রাত যখন গভীর Season:02 Part :11

#রাত যখন গভীর 
#জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া 
(jannatul mawa moho)
Season:02
Part :11
************
রাত যখন গভীর Season:02 Part :11
রাত যখন গভীর Season:02 Part :11


ঘুম একটু গভীর হতেই, জান্নাত এর ঘুম ভেঙ্গে গেলো। জান্নাত রুম থেকে বেরিয়ে আসে, জানালার দিকে তাকিয়ে আছে। দেখে,,কে যেন দাঁড়িয়ে আছে বারান্দায়।জান্নাত চিন্তা করে এতো রাতে কে ওখানে। কে তা দেখার জন্য,  জান্নাত বেরিয়ে পড়ে। তবে কাউকেই দেখে নি বারান্দা তে,।হঠাৎ জান্নাত  উঠানে দেখতে পেল একটা ছায়া মুর্তি।জান্নাত আবার এগিয়ে গেছে সেদিকে।কিন্তু এবার ও গায়েব।আবার লক্ষ্য করে, ছায়া মানবি হেটে যাচ্ছে। জান্নাত ও নাছোড় বান্দা পিছু নিলো।কারণ এট এনি কস্ট জানতে হবে, কে এটা!!!
ছায়া মানবি হেটে হেটে চলছে বেস কিছুক্ষণ ধরে। অবশেষে,  একটা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে পড়ে। জান্নাত ও কিছু টা দূরত্বে দাঁড়িয়ে আছে। জান্নাত লক্ষ্য করে এটা এতটা মেয়ে।নদীর পানিতে মেয়ে টার চুল ভেসে উঠেছে।অনেক লম্বা চুল গুলো। মেয়ে টি নদীর পানিতে নেমে যাই। অমাবস্যার কারণে বিদঘুটে অন্ধকার ছিল। তাই জান্নাত এর দেখতে কষ্ট হচ্ছিল।
ছায়া মানবি নদীর  পানিতে ফুটে থাকা শাপলা তে হাত দিয়ে ছিড়ে নেই।নদীতে অনেক গুলো শাপলা ফুল ফুটে ছিল। একটা ফুল হাতে নিয়ে ছায়া মানবি ঠোঁট জোড়া নাড়ছে। তাই জান্নাত অনুমান করে।ছায়া মানবি 
কোন মন্ত্র উচ্চারণ করেছে। আবার  নদীতে লাগিয়ে দেয় শাপলাটা।তবে এখন শাপলা টা অসম্ভব সুন্দর লাগছে। চকচক করছে। জান্নাত কে পানিতে নামতে বাধ্য করছে।শাপলাটা জান্নাত কে তার দিকে আকর্ষিত করছে।  জান্নাত নিজের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। জান্নাত আস্তে আস্তে নেমে যাচ্ছে নদীর জলে।
সবাই কে সতর্ক করে দিয়েছিল মেয়েরা যেন একা কোথাও না যায়।  কিন্তু অতি আগ্রহ একদম সুখের হয়না। জান্নাত এর অতি আগ্রহের জন্য এই পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছে। 
