রাত যখন গভীর Season:02 Part :47

 #রাত যখন গভীর 
#জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া 
#(jannatul mawa moho)
Season:02
Part :47
************

রাত যখন গভীর Season:02 Part :47

রাত যখন গভীর Season:02 Part :47 



শাম্মি এখন বসে আছে শাশুড়ির রুমে। অবশ্য, সাথে রিনি,সুমি,জান্নাত ও থাকবে।হাবিবের মা কে সাহায্য করতে। শাম্মি অপেক্ষা করছে তাদের জন্য। কিন্তু, 
হঠাৎ করে,কে জানি রুমে প্রবেশ করে। শাম্মি বলেঃ কে? 
রুম জোড়ে নিরবতা রয়েছে। আবার, কিছু একটা শব্দ শুনতে পেল শাম্মি। কিছু টা ভীতি কাজ করছে। তবুও, 
শাম্মি আবার বলেঃ কে ওখানে?
এটা বলার সাথে সাথে শাম্মির সামনে হাবিব এসে হাজির হয়ে যাই। শাম্মি তো একদম হা হয়ে গেছে। অবশ্য, 
শাম্মি কল্পনা ও করেনি। হাবিব যে এই রুমে আসবে।কিন্তু সত্য তো সত্য।  হাবিব যে এসেছে রুমে। হাবিব তাড়াতাড়ি শাম্মির মুখের উপর হাত দিয়ে চেপে ধরে। যাতে কোন শব্দ করতে না পারে।
হাবিব ফিস ফিস করে বলেঃ একদম কথা বলবে না।চুপচাপ থাকো।যা বলছি তা করো।বিছানা তে বসো।হাত দুটি দেখাও!
একি মেহেদী নাই কেনো?
আচ্ছা ওয়েট।
মার আলমিরার ভেতরে সবসময় মেহেদী থাকে।আমি নি।
হাবিব মেহেদী নিয়ে খুব সুন্দর করে শাম্মির হাতে আল্পনা করে দেয়। হাবিব বলেঃ আমি চলে যাচ্ছি।কেউ দেখলে চিল্লাপাল্লা করবে।দেখা হবে বিয়ের আসরে।এই বলে চলে যাচ্ছে, কিন্তু আবার ফিরে এসে শাম্মির কপালে একটা চুমু দেয়। শাম্মি কিছু টা শকট হয়ে, 
শাম্মি বলেঃ আ....আচ্ছা।।। 
হাবিব চলে গেল। হাবিব যাওয়ার একটু পর,আস্তে আস্তে শাম্মির মেহেদী গুলো ও শুকিয়ে যায়। শাম্মি মেহেদী গুলো খুব যত্ন করে হাতের থেকে তোলে নেই। কিছু সময়, পর রিনি,সুমি,জান্নাত, হাবিবের মা প্রবেশ করে।অবশ্য,  তারা কেউ বুঝতে পারে নি হাবিব যে রুমে প্রবেশ করে ছিলো।হাবিব যাওয়ার সময় বেচে যাওয়া মেহেদী আবার আলমারি তে রেখে দেয়।
হাবিবের মা বলেঃ মাশাল্লাহ মেহেদীর রঙ ধরেছে অনেক সুন্দর করে। 
মা,লেহেঙ্গা টা পড়ে নাও।আজ আমার ছেলের বউ কে আমি সাজাবো। হুহ।
শাম্মির বিয়ের লেহেঙ্গা তে প্রিন্ট এর কাজ করা।লাল রঙের ছিলো।শাম্মি লেহেঙ্গা পড়ে আসে। 
জান্নাত বলেঃ ওয়াও অসাধারণ লাগছে।
হাবিবের মা শাম্মির চুল গুলো বেধে দেয়। মুখে হালকা সাজ।কানে ও কপালে হালকা জুয়েলারি। বেশ মানিয়েছে শাম্মির গায়ে।
সুমি বলেঃ শাম্মি এতক্ষণ ধরে, যে প্লেনের কথা বললাম।তাতে কি সঙ্গ দিবে?
ডিল কি ডান?
