বৈধ সম্পর্ক পর্ব ১৭

বৈধ সম্পর্ক পর্ব ১৭

বৈধ সম্পর্ক পর্ব ১৭

বৈধ সম্পর্ক পর্ব ১৭ 


সায়নীর করা প্রশ্নে কিছুক্ষণ চুপ থেকে আফরান বলে-
বেশি চিন্তা করেছো তুমি ইদানিং তাই শরীর দূর্বল।আর কিছুন।
.
হঠাৎ মুনিরা এসে আফরানের উদ্দেশ্য বলে-
ডির্ভোস পেপারটা দিতে পারেন।যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমি চলে যেতে চাই।
.
আফরান কিছু বলার আগেই সায়নী বলে-
কোথায় যাবে?
-সেটা আমার বিষয়।
ছোট্ট একটা নিঃশ্বাস নিয়ে সায়নী বলে-
আজকের রাতটা ভেবে দেখো।
এপর্যায়ে মুনিরা কড়া গলায় বলে উঠে-
আমি কারো দয়া আর চাইনা।আজ এখুনি ডির্ভোস চাই।
সায়নী কিছু বলার আগে আফরান বলে-
নিজের রুমে যাও।আমি পেপার পাঠিয়ে দিচ্ছি।
.

হনহন করে হেটে মুনিরা নিজের রুমের দিকে এগিয়ে যায়।
এদিকে আফরান,সায়নীর হাত ধরে বলে-
পাগলামি করেনা,আমার শুধু তোমাকেই লাগবে।পেপারটা তোমার কাছেনা?যাও ওর কাছে নিয়ে যাও।
সায়নী সোফা ছেড়ে উঠে এগিয়ে যায় সরাসরি মুনিরার রুমের দিকে।
মুনিরাকে বিছানায় বসে কাঁদতে দেখে তার পাশে বসে বলে-
মনের বিরুদ্ধে গিয়ে এই কাজ করাটা কি খুব দরকার?
মুনিরা শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখ দুটো মুছে বলে-
পেপার এনেছো?
-এতো তাড়া কিসের?
-আপু প্লিজ আর কোনো কথা না বলে পেপারটা দাও আমায়।আমি থাকতে চাইনা এখানে।তোমার সংসার তুমি সামলাও।
-আমি না থাকলে যে তোমাকে বড় দরকার এই সংসারে।আর কাউকে আমি ভরসা করতে পারবোনা মুনিরা।
-মানে?
লম্বা একটা দম ফেলে সায়নী বলে-
আমার ব্রেইন টিউমার হয়েছে।
.
সায়নীর কথা যেনো বিশ্বাস-ই হচ্ছেনা মুনিরার।
ছলছল চোখে সায়নীর দিকে তাকিয়ে বলে-
কি বলছো তুমি এসব!
-যা বলছি সত্যি।
-মজা নিচ্ছো তাইনা তুমি আমার সাথে?
-মৃত্যু পথযাত্রী কখনো মিথ্যে বলেনা মুনিরা।
-আপু!
-আফরানকে এটাই বলতে এসেছিলো মিশিকা।আমাকে রান্নাঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হলেও আড়ালে দাঁড়িয়ে সবটা শুনে নিয়েছি।
.
মুনিরাকে চুপ থাকতে দেখে সায়নী বলে-
আমি খালুর সাথে অন্যায় করেছি,তাকে না জানিয়ে গোপনে বিয়ে করেছি।
ফুফুর বিশ্বাস ভেঙেছি।
পাবেলকে ঠকিয়েছি,ওকে কষ্ট দিয়ে শান্ত হয়নি আবার খালুকে বলতে বলেছি আমাকে বিয়ে করতে সে পারবেনা বলার জন্য।এসব শুনে খালু অসুস্থ হয়ে যায়।আমি তোমার সাথেও অন্যায় করেছি মুনিরা।শুরু থেকে তোমাকে সবটা জানায়নি, তোমারো মন বলতে কিছু আছে তা ভাবিনি।ডির্ভোসের পর তোমার কি হবে তাও ভাবিনি।শুধু নিজেরটাই ভেবে গিয়েছি।যার শাস্তি স্বরুপ আল্লাহ্‌ আমাকে ব্রেইন টিউমার দিয়েছে।এতো গুলো মানুষকে কষ্ট দিয়ে ভালো থাকা যায়না,আসলেই না।
.
