রাত যখন গভীর Season:02 Part :36

 #রাত যখন গভীর 

#জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া 

#(jannatul mawa moho)

Season:02

Part :36

************
রাত যখন গভীর Season:02 Part :36
রাত যখন গভীর Season:02 Part :36


গাড়ি টা থামিয়ে দেয়। অতঃপর, রিনি হাত দিয়ে জানালার বাইরে ইঙ্গিত করে।
মাহমুদ দেখতে পেল,
ফুচকার দোকান।
মাহমুদ রাগ করে বলেঃ রিনি,ফুচকার দোকান কে এভাবে দেখাতে হয় নাকি। আমি তো আরও ভয় পাইছিলাম।মনে করলাম,বাঘ বা ভাল্লুক দেখে ফেলেছো।যত্তসব, নেকামি।
রিনি মিটমিট করে তাকিয়ে আছে মাহমুদ এর দিকে। রিনি বলেঃ আসলে,ফুচকা খেতে ইচ্ছে করছে। অনেক দিন খাইনা।
আপনার জন্য কিন্তু আমার অসুখ হয়ছে। সো আমাকে ফুচকা খাওয়ান।
মাহমুদ বলেঃ আমার জন্য নাকি তাহলে?
আমি বলছিলাম নাকি দেরি করে ভার্সিটি আসতে?
রিনি চুপ হয়ে গেছে। মাহমুদ আবার গাড়ি স্টার্ট দিতে যাচ্ছি লো। তখন,আবার গাড়ি থেকে চাবি টা বের করে ফেলে।
মাহমুদ বলেঃ গাড়ি থেকে বের হও।চল
রিনি খুশি তে মাহমুদ কে হাগ করে বসে। রিনি লজ্জায় লাল হয়ে যাই। নিজেকে নিজে বকা দিচ্ছে এটা কি করেছে সে।
দুজন ফুচকার দোকানে গিয়ে বসে। মাহমুদ অর্ডার দিয়ে আসে। ফুচকা এনে দেয় একটা বাচ্চা মেয়ে। রিনি তৃপ্তি করে ফুচকা খাচ্ছে। মাহমুদ আড় চোখে তাকিয়ে আছে রিনির দিকে। রিনির বেশ মজা লাগছে ফুচকা। এমন সময় রিনির মনে পড়ে,এই রকম একদিন রিনি বান্ধবী নিয়ে ফুচকা খেতে গেছিলো। অতপর একটা ছেলে রিনি কে প্রপোজ করে বসে। আর এসব প্রিন্স দূর থেকে দেখছিলো।
রিনি হঠাৎ আপন মনে বলে উঠেঃ আচ্ছা প্রিন্স কোথায়?
সেদিন পর তো আর আমার কাছে আসে নি।কেনো সে কি পারতো না জোর করে আমার উপর অধিকার কাটাতে।
আজকাল প্রিন্স এর কথা মনে পড়লে রিনির বুকে চিনচিন ব্যথা অনুভব করে।রিনি জানে না কেন যে এমন হয়!
দেখতে ফুচকা খাওয়া শেষ রিনির।
মাহমুদ বলেঃ এবার চলো।আমি বিল মিটিয়ে রেস্তরাঁ থেকে বেরিয়ে আসছি।তুমি গাড়ি তে যাও।
রিনি রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে পাশে জঙ্গলের দিকে এগিয়ে গেছে। রিনি আসলে, কিছু চিন্তা করছিলো।যার ফলে, সে নিজে ও জানে না।কোথায় যাচ্ছে!
রিনি হঠাৎ অনুভব করল, তার শীত লাগছিল। তখনই, সে চারপাশে তাকিয়ে দেখে, সে একটা জঙ্গলে।
রিনি বলেঃ আরে আমি এখানে কেন?
মাহমুদ স্যার কই?
আমার ভয় লাগছে। কি করবো!