জান্নাত এর গলা অবধি পানি।তবে চোখ জোড়া স্থির করে তাকিয়ে আছে শাপলা ফুলের দিকে।অসম্ভব চকচক করছে।শাপলা টা যতোই স্পর্শ করতে চাইছে। ততই জান্নাত এর হাতের নাগালে চলে যাচ্ছে।  জান্নাত আস্তে আস্তে ডুবে যাচ্ছে। জান্নাতের  খেয়াল নেই সেদিকে।জান্নাত এর শ্বাস কষ্ট হচ্ছে। জান্নাত যেন কোন এক ঘোর থেকে বেরিয়ে আসলো।নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে এখন খুব ভালো ভাবে অনুভব করছে ।হাত, পা ছড়াছড়ি করছে। জান্নাত সাতার কাটতে জানে না।তাই আস্তে আস্তে নদীর গভীরে তলিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া জান্নাত স্পষ্ট বুঝতে পারছে,এখন তার পা টা ও কে যেন পানির ভিতরে টান দিচ্ছে। জান্নাত এর দুচোখ অন্ধকার ঘিরে আসছে।হঠাৎ,  জান্নাত এর অবচেতন শরীর বুঝতে পারছে,কে যেন কোমরে স্পর্শ করছে। জান্নাত নিশ্বাস নিতে পারছে একটু একটু তবুও কষ্ট হচ্ছে। জান্নাত এর মস্তিষ্ক আর কাজ করছে না। সেন্স লেস হয়ে পড়ে জান্নাত । 
মুগ্ধ অনেক চেষ্টা করছে তবুও জান্নাত এর সেন্স ফিরে আসছে না। শ্বাস প্রশ্বাস ও বড্ড অস্বাভাবিক। মুগ্ধ ডাক্তার তাই বেশ বুঝতে পারছে  বড্ড ক্রিটিকাল অবস্থা।এই মুহূর্তে অক্সিজেন দিতে হবে। অন্য তাই মারাত্মক ভাবে খারাপ কিছু হবে।  মুগ্ধ কোন উপায় না পেয়ে। মুগ্ধ, 
কিছু চিন্তা না করে কৃত্রিম পদ্ধতি নিশ্বাস প্রদানের প্রয়োগটি জান্নাত এর উপর এপ্লাই করে । মুগ্ধের ঠোঁট জোড়া জান্নাত এর ঠোঁটের সাথে আটকে দেয়।
বেশ কিছুক্ষণ পর জান্নাত একটা বড় করে শ্বাস নেই। মুগ্ধের ঠোঁট সরিয়ে নেই। মুগ্ধ আবার চেক করে দেখে।এখন নরমাল আছে সব।তবে জান্নাত এর পুরো শরীর কাঁপুনি দিচ্ছে। ভিজে কাপড়ে আর বেশিক্ষণ থাকলে জান্নাত এর  আরও ক্ষতি হবে। মুগ্ধ দাঁড়িয়ে যায় । হাত দুটো প্রসস্থ করে।মুগ্ধের কাঁধ দিয়ে এক জোড়া ডানা বেরিয়ে আসে। খুব সর্তকতার সাথে কোলে তুলে নেই জান্নাত কে ।চোখের  এক পলকে মুগ্ধ 
ছুটে চলে, অর্কের বাসার গেইটের সামনে। মুগ্ধ নিজের ডানা লুকিয়ে নেই। কারণ, মুগ্ধ চাইনা,সে যে জিন পরী একথা সর্ব প্রথম জান্নাত ছাড়া কেউ জানুক। তাছাড়া, জান্নাত জানার পরে,যদি ও কাউকে জানাতে চাই। তাহলে, সে জানাতে পারে।মুগ্ধ তাড়াতাড়ি জান্নাত কে ঘরে শায়িত করে। সবাই দেখে জান্নাত কে।সুমি,শাম্মি তাদের সাথে জান্নাত কে নিয়ে যায়। কাপড় চেঞ্জ করে দেয়। 
সুমি নিজেকে দোষ দিচ্ছে। কারণ, কালকে সিরাজ এর সাথে ব্রেকআপ হয়েছে তাই মন খারাপ ছিল।জান্নাত যখন মাঝ রাতে ডেকে দেয়। আর বলে, সুমি একটু বাইরে আয় না।তখন রাগ দেখায় সুমি।যার ফলে জান্নাত একা বেরিয়ে ছিল। 
শাম্মি বলেঃ আপু যা হয়েছে তা নিয়ে চিন্তা করে কি হবে?ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে। তাছাড়া মুগ্ধ ভাইয়া আছে না।যে কেয়ার করে।হায় আল্লাহ। দেখলেই জিলাসী হয়।
