ক্ষেত যখন বড়লোকের ছেলে পর্ব - ১৬

#ক্ষেত_যখন_বড়লোকের_ছেলে
#পর্ব_১৬
#লেখকঃFahim_Sheikh
ক্ষেত যখন বড়লোকের ছেলে পর্ব - ১৬
ক্ষেত যখন বড়লোকের ছেলে পর্ব - ১৬
তখন চিন্তায় পরে গেলাম কে আমি আমার কি পরিচয়🤔🤔আর আমার কাছে এতো এটিএম কার্ড কোথা থেকে আসল।।
🤔🤔🤔🤔
এসব চিন্তা করতে করতে আবার মাথা ব্যাথা শুরু হয়।।তখন ঘুমের মেডিসিন নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।।

তারপর আবার স্বপ্নে দেখি,,,,,,,,,,,,,
কে যেন আমাকে ডাকছে।। তার মুখটা দেখা যাচ্ছে না।।চারপাশ ধোয়াচ্ছন্ন।।। তার মধ্য থেকে একটা মেয়ে আমাকে ডাকতেছে।।তারপর আমার ঘুম ভেঙে যায় উঠে দেখি রাত ৩টা বাজে।।

আর ঘুম আসছিল না তাই ছাদে গেলাম।। গিয়ে দেখি রাতে খুব সুন্দর একটা চাঁদ উঠেছে।।। চাদের আলোয় চারিদিক আলোকিত হয়া আছে।। আকাশে চাদের চারপাশে তারারা চিলিক দিচ্ছে।।। তখনই আবার মাথায় যন্ত্রণা শুরু হয় কিছু একটা মনে পড়তে চাচ্ছে কিন্তু মনে করতে পারি নাই।।।

মাথার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে একসময় আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।।পরে যখন জ্ঞান ফিরে তখন নিজেকে রুমে আবিষ্কার করলাম।।
তারপর আপু জানতে চাইলেন যে আমি কি করে ছাদে পৌছালাম🤔🤔

আমি আপুকে সব খুলে বললাম।।আপু বলল যে ভাই মাথায় এতো চাপ নিস না।।আয় নাস্তা করবি।।যা ফ্রেশ হয়ে নিচে আয়।।তর।দুলাভাই ডাইনিং টেবিলে তর জন্য অপেক্ষা করতেছে।।

তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে নিলাম।।ফ্রেশ হয়ে নিচে গিয়ে নাস্তা করলাম।।।পরে ভাগিনাকে নিয়ে আবার এলাকা পরিদর্শন করতে বের হলাম।।এখানে আসার সময় শুনলাম এখানে নাকি ইভটিজিং বেশি হয়।।এখানের কিছু মাস্তান এই কাজ করে।।পুলিশ নাকি তাদের ভয় পায়।।।

আমরা একটা শিশু পার্কের দিকে যাচ্ছিলাম তখন দেখি কিছুলোক একটা মেয়েকে ইভটিজিং করতেছে।।। আমি সেখানে গিয়ে বললাম- ভাই মেয়েটাকে ডিস্টার্ব করতেছেন কেন🤔🤔(ইভটিজারদের উদ্দেশ্য করে)

তাদের মধ্য একজন- আমরা যা ইচ্ছা করব তর কি সমস্যা।। আর।দেখে তো এলাকায় নতুন মনে হচ্ছে🤔🤔

আমি- হ্যা আমি এলাকায় নতুন।।।আর আপনারা যা করতাছেন তা তো অন্যায়।।

ঐলোকটা আবার বলল-তুই আমাদের সম্পর্কে জানিস না তো তাই সায়মন ভাইয়ের সামনে দাঁড়িয়ে এই কথা বলতে পারসস।।। নতুন না হলে এখান দাঁড়ানোর সহসই পেতি না।।।

আমি-ভাই সত্যি কথা বলতে ভয় কিসের।।🤔🤔
আপনি যেতে পারেন।।(মেয়েটাকে উদ্দেশ্য করে)

এবার সায়মন বলল(ওদের লিডার)-তর সাহস দেখে অবাক হচ্ছি তুই আমার সামনে দাঁড়িয়ে আমার পারমিশন ছাড়া ওই মেয়েটাকে যেতে বললি।।

আমি- এতে সাহসের কি আছে।।। 🤔🤔🤔
মেয়েটিকে দেখে মনে হয়েছে সমস্যায় আছে।। আর তার দেরি হয়ে যাচ্ছে।। তাই চলে যেতে বললাম।।এতে আমার মনে হয় না আমি ভুল কিছু করেছি।।।

অর্জিনাল লেখকের গল্প পড়তে #অসমাপ্ত_কাব্য_লেখক পেজে লাইক করুন।।।।

সায়মন-তুই আমার মুখে মুখে তর্ক করতেছিস।। এতো বড় সাহস।।দাড়া তর খবর করতাছি এখনই।।আবিদ শালাকে সাইজ কর তো।।(সায়মনের চেলাদের বলল)

আমি মাহিরকে বললাম মামা তুমি পার্কে যাও আমি আসছি।।মামার একটু কাজ আছে।।।
বলার পর মাহির চলে গেল পার্কে চলে।। আর সায়মনের চেলারা আমার দিকে তেড়ে আসছে।।হয়েগেল এক চোট মারামারি।।আমার সাথে আরও দুইজন যোগ দিল।।সায়মন আর তার চেলারা মার খেয়ে সেখান থেকে পালাল।।।

