অচেনা কেউ.. #পর্ব_২

#অচেনা_কেউ
#পর্ব_২
লেখক_আয়াত_মুস্তারিহ_আয়ান
.
অচেনা কেউ.. #পর্ব_২
অচেনা কেউ.. #পর্ব_২

যাকে আমি জীবনের থেকে বেশি ভালোবাসলাম সেই মানুষটাই আমাকে আর আমার বান্ধবীকে নিজের বন্ধু সহ ধর্ষণ করতে চাচ্ছে..
.
আমার জন্য কষ্ট লাগলেও নিজেএ বান্ধবীটার জন্য বেশি কষ্ট লাগছে..
বেচারীটা আমার সাথে এসে এমন বিপদে পড়লো..
.
আমি কি করবো বুঝতে পারতেছি নাহ..
.
এমন সময় সামনে তাকাতেই দেখি একজন লেখে রাখছে৷

কোন মতে নাকে হাত দেও.....
অচেনা কেউ..
.
পর্দায় বড় করে লিখা এটা৷

ছেলে আমার জামায় হাত দিছে.মানে খুলেই ফেলবে তবুও মনে মনে বললাম..এইবার যাই হোক একে বিশ্বাস করবোই।।
.
আমি নাকেনহাত দিলাম..
এমন সময় দেখি ছেলেটি আমার জামায় হাত দিয়ে হাসছে..
এতে আমি চমকাই নি..চমকেছি তখন যখন আমি দেখি যে ছেলেটি হাসতে হাসতে কাদছে..
সে চাচ্ছে হাসি থামাতদ কিন্তু পারছে নাহ..

এমন সময় আমি বুঝলাম আমারো হাসি পাচ্ছে..
.
আমিও হেসে দিচ্ছি..
না চাইতেও হাসছি আমি..
.
সে হাসতে হাসতে বাহিরে বের হয়ে গেলো..
.
আমিও উঠে উড়না ঠিক করলাম..এদিকে দেখি অহনা ও হাসতে হাসতে আমার এখানে আসছে..
.
আমি কিছুই বুঝতেছি নাহ..
.
হঠাৎ দরজায় জোড়ে লাথির আওয়াজ পড়লো..
.
দরজার বাহিরে পুলিশ..
.
তারা এসে চার বন্ধুকে ধরে ফেলে..
.
আর আমাদের হাতে একটা ইনহেলার দেয়..এবং আমাদের নিতে বলে..
.
আমরা সেটা নিতেই আমাদের হাসি থেমে যায়..
.
এদিক দিয়ে ফারহান ও তার বন্ধুরা হেসেই যাচ্ছে..
পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে যায়..
.
আমি আর অহনা বাহিরে যাই..অহনা আমাকে ধরে কেদে দেয়..
আমি তার কাছে কি বলে মাফ চাবো বুঝতে পারছি নাহ..
আমি তার মাফ চাইলাম..সে এখন ও কাদছে..
.
এমন সময় আমার মোবাইলে একটা মেসেজ আসে..
.
অচেনা হলেও খারাপ না..
সঙ্গে থাকলে আমি বিপদ তোমায় ছুবে নাহ.