রিনি ভয়ে চুপসে যায়। সে কখনো এমন একা জঙ্গলে আসে নি।রিনি নিজেকে গালি দিতে লাগলো। কারণ, সে যখনই প্রিন্স (ইনতিয়াজ)
এর কথা মনে করে, তখনই প্রিন্স এর দ্যান এ পড়ে যায়।
রিনি গুটি গুটি পায়ে হেটে যাচ্ছে। চারপাশে অন্ধকার নেমে আসছে। রিনির অন্ধকার কে অনেক ভয় লাগে। অন্ধকার দেখলে রিনির মনে হয়,অন্ধকার রিনিকে হারিয়ে ফেলবে কোন এক অজানা তে।অবশ্য, যেদিন রহমান জিন তাকে অন্ধকার থেকে গায়েব করে ফেলেছিলো তখন থেকে অন্ধকার মানুষ কে গায়েব এটা প্রমাণ মনে করে রিনি।
রিনি শুনতে পেল চারপাশ থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর শব্দ শুনতে পেল। রিনি ভয়ে চুপসে গেছে যার ফলে আর হাঁটতে পারছে না। তাই একটা গাছের নিচে বসে পড়ে।
মাহমুদ বিল দিয়ে রিনি কে গাড়ি তে দেখতে পাইনি। তাই ভয় পেয়ে গেলো।
মাহমুদ বলেঃ মেয়ে টা কই?
কই গেছে?
আজব তো।
মাহমুদ চারপাশে ভালো ভাবে তাকিয়ে দেখে। নাহ রিনির কোন চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। মাহমুদ এখন কি করবে।মাহমুদ দূর থেকে দেখে, ফুচকার দোকান বন্ধ করে দিচ্ছে। আর পিচ্চি মেয়ে টা তার বেতন নিয়ে আস্তে আস্তে হেটে ফিরে যাচ্ছে তার ঘরের দিকে।
মাহমুদ তার কাছে গেলো,মাহমুদ বলেঃ বাবু,কই যাও,
পিচ্চি বলেঃ আগ্গে ভাইজান ঘরে যাইতা ছিলাম।দেরি হয়লে মাইরা তক্তা বানাইয়া ফেলবো মোর সৎ মা।
মাহমুদ বলেঃ তা তোমার মা কই?
পিচ্চি বলেঃ মোর মা তো মুর জন্ম সমত মইরা গেছে। এর পর মোর বাপ আরেক্কান বিয়া করছে।মোর সৎমা কইছে আমি টাকা না দিলে আমার খাওন বন্ধ হইয়া যাইবো।তা ভইজান আপনার লগে যে,ভাবি ছিলো উনি কই?
দেখবার পারতাছিনা কেন?
মাহমুদ কিছু টা অপ্রস্তুত হয়ে গেছে। পিচ্চির মুখে রিনি কে ভাবি ডাকতে শুনে।
মাহমুদ বলেঃ আসলে,ফুচকা খেয়ে বেরিয়ে দেখি গাড়ি তে সে নাই।চারপাশে ভালো ভাবে খুঁজে দেখেছি কিন্তু খুজে পাইনি।
পিচ্চি বলেঃ তই ভাইজান,মেলা দেরি হইয়া গেছে। আমার মনে হয় কাছে যে কালা জঙ্গল আছে। হে খানে ডুইক্কা গেছে। অান্ধার হইয়া গেলে ওই জঙ্গলে অনেক ডর লাগে হুনছি ভুতপ্রেত আছে।
মাহমুদ কিছু টা চিন্তিত হয়ে গেছে। মাহমুদ বলেঃপিচ্চি তুমি কি আমাকে পথটা দেখিয়ে দিবে!
