১৫-৩০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। 
  • লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি শারীরিক ভাবে প্রস্তুত করতে দৌড়, সাতাঁর, জগিং, দড়ি বেয়ে উঠা, লম্ফ জাম্পসহ নানা ধরনের শারীরিক কসরত করানো হয়।
 চাকরি কোচিং
সরকারি ও বেসরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়তা করতে ঢাকায় গড়ে ওঠেছে অসংখ্য কোচিং সেন্টার। এসকল কোচিং সেন্টার গুলোতে বিসিএস, ব্যাংক জব, শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, খাদ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য সহকারী, সাব ইন্সপেক্টর পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ কারীদের কোচিং করিয়ে থাকে। এসকল কোচিং সেন্টার গুলোতে চাকরি পরীক্ষার পাশাপাশি কোন কোনটিতে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ও স্পোকেন ইংলিশ কোর্সও করিয়ে থাকে।
  • এসকল কোচিং সেন্টার গুলোতে কোচিং করার জন্য সাধারণত চাকরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা থাকতে হয়।
  • কোর্স ফি এককালীন পরিশোধ করতে হয়।
  • কোচিং সেন্টারগুলোতে বিসিএস ক্যাডারগণ ক্লাস নিয়ে থাকেন। তাই সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও সরকারী ছুটির দিনগুলোতে বেশিরভাগ ক্লাস নেওয়া হয়ে থাকে।
  • বিসিএস প্রিলিমিনারী, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার জন্য আলাদা আলাদা কোচিং করানো হয়।
  • ভর্তির ক্ষেত্রে কোচিংভেদে ৫০/- টাকা থেকে ১০০/- টাকা মূল্যে ফরম সংগ্রহ করতে হয়।
  • কোর্স ফি কোন অবস্থাতেই ফেরত দেওয়া হয় না বা ভর্তি বাতিল করা যায় না।
  • ভর্তির সময় আবেদনকারীর সদ্যতোলা রঙিন ছবি জমা দিতে হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের ফটোকপি জমা দিতে হয়।
  • কোর্স সংক্রান্ত সকল বিষয়ে কর্তৃপক্ষ চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
  • ঢাকায় বিভিন্ন এলাকায় যেমন ফার্মগেট, মিরপুর, উত্তরা, যাত্রাবাড়ি, মৌচাক, সায়েন্স ল্যাবে শাখা থাকলেও কোচিং সেন্টার গুলোর প্রধান শাখার সর্বোত্তম সেবা/সার্ভিস পাওয়া যায়। কারণ অনেক ক্ষেত্রে প্রধান শাখাতই কোচিং কর্তৃপক্ষ ভালো মানের শিক্ষক ও অন্যান্য সেবার ব্যবস্থা করে থাকে।
  • কোচিং সেন্টার গুলো কোর্স ফিয়ের সাথে ৪.৫% ভ্যাট নিয়ে থাকে।
  • কোচিং সেন্টার গুলোতে কোর্স রিপিট করার ব্যবস্থা থাকে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর সাথে কোচিং কর্তৃপক্ষ আলোচনা সাপেক্ষে কোর্স ফি ছাড় দিয়ে থাকে।
  • ঢাকার এমন কয়েকটি কোচিং সেন্টার হল সাইফুরস, বীকন টিউটোরিয়াল, বিসিএস কনফিডেন্স ইত্যাদি।
অন্যান্য
IELTS, স্পোকেন, রাইটিং, ফোনেটিক্স, বেসিক ইংলিশ, বিজনেস ইংলিশ, ক্যাডেট ভর্তি কোচিং ও বিভিন্ন দেশের ভাষা শেখানো কোর্স সহ কম্পিউটার কোর্স করিয়ে থাকে এরকম বেশ কয়েকটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। এদের মধ্যে এফএম মেথড, সাইফুরস, মেনটরস, ফাস্ট ফরওয়ার্ড, জুম, গ্লোবাল, গ্রান্ড ইংলিশ, ল্যাংগুয়েজ ওয়ার্ল্ড, অবজার্ভ, লীডার, দি ক্যাডেট কোচিং অন্যান্য।
  • এসকল প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার আগে যাচাই ক্লাস করার ব্যবস্থা থাকে।
  • ভর্তি ফি এককালীন পরিশোধ করতে হয়।
  • লেকচার সীর্ট সহ বই, সিডি ও অন্যান্য ম্যাটেরিয়ালস ফ্রি প্রদান করা হয়।
  • কোর্স শেষে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
  • কোন কোন প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী ভালোভাবে না শিখতে পারলে কোর্স ফি ফেরত দেওয়া শর্ত ও দিয়ে থাকে।
  • সপ্তাহে তিনদিন দেড় ঘন্টা থেকে দুই ঘন্টা করে ক্লাস করানো হয়ে থাকে।


পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ
About Author
2 comments
Sort by