সায়নীর পাশে এসে মুনিরা তাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলে-
আপু তোমার কিচ্ছু হবেনা।তুমি অনেক ভালো।তোমার জায়গায় অন্য কেউ হলেও তুমি যা করেছো তাই করতো।
মুনিরাকে ছাড়িয়ে তার চোখের পানি হাত দিয়ে মুছতে মুছতে সায়নী বলে-
তুমি হলে মোটেও করতেনা।আমার একটা কথা রাখো বোন।
-কি?
-ডির্ভোস দিওনা আফরানকে।আমিতো অসুখ ধরা পড়ার আগেই তোমাকে থাকতে বলেছি।আমি সত্যি চেয়েছি তুমি থাকো।কিন্তু এখন আরো বেশি চাই।আমি মরে গেলে তোমার চেয়ে বেশি এদের কেউ ভালো রাখতে পারবেনা।
-আপু এসব বলবেনা।চুপ করো।
-জানো অনেক ইচ্ছা ছিলো,আমার ধুমধাম করে বিয়ে হবে।সবার চোখে আমি আফরানের বউ হবো।কিন্তু স্বপ্নটা পূরণ হলোনা।খালুকে সবটা বলার ইচ্ছে থাকলেও বলবোনা আর।মরার আগে আর কষ্ট দিতে চাইনা।আর যদি বেঁচেও যাই আফরান কে ছাড়তে না পারলেও ওর গোপন বউ হয়েই বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিবো।
-আপু তুমি ঠিক হয়ে যাবে।
-হলেও আমি চাই তুমি থাকো।
ছোট্ট একটা নিঃশ্বাস ফেলে মুনিরা বলে-
উনি আমাকে ভালোবাসেনা আপু।কিসের জোরে থাকবো আমি?
মৃদুু হেসে সায়নী বলে-
বৈধ সম্পর্কের জোরে।
.
.
বারান্দায় দাঁড়িয়ে আকাশের তারা দেখছে আফরান।একদিন হয়তো এই তারার সাথেই কথা বলে সময় কাটাতে হবে।
নাহ কি ভাবছে সে!সায়নীর কিছু হবেনা।এই আর তেমন কি রোগ!ভালো হয়ে যাবে সে।
কিন্তু এসব হওয়ার কি খুব বেশি দরকার ছিলো!তার যে ভয় করছে ভীষণ।
হয়তো এতো গুলো মানুষের সাথে অন্যায় করার কারণে শাস্তি পাচ্ছে সে।কিন্তু নিজের ভালোবাসার প্রতি বিশ্বাস আছে তার।
সায়নীর কিছু হবেনা।
.
.
মুনিরার রুম থেকে সায়নী চলে যেতেই মুনিরা নীরবে কিছুক্ষণ কাঁদতে থাকে।
সায়নীর শরীর খারাপ,মাথা ব্যথা,বুমি,অজ্ঞান হওয়া এসব দেখে ভেবেছিলো সে মা হতে চলেছে।কিন্তু মেয়েটা যে এতো বড় রোগ নিয়ে ছিলো কেউ বুঝতেই পারেনি।
তাদের ছেড়ে সত্যি-ই কি সে চলে যাবে!নাহ সায়নী সুস্থ হয়ে যাবে।তার সব স্বপ্ন পূরণ হবে।
আর সে স্বপ্ন পূরণ করবে মুনিরা।
চোখ দুটো মুছে মুনিরা এগুতে থাকে আফজাল খানের রুমের দিকে।
.
.
তারা দেখতে দেখতে কখন যে তারা গোনা শুরু করে দিয়েছে আফরান নিজেই জানেনা।
-আকাশের তারা গোনার বৃথা চেষ্টা করছো কেনো?
সায়নীর গলার স্বরে তার দিকে তাকিয়ে আফরান বলে-
কাজ হয়েছে?
-কি কাজ?
-ডির্ভোস।
-হবেনা।
-মানে?
-এতো অবাক হওয়ার কি আছে!তোমার দাদা ৩টা বিয়ে করেছিলো আমি জানি।উনি ৩জন বউকেই সমানভাবে ভালোবাসতো।
-হাহাহা!উনিতো প্রথম জনের সাথে প্রেম করে বিয়ে করেনি।
-আমরাও কোথায় প্রেম করলাম!হুট করেই বিয়েটা হয়েছে।
-ভালোবাসতাম তো।
-আবার বাসতে পারবে।
-কি যে বলোনা তুমি!