পিচ্চি বলেঃ আপনে কইছেন তাই দিমো।আপনারে আমার ভালা মনে হয় তাছে।তই ভাইজান আপনার লগে মোই ও যামো।আইজকা না হয় ঘরে দেরি কইরা গেলাম। তাছাড়া মোর না ওই ঘরে এক্কেরে যায় তে মন চাই না। তাও থাকার ঘর নাই তাই চইলা যায়।চলেন আমরা আগায়া যায়।
মাহমুদ ও পিচ্চি হেটে এগিয়ে যাচ্ছে জঙ্গলের ভিতর। আস্তে আস্তে জঙ্গলের ভিতর অন্ধকার ছেয়ে যাচ্ছে।
মাহমুদ বলেঃ পিচ্চি তুমি হাটতে পারবে না আসো।আমি কোলে তুলে নি।
পিচ্চি অনেক খুশি হয়ে গেছে। পিচ্চি বলেঃ ভাইজান আপনি না অনেক ভালা।
পিচ্চি কে কোলে নিয়ে এগিয়ে চলছে রিনির খুঁজে। মাহমুদ এর চিন্তা হচ্ছে মেয়ে টা ঠিকঠাক আছে তো?
রিনি গাছের নিচে বসে থাকতে থাকতে একটু তন্দ্রা মতো চলে আসে তার চোখে। হঠাৎ করে কেনো জানি রিনির চোখ জোড়া খুলে যায়।
রিনি তাকিয়ে দেখে, চারপাশে বিদঘুটে অন্ধকার।
রিনি বলেঃ হে আল্লাহ পাক আমাকে রক্ষা করো।
রিনি হঠাৎ করে, গাছের উপর তাকাই। আর দেখে কিছু একটা জলমল করছে। রিনি লক্ষ্য করে, সেই জলমলিত জিনিস টা আস্তে আস্তে নেমে আসছে গাছ বেয়ে। রিনির পছন্ড ভয় লাগছে।
রিনির করার কিছু নেই। কি করবে সে।তখনই, আবার গাছের উপর তাকাই। তখনই দেখতে পেল, সেই........
💮
রহমান সবার উদ্দেশ্য করে
বলেঃ সবাই আছেন কিন্তু সুমি কই?
কেউ কি কিছু জানেন!
তখনই, রহমান লক্ষ্য করে,ঝর্ণার পানির ঠিক মধ্যে করে বুত বুত করছে। রহমান এর বুঝতে বাকি রইলো না।সুমি ডুবে যাচ্ছে।
রহমান চিন্তা না করে ঝাপ দিয়ে এক সাতারে পানির মধ্যে চলে গেল। রহমান ও বেশ কিছুক্ষণ ধরে উঠছে না পানি থেকে। সবাই একটু ভয় পেয়ে গেলো। ঠিক তখনই, রহমান সুমি কে কোলে তুলে বের হয়ে আসে পানি থেকে। সুমি বেহুশ হয়ে গেছে।
রহমান মাটির উপর সুমি কে শোয়ে দেয়। রহমান জিন বলেঃ সুমি প্লিজ চোখ জোড়া খুলে দেখো।আমি তোমাকে ছাড়া কেমনে থাকবো।তুমি আমার সম্পূর্ণ অস্তিত্ব জোড়ে মিশে আছো।সুমি প্লিজ চোখ বন্ধ করে থেকোনা।
রহমান জিন চিৎকার করে বলেঃ সুমি, You are the happiness of my life, you are the smile of my lips, I am alive to see you anytime, your cute smile give me power please do not ever leave me.
