#ক্ষেত যখন বড়লোকের ছেলে পর্ব - ২

#ক্ষেত_যখন_বড়লোকের_ছেলে
#পর্ব_২

তারপর বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলাম।।পরে কিছু খেয়ে নিলাম।।
মা এসে বললেন- বাবা তুই এইভাবে কেন চলাফেরা করিস।।তর কিসের অভাব।।টাকা, গাড়ি, বাড়ি সব তর আছে।।

#ক্ষেত যখন বড়লোকের ছেলে পর্ব - ২
#ক্ষেত যখন বড়লোকের ছেলে পর্ব - ২

বাবা আমি বলি কি তোর বাবার বয়স হয়েছে এখন তুই লেখাপড়ার পাশাপাশি অফিসও সামলা।।।
আমি-আমার এভাবেই চলাফেরা করতে ভালা লাগে।।যেদিন সময় সময় হবে সেদিন আমি না হয় তোমাদের ইচ্ছা মত চলব।।তোমরা আমাকে যেভাবে দেখতে চেয়েছ সেভাবেই।।
আর আমি পড়ালেখা শেষ পর অফিস জয়েন করব।।করার আগে আমি বাবাকে অবশ্যই জানাব।।
তারপর চলে গেলাম একটু বিশ্রাম নিতে কিন্তু ঘুম আসছে না।কারণ জানতে হলে ফ্লাশব্যাকে যেতে হবে।।


কালকে ক্লাশে যে মেয়েটি আসেছিল তাকে দেখে আমি ক্রাশ খাই।।বলতে গেলে প্রেমে পড়ে যাই।।তাই সারাক্ষণ তার কথা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।। যার ফলে ঘুম আসছে না।।
পরেরদিন সকালে দেখি বাসার সামনে নতুন গাড়ি।। প্রথমে মনে করিছিলাম বাবা নিজের জন্য হয়তো কিনেছে।।তারপর হঠাৎই বাবা এসে বললেন যে গাড়িটা নাকি আমার জন্য কিনেছে।।
আমি বললাম- বাবা কিছু মনে করবেন না।।
আমি এখন এই গাড়ি নিতে পারব না।।গাড়ি সময় হলেই আমি নিব।।
তাই আমি এখন যেরকম আছি সেরকমই থাকতে চাই।।


বাবাও আর কিছু বললেন না শুধু বললেন- আচ্ছা তোর যখন মনে চায় তখন নিস।এইসবই তো তরই।।
তারপর আমি রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে কলেজের জন্য
রেডি হয়ে নিই।।কিছু হালকা নাস্তা করে বের হয়ে যাই।।রাস্তার মোড়ে গিয়ে দেখি সিয়াম, সুমন,সিয়াম দাঁড়িয়ে আছে।।(সিয়াম দুইবার লেখছি বলে মনে করবেন না টাইপিং মিস্টেক, আমার সিয়াম নামে দুই বন্ধু আছে)
তারপর তাদের সাথে কথা বলতে বলতে ভার্সিটি চলে আসি।।আসার পথে দেখি একটা মেয়ে একজন রিক্সাচালকের সাথে খারাপ আচরণ করছে।। তারপর আমরা সেখানে গিয়ে জানতে পারি নিধি রিক্সাচালকের রিক্সাসহ তার গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মারে এবং লোকটার উপর চেঁচামিচি শুরু করে।। একপর্যায় নিধি লোকটাকে তার চিকিৎসার টাকা দেওয়ার বদলে ওনাকে চর মারতে যায়।।
আমার খুব রাগ উঠে যায় তখন আমি নিধিকে ঠাস,ঠাস,ঠাস তিনটা চর মারি।।তারপর বলি নিজে দোষ করে গরিব মানুষের উপর চাপাচ্ছ কেন??
নিধি সেখান থেকে রাগে ফুসতে ফুসতে চলে যায়।।আমরাও আমাদের মতো ভার্সিটি চলে যায়।।
গিয়ে দেখি পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে।। আমি ডুকার সাথে সাথেই আমাকে এরেস্ট করে।।তখন নিধি এসে বলে ছোটলোকের বাচ্চা তোর সাহস কি করে হয় আমার গায়ে হাত তোলার।। যা এখন জেলের হাওয়া খা।।আমি কিছু বললাম না শুধু মুচকি হাসি 😊😊😊দিয়ে সেখান থেকে পুলিশের সাথে চলে যাই।।


আর যাওয়ার সময় সিয়ামকে একটা নাম্বার দিলাম আর আমার মোবাইল দিয়ে বললাম কল করে শুধু এতোটুকু বলতে যে আমাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে।।এটা বলার সাথে সাথে যেন কল কেটে দেয়।।
তারাও সেইরকমই করল।।থানায় নেওয়ার পর আমাকে লকাবে নিয়ে যাওয়া হল।।।
কিছুক্ষণ পরই কিছু গাড়ির আওয়াজ শুনা গেল।।
তারপর আমাকে লকাব থেকে বের করা হল।।


বের হয়ে দেখি বাবা আর দুলাভাই দাঁড়িয়ে আছে।।তখন দুলাভাই বলল-শালাবাবু তুমি ঠিক আছ তো।
বাবারা যখন এসেছেন তখন পুলিশ অফিসার ছিলেন না।লাঞ্চ করতে গেছিলেন।। তারপর তিনি লাঞ্চ করে এসে দেখে আমি লকাবের বাইরে তখন তিনি হাবিলদারকে বলেন -এই ছেলেটা লকাবের বাইরে কেন???

বলার সাথে সাথেই তিনি পাশে তাকিয়ে দেখেন বাবা বসে বসে আছেন।।তিনি বাবাকে দেখে বলেন-
অফিসার-স্যার আপনি এখানে।। আজ আমার থানা ধন্য হল আপনার পায়ের ধুলোয়।।
আপনি কেন আসতে গেলেন আমাকে ডাকতেন আমিই আপনার কাছে চলে যেতাম দেখা করার জন্য।।
বাবা বললেন,,,,,,,,,,,,
আপনাদের সাড়া পেলে নেক্সট পর্ব দিব নয়তো দিব না।।
সবাই নিয়মিত নামায আদায় করুন।।।
(বিঃদ্রঃ ভুলট্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!