শাম্মি বলেঃ ডিল ডান।।।
খুব সুন্দর একটা জায়গা তে শাম্মি ও হাবিবের বিয়ের আসরের আয়োজন করা হয়েছে।মেহমান রা সবাই চলে এসেছে। রানী লোভা, রাজা রশীদ, প্রিন্স ইনতিয়াজ সবাই অপেক্ষা করছে শাম্মি কে বউয়ের সাজে সজ্জিত দেখার জন্য। হাবিব ও এসে পড়েছে। হাবিবের পরনে গোল্ডেন রঙের পঞ্জাবি।
হাবিব বলেঃ জান্নাত, তোরা সবাই এসে গেছিস।শাম্মি কই?
জান্নাত বলেঃ টাকা দে আগে?
হাবিব বলেঃ টাকা কেন?
জান্নাত বলেঃআচ্ছা, তো বউ লাগবে না তাহলে? 
হাবিব বলেঃ আমার শাম্মি আমার চাই।
জান্নাত বলেঃ টাকা দে।
হাবিব বলেঃ কত দিতে হবে? 
সুমি বলেঃ ৩০০০০ টাকা দে তারপর বউয়ের ঠিকানা পাবি।হি হি।
রিনি বলেঃ আঙ্কেল টাকা দিবেন।
বউ পাবেন।
হাবিব বেচারা নিরীহ প্রাণীন মতো তাকিয়ে আছে। কারণ, মানিব্যাগে এতো টাকা নেই।
হাবিব বলেঃ কিছু কি কমানো যায় না? 
বেশি হয়ে গেছে মনে হয়।
সুমি বলেঃ জি না একদম বেশি হয়নি।
হাবিব কোন উপায় না পেয়ে পকেট সম্পূর্ণ খালি করে দেয়। রিনি গুণে দেখে, মোট ১৬০০০ টাকা দিয়েছে।
সুমি বলেঃ একদম হবে না।সম্পূর্ণ টাকা দিতে হবে তারপর বউ দিবে যে।
হাবিব এখন নিরুপায় হয়ে গেছে। মুগ্ধ আসে,প্রিন্স আসে।তারা ও টাকা দেয়। এবার জান্নাত হিসেব করে দেখে ৩০০০০ টাকা পূর্ণ হলো।
জান্নাত বলেঃ সাগরের পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে তোর বউ।যা এবার। গিয়ে নিয়ে আস।
হাবিব তো ঠিকানা পেয়ে দৌড়ে যাই। শাম্মি কে আনতে। সবাই হাবিবের অবস্থা দেখে হাসছে।
শাম্মি দাঁড়িয়ে আছে। হাবিব এসেছে। বেচারা এখনো হাঁপাচ্ছে। হাবিব বলেঃ এটা কি খুব বেশি দরকার ছিলো?
চলো যায়।
শাম্মি বলেঃ আমার এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে ভালো লাগছে। আন্না আমি যাবো না।আপনি চলে যান।
হাবিব বলেঃ এটা কেমন কথা.? 
সবাই যে অপেক্ষা করছে। চলো।
শাম্মি বলেঃ আহা।
হাবিব বলেঃ জোর করে নিয়ে যাবো কিন্তু।
শাম্মি বলেঃ আমি ও চিৎকার করে দিবো আরকি।তারপর গণপিটানি খাবেন।
হাবিব বলেঃ আচ্ছা, অনুষ্ঠান শেষ করে। আবার আসবো আমরা দুজন।একসাথে রাতে সাগর টা উপভোগ করবো।এবার যাবে তো?