আসলে, কেউ একজন ঠিকই বলেছিল,এক রমনীর সুন্দর হলে, অন্য জন জিলাসী করবে।তাছাড়া, কারো স্বামী বা প্রেমিক বেশি কেয়ার করলেও এটা দেখে মেয়েদের জিলাসি হয়।ঠিক তেমনই, শাম্মির ও জিলাসি হয়েছে জান্নাত এর প্রতি মুগ্ধের কেয়ার ও ভালোবাসা দেখে।😴
সকালে রৌদ্রময় আলোতে,জান্নাত চোখ জোড়া খুলে। সবাই অনেক খুশি হয়েছে। সুমি বলেঃ সরি।কালকের জন্য। 
জান্নাত বলেঃ সরি তে কাজ হবে না।তাছাড়া কি পেত্নী কি মনে করচস এতো সহজে ছেড়ে দেবো তুকে।শালার, বজ্জাত সিরাজ এর জন্য আমাকে রাগ দেখিয়ে ছিলি।সিরাজের ছেয়ে ভালো কারো সাথে তুর বিয়ে দিবো দেখিস।ওই সিরাজ এর লগে আর যোগাযোগ করবি না।করলে তুর একদিন কি আমার একদিন। 
সুমি বলেঃ ওকে মেরি আম্মা জান।এবার তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যা।রিনিকে খুঁজে বের করতে হবে। 
রাহাত হুজুর বলেঃ তা জান্নাত, এত রাতে কই গেছিলা।কেন গেলে?তোমাদের মেয়ে দের একা কোথাও না যেতে বলছি না।
জান্নাত সব কিছু খুলে বলে। জান্নাত বলেঃ তবে মরার পথের থেকে কে ফিরিয়ে আনছে জানি না।
রাজা মশাই ও লোভা বলেঃ ওই যে এক কোণায় একটা ছেলে বসে আছে না মুখ গুমরে সে বাচিয়েছে।আল্লাহ সহায়ক ছিলেন। ছেলে টা ওচিলা ছিল।তাছাড়া, 
ও ছাড়া আর কে বাঁচাবে।
জান্নাত লক্ষ্য করে দেখে। এটা তো মুগ্ধ। জান্নাত বলেঃ আপনি?  কেমনে কি?
আমি যে ওখানে কেমনে জানলেন?
মুগ্ধ বলেঃ জানি তুমি সব উত্তর না পাওয়া অবধি অস্থির হয়ে থাকবে।শুনো তাহলে। 
সবাই মনোযোগ দিয়েছে।মুগ্ধ শুরু করে।কাল রাতে..... 
এমন সময়, 
কে যেন একজন বলে উঠে:রিনি মেম আপনার হাতটা দেন।চুড়ি পরিয়ে দিব। 
রিনি হাতটা বাড়িয়ে দিল।রিনিকে একজন সাজাচ্ছে। একজন খোপা করেছে। একজন জুয়েলারি পরাচ্ছে। রিনির নিজেকে জুয়েলারির দোকান মনে হচ্ছে। বেশ কিছু সময় পর সাজ শেষ হয়েছে।
তাসনিয়া বলেঃ দেখি কেমন লাগছে? 
রিনি কে তাসিনিয়ার সামনে আনা হয়।
তাসনিয়া বলেঃ বাহ আমার ভাই এর পছন্দ আছে। বেশ লাগছে।
রিনি এবার নিজেকে আয়নার মধ্যে দেখে।রিনি মনে মনে বলছে, অনেক ইচ্ছে ছিল বউ সাজার, এই ভাবে যে সাজতে হবে চিন্তা করিনি।
রিনি অস্পষ্ট স্বরে বলেঃহলুদ শাড়ি, সাদা ফুলের হাত,মাথার,গলার গহনা।সাথে নাকে নাক ফুল। ঠোঁটে মিষ্টি রঙের লিপস্টিক।এতো কিছু তে আমি নিজেকেই চিনতে পারছি না। বড্ড অচেনা লাগছে আয়নার সেই প্রতিবিম্ব কে।
তাসনিয়া বলেঃ আস নিচে যায়। সবাই এসেছে।ভাই ও প্রস্তুত। 