-শুধু একটা আফসোস থেকে যাবে।খালুকে কিছু জানাতে পারলাম না,তার কাছ থেকে স্বীকৃতি নিতে পারলাম না।
-আচ্ছ কাল সকালেই বাবাকে আমি সব বলবো।
-না,এখন তো একদমই না।
-বাবার শরীর খারাপ বলে?
মৃদু হেসে আফরানের কাছে গিয়ে সায়নী বলে-
বুকে নিবে আমাকে একটু?
-কেনো নিবোনা!
সায়নীকে জড়িয়ে ধরার সাথে সাথে সে বলে-
এত শান্তি কেনো তোমার বুকে আফরান?
-হেহে।
-আফরান আমি বাঁচতে চাই।
সায়নীর মুখে এই কথাটি শুনে থমকে যায় আফরান।
সায়নী আবার বলতে শুরু করে-
হুম আমি সবটা জানি।আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।
আজ যদি এতোগুলো মানুষকে কষ্ট না দিতাম তাহলে আমায় এই শাস্তিটা পেতে হতোনা।তোমার কাছে একটাই চাওয়া,আমি যদি মরে যাই মুনিরাকে মেনে নিও।
আর যদি বেঁচে থাকি তবুও ওকে যেতে দিওনা।আমি জানি তুমি আমাকে ভালোবাসো।আমার জায়গা তুমি কাউকে দিতে পারবেনা।কিন্তু নতুন করে জায়গাতো বানাতে পারবে।হুম পারবে,বৈধ সম্পর্কের জোরে তুমি পারবে।
.
সায়নীকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলে আফরান-
কিচ্ছু হবেনা তোমার কিচ্ছুনা।মিশিকা বলেছে....
-কিছু বলোনা এখন।জড়িয়ে ধরে রাখো আমায়।
.
.
আফরানের দরজার পাশে এসে মুনিরা বলে-
তোমরা কি আছো?
সায়নী নিজেকে আফরানের কাছ থেকে সরিয়ে বলে-
দাঁড়াও আসছি।
সায়নী আর আফরান বারান্দা থেকে বের হতেই মুনিরা বলে উঠে-
বাবা তোমাদের ডাকছেন।
.
তারা মুনিরার সাথে আফজাল খানের রুমে যায়।তিনি বিছানায় বসে ছিলেন।মুনিরাদের দেখে তিনি বলেন-
সবাই এসে আমার পাশে বসো।
তারা সবাই আফজাল খানের পাশে বসতেই তিনি সায়নীর উদ্দেশ্যে বলেন-
আমি কি খুব খারাপ?
খালুর প্রশ্নে চমকে গিয়ে সায়নী উত্তর দেয়-
মোটেও না খালু।এসব কেনো বলছো?
-নিশ্চয় খারাপ।নাহলে তুই যে অনেক আগে থেকেই আফরানকে ভালোবাসিস আমাকে বলিস নি কেনো?
.
এবার বড়সড় একটা ধাক্কা খায় সায়নী আর আফরান।দুজনি চোখ বড় বড় করে তাকায় আফজাল খানের দিকে।
তাদের চুপ থাকতে দেখে তিনি সায়নীর দিকে তাকিয়ে বলেন-
মুনিরা আমাকে সবটা বলেছে।ভূল মানুষ করে তাই বলে মনে এতো বড় পাথর রেখে দিবি তুই?
-খালু....
-তোর কিছু হবেনা মা।তুই যে মুনিরাকে মেনে নিয়ে ওর অধিকার থেকে ওকে বঞ্চিত করতে চাসনি সেটার জোরেই তোর কিছু হবেনা।সুস্থ হয়ে যাবি তুই।
-খালু তুমি আমাকে মেনে নিয়েছো?
-সেটা আগে বললে মানতাম।কিন্তু মুনিরার সাথে আফরানের বিয়েটা হয়ে যাওয়ার পর আমি অবশ্যই মানতাম না।এখন যেহেতু মুনিরা তোকে মেনে নিয়েছে,
তুইও তাকে মেনে নিয়েছিস আমার কি বলার থাকে বল!
-খালু আমার ভূল হয়ে গিয়েছে।
-একটা ভূল তুই সংশোধন করেছিস,কিন্তু আরেকটা যে বাকি আছে।
-কি?
-আমি তোর আর আফরানের আবার বিয়ে দিবো।সবার চোখে তুইও আফরানের বউ হবি।তোকে গোপন বউ হয়ে থাকতে হবেনা।আমাদের ধর্মে সামর্থ্য থাকলে ২টা বউ রাখা যায়।
-খালু!