শাম্মির প্রস্তাব টা ভালো লাগে। তাই,শাম্মি বলেঃ হুম চলেন।
শাম্মি পিছনে হাত রেখেছে হাবিব।দুজন অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেছে। সবাই দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে।অসাধারণ লাগছে দুজন কে।
দুজন গিয়ে স্টেজের মধ্যে বসে।
রানী লোভা বলেঃ আমার মেয়ে কে তো চিনতেই পারছি না।
সবাই অনেক খুশি। হাবিব ও শাম্মি কে সবাই আশীর্বাদ দিচ্ছে। হঠাৎ করে, শাম্মি একটা তালি দেয়। তালির শব্দ টা খুব বেশী আওয়াজ ছিলো।যারফলে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। 
সাথে সব লাইট বন্ধ হয়ে যাই। দুটো লাইট পড়ে রিনি ও প্রিন্স এর উপর।
চারপাশে, মৃদু স্বরে গান চলছে। শাম্মি বলেঃভাই আজকে তোমার মনের কথা সবার সামনে বলো।আমি রিনি কে আমার ভাবি বানাতে চাই।এটা আমার বিয়ের উপহার হিসেবে পেতে চাই।
রিনি অবাক হয়ে আছে। কি হচ্ছে?
প্রিন্সের পাশে, রানী লোভা এসেছে। রানী লোভা প্রিন্সের হাতে একটা আঙটি দেয়। প্রিন্স এই আঙটি ভালো ভাবে চিনতে পারে। এটা তাদের পারিবারিক আঙটি।
রানী লোভা বলেঃ রিনি কে আমার পুত্র বধু হিসেবে পেতে চাই।
প্রিন্স হাটু গেরে বসে। সবাই দেখছে।রিনি কে বলেঃ রিনি,সারাজীবন এর জন্য তোমাকে চাই।এক সাথে সূর্য উদয় ও সূর্যাস্ত দেখতে চাই। প্রতিদিন তোমার মুখ দেখে দিন শুরু করতে চাই। 
হবে কি আমার সারাজীবনের সঙ্গী?
রিনি সাথে সাথে নিজের হাত বাড়িয়ে দেয়। প্রিন্স রিনির হাতে আঙটি পড়িয়ে দেই। সবাই হাততালি দেয়। রাবেয়া এবং কামাল ও কিছু বলে নি।তারা ও খুশী হয়েছে।
শাম্মি বলেঃ ধন্যবাদ ভাই। 
আজ সবাই অনেক খুশি। একদিকে শাম্মি ও হাবিব এর বিয়ে অন্য দিকে রিনির শুভ পরিণতি।
অনুষ্ঠান শেষ হতেই সবাই চলে গেল। হাবিব ও শাম্মি পৌঁছে যায় তাদের গন্তব্য তে।শাম্মি বসে আছে হাবিবের রুমে। রাত গভীর সবাই ঘুমের রাজ্যে পাড়ি জমিয়েছে। তবে জেগে আছে শাম্মি ও হাবিব। শাম্মি গল্প করছে।শাম্মির মনে জমে থাকা কথা বলছে হাবিব কে।আর হাবিব মন দিয়ে শুনছে। 
কথার মাঝ খানে,
হাবিব বলেঃ শাম্মি যাবে তো?
রেডি!
শাম্মি বলেঃ কোথায়?
হাবিব বলেঃ সাগরে। তোমাকে কথা দিছিলাম তো।
শাম্মি বলেঃসত্যি।
হাবিব বলেঃ জি বউ।চলেন।
শাম্মি বলেঃ আমি অনেক খুশি।
হাবিব বলেঃ জানি।একটু দাড়াও।আসছি।
দুজন বসে আছে সাগরের পাড়ে। রাতের আকাশে জলজল করছে অনেক তাঁরা।হাবিবের কাঁধে মাথা দিয়ে আছে শাম্মি।
শাম্মি বলেঃ অসম্ভব ভালো লাগছে।
হাবিব বলেঃ আমার ও।
শাম্মি বলেঃ খিদা লাগলো। কি খাবো?
হাবিব বলেঃ তোমার জন্য চকলেট।
শাম্মি বলেঃ ওয়াও।
একটু পর পর,ধমকা হাওয়া এসে ছুয়ে যাচ্ছে তাদের। শাম্মি ঘুমিয়ে পড়লো হাবিবের কাঁধে মাথা রেখে।হাবিব ঘুমন্ত শাম্মি কে নিয়ে বাসায় ফিরে আসে। শাম্মি ঘুমাচ্ছে আর শাম্মি কে জড়িয়ে ধরে ঘুমাচ্ছে হাবিব।
এ যেনো এক প্রশান্তির মূহুর্তের মাঝে একটা।
খুব সকালে শাম্মি উঠে গোসল করে বেরিয়ে পড়ে শাশুড়ীর রুমের উদ্দেশ্যে।শাম্মি দেখে, শাশুড়ী রুমে নেই। রান্না ঘরে গিয়ে দেখে, শাশুড়ী রান্না করছে।
শাম্মি বলেঃ মা আমার কাজ কেনো আপনি করছেন?