সবাই মিলে নেমে যাই। রিনি এই প্রথম তার রুম থেকে বেরিয়েছে।তবে যখন থেকে নিচে নেমেছে একটা অনুভূতি কাজ করছে। রিনির মনে হচ্ছে, কাছের কেউ খুব আশেপাশে আছে। 
রিনি নামতেই, রহমান জিন তার হাত বাড়িয়ে দেয়। রিনি অনিচ্ছার শর্তে ও রহমানের হাতটা ধরে। রহমান রিনির কানের কাছে মুখ করে ছোট ছোট করে বলে, 
ফাগুনের আহবানে,
শুধু দুজনে।
হারিয়ে যাবো দূর অজানায়।
পাশে থেকো চিরদিন। 
মৃত্যু অবধি, 
ভালোবাসায়।।।।।😍
এসব কথা শুনে রিনির রাগ হচ্ছে বড্ড। ইচ্ছে করছে, পালিয়ে যেতে।কিন্তু রিনি যে নিরুপায় ।রহমানের রোমান্টিক কথা শুনলে বড্ড গা ঘিনঘিন করে রিনির।অবশ্য, সব কিছু ভাগ্যের কাছে ছেড়ে দিলেও মন মানতে নারাজ।মন যে বেহায়া। এই মন নামক জিনিস টা  রহমান কে কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেনা।আসলে, মনটা যে বড়ই খেয়ালি। মাঝে মাঝে অদ্ভুত আচরণ করে।
রহমান লক্ষ্য করে রিনির মুখে রাগের চাপ ফুটে উঠেছে। আবার,রহমান, রিনির কানের কাছে এসে বলে, 
kabhi kabhi gussa
Muskurahat se
Zada khas hota hai,
Kyun ki
Muskurahat toh sab ki liya 
Hota hai.
Magar gussa sirf us
K liya,
Hota hai,
Jinhei humm kabhi khona,
Nahi chahty😇😇😇😍
রহমান মনে মনে বলছে, রিনি ভালবাসা আর যুদ্ধে ভুল বলে কিছু নেই,হ্যাঁ ভুল বলে কিছু নেই। কিছু কিছু জিনিস জোর করে আদায় করে নিতে হয়।
রহমান চেয়ে আছে রিনির দিকে। আজ রিনিকে অপসারী লাগছে। রহমান আর রিনিকে স্টেজ এ নিয়ে গেল। 
রিনি চুপ হয়ে আছে। দুজন কে হলুদ লাগিয়ে দিয়েছে। রিনির হাতে মেহেদী লাগিয়ে দিচ্ছে। রিনির চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে চাইছে, কিন্তু চোখে যে জল নেই।তাই চোখ জোড়া দিয়ে অশ্রু  ঝরে পড়ে নি।
রিনির মেহেদী লাগানোর সময় রহমান রিনিকে ছোট ছোট কন্ঠে বলে, 
তুমি যদি হও মেহেদী , 
আমি হবো সেই মেহেদীর রঙ,
দুজনে মিলে করবো
এবার প্রেম নামক ডং😁😁
রিনি হেসে উঠে রহমানের এমন কথা শুনে। রহমান চলে গেল, মেহমান দের সাথে গল্প করতে। রহমান মেহেদী দেয়নি। কারণ ছেলে দের মেহেদী দেওয়া ঠিক না।
রিনির হাতে মেহেদী লাগিয়ে দিয়েছে।তবে মেহেদী তে নামের অক্ষর দিতে গিয়ে E অক্ষর হয়ে গেছে। যে মেহেদী দিচ্ছি লো সে ভয় পাই। কারণ, রহমান যদি দেখে আস্তো রাখবে না।মেয়ে টা অক্ষর টাকে বুঝা না যায় মতো করে দিয়েছে। তবে কেউ মন দিয়ে খুঁজলে ঠিকই খুঁজে পাবে।
আসলেই, এটা কি কোন কোইন্সিডেন্ট ছিল? নাকি নিয়তির কোন ইশারা???
