ক্ষেত যখন বড়লোকের ছেলে পর্ব - ৩

#ক্ষেত_যখন_বড়লোকের_ছেলে
#পর্ব_৩
ক্ষেত যখন বড়লোকের ছেলে পর্ব - ৩
ক্ষেত যখন বড়লোকের ছেলে পর্ব - ৩

বলার সাথে সাথেই তিনি পাশে তাকিয়ে দেখেন বাবা বসে বসে আছেন।।তিনি বাবাকে দেখে বলেন-
অফিসার-স্যার আপনি এখানে।। আজ আমার থানা ধন্য হল আপনার পায়ের ধুলোয়।।
আপনি কেন আসতে গেলেন আমাকে ডাকতেন আমিই আপনার কাছে চলে যেতাম দেখা করার জন্য।।
বাবা বললেন- আসতে চাই নি কিন্তু আসতে হল।আপনি আজকে কাকে এনেছেন ধরে।।
তখন অফিসার আবার আমার দিকে আমার দিকে তাকিয়ে হাবিলদারকে বললেন-এই ছেলেকে এক্ষুনি লকাবে নিয়ে যাও।।(রাগী ভাবে)
তখন বাবা অফিসার কে বললেন- আপনি জানেন
আপনি কাকে লকাবে ডুকানোর কথা বলতেছেন।।
অফিসার ও আজকে একটা মেয়েকে অপমান করেছে। মেয়েটির বাবা আজমল সাহেব এই ছেলের নামে অভিযোগ করেছেন।। তাই একে তুলে আনা হয়েছে।।
বাবা-কারও সম্পর্কে না জেনে আপনি তাকে কিভাবে এরেস্ট করেছেন।।আর আপনি জানেন এই ছেলেটা কে??
অফিসার - না স্যার।।
বাবা- শুনুন ও হচ্ছে রায়হান গ্রুপের ফিউচার এমডি রায়হান ।। যার কথা আমি সব আলোচনা+ টিভিতেও বলি।।কিন্তু ছবি দেই না।।
কারণ- আমার ছেলে এইসব পছন্দ করে না।।সে সাধারণ ভাবে চলাফেরা করতে পছন্দ করে।। নেক্সট টাইম যেন এই ভুল না হয়।।
অফিসার-সরি স্যার আর কখনো এমন ভুল হবে না।।এবারের মতো ক্ষমা করবেন।।
তারপর আমরা সেখান থেকে বাসায় চলে আসি।।বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ করি সবাই একসাথে।। লাঞ্চ করার সময় দেখি খাবার টেবিলে আপু বসে আছে + সবাই।।আমাকে দেখে,,,,,,
আপু বলল- ভাই পুলিশ তকে মারে নি তো।।।
তখন মা বলল-পুলিশ ওকে মারবে কেন???
আপু- মা তুমি কিছু কি জান না।।
মা- কি জানব????
আপু আমার দিকে তাকাল আমার চোখ রাগানো দেখে আপু বলল মা আমি তো মজা করছিলাম।
তুমি সত্যিই ভেবে নিয়েছ নাকি।।
সবার সাথে লাঞ্চ করে রুমে গিয়ে দিলাম একঘুম বিকালে সিয়ামের কলে ঘুম ভাংগে।। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে চলে গেলাম তাদের সাথে আড্ডা দিতে।
গিয়ে দেখি তারা কি নিয়ে যেন মনে হল আলোচনা করছে।।আমি গিয়ে বললাম কি নিয়ে এতো আলোচনা হচ্ছে।।।
সুমন-আরে দেখ সিয়াম বলছে আজকে দুপুরে নাকি তোকে রায়হান গ্রুপের এমডির গাড়িতে দেখেছে।।
(মনে হয় থানা থেকে আসার পথে গাড়িতে দেখে ফেলেছে,, যে করেই হোক মেনেজ করতে হবে)
আমি-আরে এইসব কি বলিস।।আমি এতো বড় কম্পানির মালিকের সাথে।। (হাসির সাথে) মনে হয় ভুল দেখেছিস।।
সুমন-আমিও কতক্ষণ ধরে এই কথাই বলছি।।
তারপর এভাবেই আমরা অনেক সময় আড্ডা দিই।।
তারপর যে যার বাসায় চলে যাই।।
এভাবেই কেটে যায় ৪ বছর।। আজ আমাদের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের শেষ পরীক্ষা। তাই আমরা চার বন্ধু আগে এসে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম।।
তখন সবার পরীক্ষার পরে কে কি করবে জানতে লাগলাম। সবার ইচ্ছা রায়হান গ্রুপে চাকরি করার।।।।
সবার শেষে আমার পালা এলো আমি বললাম তেমন কিছু করব না।।বাবা মা যা বলবেন তাই করব,,তারপর বললাম -দোস্ত কিভাবে নিধিকে প্রপোজ করা যায়😣😣।।।(এই কয় বছরে নিধিকে ভালবেসে ফেলেছি😑😑😑😑)।। 
সিয়াম বলল-গোলাপ নিয়ে হাটু গেরে বসে প্রপোজ করবি।আর কিছু করতে হবে না।।এভাবে আড্ডা দিতে দিতে এক্সামের সময় হয়ে গেল।। 
তারপর,,,,,,,, 
আপনাদের সাড়া পেলে নেক্সট পর্ব দিব নয়তো দিব না।।
সবাই নিয়মিত নামায আদায় করুন।।।
(বিঃদ্রঃ ভুলট্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!