.
মেসেজ পাঠানোর সাথে সাথে তাকে কল দেই আমি..
.
কিন্তু ফোন বন্ধ..
.
এতো জলদি মানুষ কিভাবে কাজ করতে পারে??
.
যাই হোক..
আমি এতো কিছু না ভেবে অটো তে উঠলাম..
.
বাসায় এসে শাওয়ার নিয়ে বিছানায় শুলাম..
.
এমন সময় আমার নাম্বারে একটা কল আসে..
.
.
[গল্পটির আসল লেখকঃAyat Mushtarih ayan]
ফোন রিসিভ করি আমি..
.
হায় আয়েশা..
>হেলো..
>আয়েশা আমি আয়ান..
>কোন আয়ান??
>আয়েশা আমরা কলেজ এ একই ক্লাসে ছিলাম..
>আমার তো মনে পরতেছে নাহ..
>আরে আয়েশা তুমি কিভাবে ভুলে যেতে পারো আমাকে??
>আচ্ছা আপনি মনে করান আমি ও চেষ্টা করছি..
>আচ্ছা তোমার মনে আছে তুমি স্টেজে অনুষ্ঠান পরচালনা করতে??
>হে..
>আর আমি দ্বিতীয় সিটে বসে তোমায় দেখতাম...
>না এটা তো মনে পরতেছে নাহ..
>আয়েশা তুমি তোমার যেকোন বন্ধুকে আমার ব্যাপারে জিজ্ঞাস করো..তারা বলে দিতে পারবে..
>আচ্ছা আমি জিজ্ঞাস করবো.নি..
>হুম..
.
হঠাৎ তার ফোনের সাইড থেকে গিটারের একটা টিউন শোনা যাচ্ছে..
.
এই টিউনটা আমার খুব চেনা লাগছে মনে হচ্ছে এই টিউন টা আমি অনেক আগে থেকে চিনি..
>আচ্ছা গিটারের এই টিউন টা আমি শুনেছি এর ও আগে..
>আচ্ছা আয়েশা এই গান টা মনে পরে নাকি দেখো তো..
.
কোন গান??
>দাড়াও বলছি..
.
.
......আমি বাতাস হয়ে আসবো ও গো তোমার কল্পনাতে
তুমি অশ্রু জলে শিক্ত হয়ে আসবে মোহনাতে..
আমি তোমার জন্য কাদবো ওগো তোমার জন্য হাসবো...
তবু থাকবে তুমি থাকবে ওগো আমার অন্তরাতে...
.
.
.
.
>আহহহহহ..স্টপ...এই গান টাও আমার খুব চেনা..আপনি এটা কিভাবে জানলেন??
>আমি বলছি তো আয়েশা..আম সেই মানুষ যাকে তুমি চেনো..যাকে তুমি বুঝো..
>না আমার মনে পড়ছে না বললাম নাহ..প্লিজ আপনি আমায় বলুন আপনি আসলে কে??😖😖😖
.
জানবে আয়েশা..সময় হলে ঠিক ই জানবে..
.
.
.
আয়েশার পাশের ফোন কেটে যায়..
.
.
এমন সময় অচেনা সেই মানুষটির নাম্বার থেকে আয়েশার ফোনে মেসেজ আসে..
.
>দেখা করবা??
>আয়েশা খুশি হয়ে যায়..
যেই মানুষটা তার জীবন বাচালো সেই মানুষটার সাথে তার দেখা করা তো উচিত..
.
আয়েশা হে বলে দেয়..
>আচ্ছা তাহলে আজ রাত ১২টায়..কবরস্থান এর সামনে দাড়াবা..আর বিশ্বাস করতেই পারো..কোন ক্ষতি হবে না তোমার..
.
আয়েশা ঘাবড়ে যায়..রাত ১২টায় তাও আবার কবরস্থানের সামনে??কিভাবে সম্ভব??
.
আয়েশা অনেক চিন্তা ভাবনা করতেছে কি করবে..
.
কিন্তু তবুও সে পুরোপুরি সিউর হতে পারতেছে নাহ..
.
আয়েশার ভয় করছে কিন্তু যেতে ইচ্ছা হচ্ছে..
.
.
সে অনেক চিন্তা করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়..

রাত ১১.৫৫ মিনিট..আয়েশা যতো কবরের দিকে যাচ্ছে তার ততো ভয় করছে..
.
আয়েশা পা কাপছে..
.
শরীর ঠান্ডা হয়ে আসছে ভয়ে..কি বিতে যাচ্ছে সে নিজেও জানে নাহ৷

এমন সময় হঠাৎ তার পিঠে একটা হাত পরে৷

.
সে পিছনের দিকে তাকায়..
.
.
আহহহহহহহহহহহহহ...করে চেচিয়ে উঠে সে..
.
নিজের চোখ কেও বিশ্বাস করতে পারছে না সে যে এ কী দেখলো..
.
সে ১০পা পিছিয়ে যায়..আর ঘুঙাতে থাকে..
.
কারণ.....
.
.
.
.
#চলবে..
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!