হাবিবের মা বলেঃ আমার নতুন বউমা কেনো কাজ করবে।এখন তো তোমাদের একলা সময় কাটানোর সেরা সময়।
শাম্মি বলেঃ না মা।তুমি সবার আগে। একলা সময় কাটানোর জন্য সারাজীবন পড়ে আছে। সরেন আমি নাস্তা বানিয়ে দেয়।
শাম্মি শাশুড়ীকে কাজ করতে দেয় নি। শাম্মি সবার জন্য নাস্তা বানিয়ে দেয়। শাম্মির মা,বাবা,প্রিন্স এসেছে শাম্মি কে দেখতে। শাম্মি অনেক খুশি হয়েছে।
কিন্তু হাবিব এখনো ঘুম।
শাম্মির মা হরেক রকম নাস্তা বানিয়ে এনেছে। শাম্মি তাড়াতাড়ি রুমে চলে গেল। হাবিব কে ডাকতে।
শাম্মি বলেঃ ওঠেন। 
শুনছেন।মা বাবা আসছে।
হাবিব ঘুম।একদম উঠার নাম নেই। 
শাম্মির চুল গুলো এখনো ভেজা।তাই গামছা টা চুলের থেকে ছাড়িয়ে নেই। চুল গুলো খুব জোরে হাবিবের মুখের উপর ফেলে।চুলের মাঝে থাকা পানি হাবিবের মুখের উপর পড়ে। হাবিব হালকা চোখ জোড়া খুলে।
শাম্মির হাতটা ধরে টান দেয়। 
শাম্মি বলেঃ আররেেেেেের.....
কি করছেন?
হাবিব বলেঃ বউকে জড়িয়ে ধরে আছি।
শাম্মি বলেঃ বাসায় মা বাবা আসছে।আপনি ছাড়েন।নিচে আসেন।
হাবিব বলেঃ আহা।আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাবো।আমার ঘুম পাচ্ছে।
শাম্মি বলেঃ এখন উঠেন।
তাছাড়া, এতক্ষণ ধরে তো ঘুমাইলেন।
হাবিব বলেঃ কালজে সাগরে ঘুমিয়ে পড়লে মনে আছে।আমার কোলে তুলে আনতে হলো তোমাকে।
শাম্মি বলেঃ অবশ্যই,আনতে হবে। আমার বর বলে কথা। 
এবার প্লিজ উঠেন।
হাবিব ফ্রেশ হয়ে সবার সাথে নাস্তা করে। বিকালের দিকে রানী লোভা, রাজা মশাই ফিরে আসে। প্রিন্সের নাকি কি কাজ আছে। তাই রাজ্যে পরে ফিরে যাবে বলেছে।
জান্নাত ও মুগ্ধ আজ সুমির বাসায় বেড়াতে যাবে।সামনে রিনি ও প্রিন্সের বিয়ে হবে। তাই প্লেন করতে হবে।তারা চারজন মিলে প্লেন করবে।হাবিব ও শাম্মি কে বলে নি।কারণ, নতুন কাপল কে বিরক্ত করতে চাই নি তারা।তারা চারজন মিলে অনেক পরিকল্পনা করে। জান্নাত ও মুগ্ধ একটা উপহার দিবে বলে ঠিক করে। তারা রিনি ও প্রিন্স কে সারপ্রাইজ হিসেবে হানিমুনে পাঠাবে কুয়াকাটা সি বিচ এ।অবশ্য ইনতিয়াজ চাইলে মূহুর্তে চলে যেতে পারবে।কিন্তু, 
রহমান জিন বলেঃ আমি তাদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করবো।গাড়ির ভিতর থাকতে পারবে।এমন একটা ভ্যান এর মেনেজ করবো।ট্রাভেল করলে ভ্রমণ এর মজা আসে।সব পরিকল্পনা করা হয়ে গেছে। 