রিনির কিছুই ভালো লাগছে না।নিজেকে নিজে ভরসা দিচ্ছে সব ঠিক হয়ে যাবে। 
রিনি আবার মনে মনে বলছে, সব ঠিক হয়ে যাবে, একটা বাজে রকমের মিথ্যা কথা। সব কখনো ঠিক হয় না।হলুদ কখনো লাল হয়না।সাদা কখনো কালো হবে না।দুই আর দুয়ে মিলে কখনো পাঁচ হয়না।কষ্টের দাগ কখনো মুছে যায় না।সব কখনো ঠিক হয় না।সব আগের মতোই থাকে। আমরা শুধু মেনে নিতে শিখি।মানিয়ে নিতে শিখি। কষ্ট কখনো কমে যায় না।কষ্ট কখনো চলে  যায় না। কষ্ট তার জায়গাতেই থাকে। আমরা শুরুতে তাকে তাড়িয়ে দিতে চাই।যেদিন টের পাই সে কখনো চলে যাবে না সেদিন থেকে আমরা তাকে আপন করে নিই।নীরবে,নিঃশব্দে ভেতর থেকে মারা যেতে থাকি।
এসব চিন্তা করতে করতে অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে। যার ফলে, 
অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেছে । সবাই চলে যেতেই।বাসায় যে মহিলা ছিল, উনি বলে, মেম আপনি আমার রুমে বসেন।আমি আপনার রুমে একটু পরিষ্কার করে আসি।আসলে, সময় পাইনি। সবাই রাতে হাড্ডি খেয়ে ছে।এগুলো পরিষ্কার করতে করতে দেরি হলো। 
জিনদের খাবার হলো, পশুর হাড্ডি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার। 
রিনি বলেঃ আচ্ছা সমস্যা নেই। তোমার রুম কোন দিকে? 
মহিলা সিড়ির নিচের রুম টা দেখিয়ে দেয়। রিনি সেই রুমে প্রবেশ করে। রিনির কেমন জানি লাগলো। খুব আপন কেউ আছে এই রুমে এমন মনে হচ্ছে।রিনি সোফায় বসে পড়ে। প্রিন্স এতক্ষণ মন খারাপ করে বসে ছিল।কিন্তু যখন  বোতল বেদ করে  বাইরে তাকিয়ে দেখছে,আরে এটা কাকে দেখতে পাচ্ছে। 
প্রিন্স বলেঃ এটা কে? এটা কি আমার রিনি? রিনি রিনি।প্লিজ হেল্প মি।
বোতলে থাকার ফলে প্রিন্স এর কথা রিনি শুনতে পেল না। রিনি সম্পূর্ণ রুম টা দেখছে।আর চিন্তা করছে,আজ রাতে ঘুম হবে না।আসলে,  রাত শত্রুর চেয়ে ও ভয়ংকর। দিনের আলো নিভে যখন রাতের আধার নেমে আসে তখনই মনের কষ্ট গুলো জ্বলে উঠে। রাতটা শুধু কি ঘুমের জন্য? 
হাজারো অতীত আর ভবিষ্যত কল্পনা আর স্বপ্ন এর স্বর্গরাজ্য।এসব বলে সামনে তাকিয়ে দেখে। 
এমন সময় টেবিলে দেখে একটা বোতল। 
রিনি বলেঃ বাহরে বোতল একটা কেন এখানে?  তবে বোতলটা বেশ সুন্দর।তবে কেন জানি মনে হচ্ছে কোথায় জানি বোতল টা দেখেছি। কিন্তু কোথায় দেখেছি? 
এই বলে, রিনি এগিয়ে যাচ্ছে বোতলটার দিকে....... 
চলবে........
**তোমাদের দাওয়াত দিছিলো রহমান জিন গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে আসো নি কেন?????।
কাল বিয়ে ,আসবে তো????😵😵😵😀
কমেন্ট করে বলো????😳😳😳
মাঝ এমন ছায়া মানবি দেখলে কি জান্নাত এর মতো পিছু নিবে???কমেন্টে বলো😉
[ গল্প কেমন হচ্ছে জানাবেন ]
?? 😧😧😧😧
আপনারা চাইলে, 
আমার Instagram এ কানেক্টে থাকতে পারেন।Instagram id(jannatul_mawa_moho)
*বানান ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টি তে দেখবেন 😍😍😍
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!