তারপর আমি ওদের দুইজনকে বললাম- ভাই আপনারা মনে হয় এই এলাকার।।

দুইজন একসাথে- হ্যা ভাই।।কিন্তু আপনাকে তো ঠিক চিনলাম না।।।

আমার নাম ফাহিম।।বাকী পরিচয় মনে নেই।।এক্সিডেন্ট হওয়ায় মাথায় গভীর আঘাত পাই।।এখানে মাহিদের বাসায় থাকি।।ওর আম্মু-আব্বু এক্সিডেন্ট এর পর আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করে আর সকল ট্রিটমেন্ট খরচ দেয়।। আমাকে এখানে টাঙাইল নিয়ে আসে।।আচ্ছা আপনাদের নামই তো জানা হলো না।।

দুইজনের মধ্য একজন নাম বলল- মেহেদী আরেকজন নাম বলল তুশার।।।তারপর তাদের সাথে কিছুক্ষণ কথা বললাম।।পরে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা একটা গ্রুপ খুলব যেই গ্রুপের কাজ হলো ইভটিজিং প্রতিরোধ ও দুর্নিতি প্রতিরোধ করা।।।

তারপর মেহেদী আরো ৫ জনকে কল করল।।তুশার ভাইও আরো ১০ জনকে কল করে একটা জায়গায় ডাকলেন।।।তারপর আমি ভাগিনাকে নিয়ে তাদের সাথে নিয়ে গেলাম।। তারা আবার মাহিরকে চিনে।।চিনতেই পারে যেহেতু একই এলাকার।। তারপর আমরা গিয়ে দেখি সবাই সেখানে পৌঁছে গেছে একে একে সবার সাথে পরিচিত হয়ে নিলাম।।


তারপর থেকে আমাদের মিশন শুরু হলো।।।আমি সবার ফোন নাম্বার নিলাম।।আমার ফোন নাম্বারও সবাইকে দিলাম আর বললাম -আজ থেকে ইভটিজিং, চাঁদাবাজি, আর অন্যান্য বেয়াইনি কাজে আমরা দখল দিব।। কাউকে এইসব করতে বা এইসবের শিকার হতে দিব না।।।আমাদের মধ্যে কেউ যদি এই সব দেখে তাহলে যেন সকলকে কল।করে জানিয়ে দেয়।।।
সবাই বলল- ঠিক আছে।।।
সবাই জোর করে আমাকে তাদের গ্রুপ লিডার বানিয়ে দিল।।আমাদের গ্রুপে কয়েকজন হ্যাকার নিয়ে নিলাম।।যাতে সোশাল মিডিয়াতে কাউকে হ্যারেসমেন্টের শিকার হতে না হয়।।

আমাদের অফিসে সব যন্ত্রপাতি আমরা একত্রিত করলাম।।।
সব খরচ আমরা সবাই মিলেই দিলাম।।।আমাদের এই কাজের মধ্যেই তিন মাস কেটে গেল।।এখন আমাদের গ্রুপের কথা এলাকায় সবাই জানে।।মাস্তানরা আমাদের নাম শুনলেই প্যান্ট নষ্ট করে ফেলে।।কারন- প্রত্যেক থানায় আমাদের একটা করে গ্রুপ আছে।।। সবগুলা আমি কন্ট্রোল করি।।কোনো থানায় যদি বড় জামেলা হয় তাহলে আমাদের মেইন গ্রুপকেও যেতে হয়।।এলাকায় এখন সবাই আমাকে ফাহিম ভাই বলে চিনে।।।

এখনও প্রতিদিন একই স্বপ্ন দেখি,যে কেউ একজন খুব কষ্টে আছে আর আমাকে ডাকছে বার বার তার কাছে যেতে।। এখনও তার মুখ আমার সামনে স্পষ্ট হয় নাই।।।

একদিন দুলাভাই বলল যে ওনার সাথে ব্যাংকে যেতে।। আমিও রাজি হয়ে গেলাম।।।তারপর ব্যাংকে চলে গেলাম।।
সেখানে প্রবেশের সাথে সাথে আমার কিছু মন পড়তে চাচ্ছে।।কিন্তু মনে করতে পারছি না।।তখন আমি ব্যাংকের ম্যানেজার এর রুমে প্রবেশ করলাম।।তারপর।আমি বললাম - যে ওমর ফারুক ফাহিম এই নামে এই ব্যাংকে কোনো ব্যাক্তির একাউন্ট আছে।।।

অর্জিনাল লেখকের গল্প পড়তে পেজে লাইক করুন।।।।

ম্যানেজার-স্যার ডিসটিক বললে ভালো হতো 😔😔😔

আমি- মে বি ঢাকা।।

ম্যানেজার-অপেক্ষা করুন স্যার আমি দেখছি।।।

কিছুক্ষণ পর,,

ম্যানেজার- জ্বী স্যার একটা একাউন্ট আছে।।।

আমি- আমাকে সেই একাউন্ট এর ডিটেইল দিতে পারবেন।।

ম্যানেজার-সরি স্যার।। ওনার সিংনেচার ছাড়া এটা করক যাবে না।।আপনি এলাকার সমাজ সেবি বলে আমি আপনাকে এতোটুকু ইনফরমেশন দিয়েছি।।।ওনার।সিংনেচার ছাড়া বাকী ইনফরমেশন দেওয়া যাবে না।।।

আপনাদের সাড়া পেলে নেক্সট পর্ব দিব নয়তো দিব না।।

সবাই নিয়মিত নামায আদায় করুন।।।

(বিঃদ্রঃ ভুলট্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!