সুমি আমি তোমাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি।প্লিজ আমাকে এভাবে ছেড়ে যেও না।
রহমান এর বলা প্রত্যেকটা শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। সবাই অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। শুধু অবাক হয়নি মুগ্ধ।
রহমান তার তার দুটো হাত সুমির পেটের উপর রেখে চাপ দেয় যার ফলে পানি বেরিয়ে আসে। এরপর, রহমান তার ঠোঁট জোড়া সুমির ঠোঁটের মধ্যে ডুবিয়ে দেয়। একটু পর সুমির হুঁশ ফিরে আসে। রহমান অনেক খুশি হয়ে যাই।
কামাল বলেঃ চলো সবাই একটা তাঁবু ঠিক করি।এখন এলরেডি অনেক দেরি হয়ে গেছে।সুমি এবং বাকিরা কাপড় বদলে নাও।অন্যথায় ঠান্ডা লাগবে।
রহমান সুমিকে কোলে তুলে নেই। সবাই মিলে তাঁবু রেডি করে। সবাই কাপড় পাল্টে নিবে চিন্তা করে। তখনই, মুগ্ধ বলেঃ একটু অপেক্ষা করো।চোখের পলকে সবার জন্য কাপড় নিয়ে আসে মুগ্ধ তার জাদু দিয়ে।
সুমি একটা শাড়ি পড়েছে। রহমান পাঞ্জাবি পড়েছে।সুমির ভেজা চুল গুলো দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।রহমানের খুব ইচ্ছে করছে সুমি কে ছোঁয়ে দিতে। রহমান আস্তে আস্তে এগিয়ে আসছিলো তখনই, রাবেয়া ডাক দেই।
জান্নাত এর ভাগে পড়েছে একটা কালো ট্রিপিচ।জান্নাত চুল গুলো খোলা রাখে। কারণ চুল গুলো ভিজে আছে এখনো।ওড়না টা গলায় পেচিয়ে নিয়েছে।
সবাই রাতের খাবার শেষ করে। কামাল বলেঃ চল একটা গেইম খেলি।মুগ্ধ তুমি গিয়ে চিপস এর প্যাকট আনো।আর আমাদের তাঁবুর রুম টা গুছিয়ে আসো।
সবাই বসে আছে এখন মেয়ে দের তাঁবু তে।খুব সুন্দর একটা রাত।সবার কানে আসছে ঝর্ণার জল এর শব্দ। সবাই খেলা শুরু করে।তখনই, টর্চ লাইট বন্ধ হয়ে যাই। কামাল আরেকটা টর্চ লাইট অন করে। মুগ্ধ চিপস নিয়ে ফিরে আসে।
সবাই গানের কলি খেলছে।বেশ কিছুক্ষণ পরই টর্চ টা বন্ধ হয়ে গেছে। কামাল বলেঃ আর লাইট নেই।
তখনই, জান্নাত কারো স্পর্শ অনুভব করল। জান্নাত কে কেউ কোলে তুলে নিলো।জান্নাত ভয়ে চুপসে যায়। যারফলে চোখ বন্ধ করে দেয়।ভয়ের কারণে গলার স্বর একদম হারিয়ে গেছে।
হঠাৎ জান্নাত শুনতে পেল, কেউ একজন বলে, চোখ জোড়া খুলে দেখো।
জান্নাত তাকিয়ে দেখে, সামনে ঝর্ণা, চারপাশে জোনাকি পোকা।আরেক টু সামনের পাথরে একটা কেক রাখা।জান্নাত ভেবে পাচ্ছে না কেক কেন!
তখনই, মুগ্ধ তার মুখ টা জান্নাত এর কানের কাছে এনে বলেঃ
তুমি আমার জীবনে প্রবেশ না করলে ভালোবাসা আসল অর্থ হয়তো আমি জানতে পারতাম না। যতই তুমি এড়িয়ে যাও।দিন শেষে আমার হবে তুমি।
তাছাড়া, তুমি আমার পাশে বন্ধুর মতো ছিলে।তাই,
সবকিছুর জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। আজকের এই বিশেষ দিনে অনেক ভালোবাসা রইল। শুভ জন্মদিন প্রিয়।
জান্নাত এতক্ষণ মুগ্ধ এর কোলে ছিলো।জান্নাত বলে উঠেঃ আজ কি ৬ আগষ্ট নাকি!
সবাই চিৎকার করে বলেঃ হেহহহহহ।happy birthday jannatul Mawa mohoya. Many many happy return of the day.