চারজন মিলে বেলকনিতে বসে চায়ের কাপে চুমুক বসিয়ে পড়ন্ত বিকেলের দৃশ্য উপভোগ করছে। 
শাম্মির বিয়ে থেকে এসে রিনি।ঐশী কে কল দেয় রিনি।রিনি বলে যা হয়েছে সব।ঐশী অনেক খুশি হয়েছে। ঐশী শুভেচ্ছা জানিয়েছে রিনি কে।কামাল ও রাবেয়া অনেক খুশি। অবশেষে তাদের মেয়ের ও ঘর সংসার হবে।পিচ্চি মেয়ে কখন যে এতো বড় হয়ে গেছে তারা বুঝতে পারে নি।
রিনি দুপুরের খাবার শেষ করে একটু ঘুমিয়ে পড়লো। বিয়ে তে অনেক দখল গেছে। অনেক ক্লান্ত শরীর। তাই বিছানা তে শোয়ে পড়তেই ঘুম এসে পড়েছে।
ঘুম ভেঙ্গে গেলো বিকালে।একটা কফি  বানিয়েছে রিনি।কফি হাতে ছাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
রিনি দাঁড়িয়ে আছে ছাদে।হাতে আছে কফি।কফি খাচ্ছে তবে সাথে সাথে তাকিয়ে আছে । হাতের আংটি টা দিকে।তবে, মিস করছে প্রিন্স কে।
রিনি আনমনে বলেঃ মিস ও প্রিন্স ইনতিয়াজ মাহমুদ ।
সেই মূহুর্তে , প্রিন্স হাজির।রিনি অনেক খুশি তবে খুশি টা বুঝতে দেয় নি প্রিন্স কে।
ইনতিয়াজ বলেঃ কি খুশী হওনি?
রিনি বলেঃ হুম।
ইনতিয়াজ বলেঃ কি হুম?
রিনি বলেঃ কিছু না।
ইনতিয়াজ বলেঃ প্লিজ কি হলো বলো।না হয় বুঝতে পারবো না।লক্ষ্মীটি বল কি হয়েছে???
রিনি বলেঃ আপনার প্রস্তাবে আমি রাজি হয়ে ছি।সবাই উপস্থিত ছিলো তাই।
ইনতিয়াজ বলেঃ ওমা এ কেমন কথা? 
সবাই না থাকলে রাজী হতে না!
রিনি বলেঃহয়তো বা হতাম না।তবে আমার কিছু শর্ত দিতাম সেগুলো মানলে রাজী হতাম।সেই শর্ত দেয়ার সুযোগ তো পাইনি।
আমার কিছু শর্ত আছে।
ইনতিয়াজ বলেঃ আচ্ছা বলো।কি শর্ত?
এখন বলতে পারো।আমি শুনতে চাই।
রিনি বলেঃ শর্ত না মানলে বিয়ে করবো না।আমি বলে রাখলাম কিন্তু।।।
ইনতিয়াজ বলেঃ শুধু শর্ত না তোমার জন্য প্রাণ টা ও হাজীর করে দিবো।বিয়ে তো করতেই হবে।তুমি শুধু আমার। ওকে
রিনি বলেঃ প্রাণ ভমর টা থাক ওইটা লাগবে না।
শর্ত গুলো মানলে হবে।
ইনতিয়াজ বলেঃ কি কি শর্ত বলো।
রিনি বলেঃ আমার শর্ত গুলো হচ্ছে.....
চলবে....
সরি।২ দিন গল্প দিতে পারিনি।একটু ব্যাস্ত ছিলাম।আশা করি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ☺
[গল্প কেমন হচ্ছে কমেন্ট করে বলেন প্লিজ ]
(বানান ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

Tags: রাত যখন গভীর Season:02 Part :47, love story , golpo, sad story , lifestyle , life story
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!