জান্নাত বলেঃ আমিতো ভুলে গেছিলাম। আজ জে আমার জন্ম দিন।সত্যি কখনো এই ভাবে সারপ্রাইজ পাইনি।
জান্নাত কোল থেকে নেমে যাই। কেকের সামনে বসে। জান্নাত এর পিছনে ঝর্ণা। আর মাথার উপর অগুনিত জোনাকি পোকা।
তখনই, মুগ্ধ জান্নাত এর কাছে আসে। মুগ্ধ বলেঃ চোখ বন্ধ করো।
জান্নাত চোখ বন্ধ করে। মুগ্ধ বলেঃ এবার চোখ জোড়া খুলে দেখো।
জান্নাত দেখে, খুব সুন্দর একটা ফুল এর তাজ।মুগ্ধ নিজ হাতে জান্নাত এর মাথায় পড়িয়ে দেই। তারপর, আর একগুচ্ছ ফুল জান্নাত এর হাতে দিয়ে বলে উঠে, শুভ জন্মদিন আমার মনের রানি।সত্যি প্রকৃতির রূপ এর সাথে তোমাকে বেশ মানিয়েছে।একদম রানীর মতো ই লাগছে।
জান্নাত সত্যি মুগ্ধ এর উপর মুগ্ধ হয়ে গেছে। জান্নাত,....
💮
শাম্মি বলেঃ বাবা, কেনো?
রাজা মশাই বলেঃ আসলে,আমরা চাইছি হাবিব এর সাথে তোর নেকাহ করাইতে। তোর মতামত কি!
শাম্মি বলেঃ তোমরা রাজি থাকলে আমি ও রাজি। কিন্তু শাম্মি মনে মনে বলছে, আজ আমার মনটা যেতো পেকম কোইলা নাছেরে।
রাজা মশাই অনেক খুশি হয়ে যাই। তার মেয়ের এমন উত্তর শুনে। তাড়াতাড়ি রানী লোভার কাছে চলে যায়,শাম্মির থেকে বিদায় নিয়ে ।রাজা মশাই এই খুশীর সংবাদ দিতে একদম উতলা হয়ে আছে।
শাম্মি আয়নার সামনে দাড়িয়ে আছে। নিজেকে দেখে নিজে ই লজ্জা পাচ্ছে। আহা শাম্মি আজ অনেক খুশি।
হাবিব ও শাম্মির কথা চিন্তা করছে। তখনই লক্ষ্য করে, আয়নার মধ্যে তার মায়াবতী দেখা দিয়েছে।
হাবিব দাঁড়িয়ে যায়। শাম্মি হাবিব এর কাছে চলে আসে। হাবিব লক্ষ্য করে, শাম্মি আসার পর থেকে লজ্জা পাচ্ছে।
হাবিব বলেঃ একি আমার হবু বউ এতো লজ্জা পাচ্ছে কেন?
কি হয়েছে?
শাম্মি বলেঃ আসলে,বাবা আজকে হঠাৎ আমার রুমে প্রবেশ করে। যা হয়েছে সব কিছু শাম্মি হাবিব কে জানালো।
হাবিব নিজের কান কে বিশ্বাস করতে পারছে না। হাবিব তার অনুভূতি প্রকাশ এর ভাষা হারিয়ে ফেলে।
তখনই হাবিব বলেঃ আচ্ছা, তোমার মা বাবা কখন আসবে?
শাম্মি বলেঃ সেটা তো জানি না।মনে হচ্ছে খুব শীঘ্রই তারা তোমার মার সাথে দেখা করবে।
হাবিব বলেঃ শাম্মি সোফায় বসো।তোমার কোলে মাথা দিয়ে একটু ঘুমাতে চাই।
হাবিব, শাম্মির কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে আছে। শাম্মি হাবিব এর চুলে বিনি কাটছে। পাশের বাসায় আয়ান আবার ছড়া কাটছে। আয়ান বলে উঠেঃ
"দূর নীলিমায় নয়,
আছি তোমার পাশে।
খুঁজে দেখ,
পাবে হৃদয়ের মাঝে।
শুনবো না কোন গল্প,
শুধু গাইবো একটি গান।
যে গানে রয়েছে,
তোমার প্রতি ভালোবাসার টান""
(কবিতা লেখকঃউর্মি)
হাবিব ঘুমিয়ে পড়লো। শাম্মি হাবিবের মাথা তে বালিশ দিয়ে দেয়।এরপর শাম্মি তার রাজ্যে ফিরে গেলো।
চলবে.....
[গল্প কেমন হচ্ছে কমেন্ট করে বলেন প্লিজ ]
(বানান ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!