আফজাল সাহেব খেয়াল করেন তার ছেলের চোখে পানি।তিনি তার দিকে তাকিয়ে বলেন-
এই যে গাঁধা যা হবার হয়েছে,চোখ মুছ দেখি এখন।
-বাবা তোমার কিছু হয়ে যাবে বলে আমি বলতে পারিনি এতোদিন।
-ভূল করেছিস।সেই ভূলটা শুধরে দিয়েছে মুনিরা।
-হুম।
-এখন এসব বাদ।
সায়নীর চিকিৎসা কোথায় করবি ঠিক করেছিস?
-সিঙ্গাপুর।ওখানে আমার বন্ধু দুলাল তার বউ নিয়ে থাকে।
ওর বাসায় উঠবো ভাবছি।
-ঠিক আছে।যাওয়ার ব্যবস্থা হতে হতে এখানেও চিকিৎসা চালিয়ে রাখিস।তোরা ফিরে আসার পরে আমি তোদের আবার বিয়ে দিবো।সায়নী আর তোর গোপন বউ থাকবেনা।
.
মুনিরার পাশে গিয়ে সায়নী তাকে জড়িয়ে ধরে বলে-
এতোদিন খালুকে কিছু বলতে পারিনি,আর হয়তো বলতে পারতাম না।তার স্বীকৃতি ছাড়া
মরেও শান্তি পেতাম না।
-আরেকবার মরার কথা বললে আমি কিন্তু চলে যাবো বলে দিলাম।
.
মুনিরার কথাটি শুনে সায়নীসহ সকলে উচ্চশব্দে হেসে উঠে।
.
.
.
সিঙ্গাপুর যাওয়ার দিন....
-আপু সব নিয়েছো?
-হুম নিয়েছি মুনিরা,সব নিয়েছি।
-শুনো আপু একদম ভাববেনা চিকিৎসা করতে গিয়েছো।
-কি ভাববো?
-হানিমুনে গিয়েছো।
-ওরে দুষ্টু.....
-নিজের যত্ন নিবা কেমন।
-তুমিও।বাবার খেয়ালও রেখো।
-হুম।
-মুনিরা আমি মরতে চাইনা।তোমাদের সাথে বাকি জীবনটা পার করতে চাই।
-তাই হবে আপু।
-তুমি আমার কথায় এই সংসার ছেড়ে যাওনি।
আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি আফরানের মনে তোমার জন্য আলাদা একটা জায়গা বানাতে আমি সাহায্য করবো।আর যদি আমার কিছু হয়ে যায়....
-কিছু হবেনা তোমার।
.
.
লাগেজ নিয়ে রুম থেকে বের হয়ে ড্রয়িংরুমে যেতেই সায়নী দেখতে পায় তার ফুফু,পাবেল আর মিশিকাকে।
ফুফুর কাছে গিয়ে সালাম করে সায়নী মাফ চাইতেই তিনি বলেন-
সুস্থ হয়ে ফিরে আয় মা।মনে কোনো ক্ষোভ নেই তোকে নিয়ে।
.
পাবেলের দিকে এগিয়ে যেতেই পাবেল হেসে বলে-
মিশিকার মতো কেউ একজন কে আমার লাইফে এনে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
সায়নী মৃদুু হেসে পাবেল আর মিশিকার উদ্দেশ্যে বলে-
আমি খুব খুশি হয়েছি তোদের জন্য।ভালো থাক এভাবে।
.
আফজাল খান এখন অনেকটায় সুস্থ।
সোফায় বসে নীরবে চোখের পানি ফেলছেন তিনি।সায়নী তার পাশে বসে বলে-
আমি সুস্থ হয়েই ফিরে আসবো বাবা।
তিনি সায়নীর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেন-
তাই যেনো হয়।
আফরান নিজের রুম থেকে এসে বলে-
হলো তোমাদের?আমাদের ফ্লাইট এর টাইম হয়ে গিয়েছে।
সায়নী তার দিকে এগিয়ে আসতে আসতে বলে-
হুম হুম হয়েছে,চলো।
আফরান সবাইকে বিদায় দিয়ে লাগেজ হাতে নিয়ে সায়নীর সাথে পা বাড়ায় দরজার দিকে।হঠাৎ পেছনে ফিরে মুনিরার দিকে তাকিয়ে বলে উঠে-
বাবা আর নিজের খেয়াল রেখো।পৌঁছে দুলাল থেকে ফোন দিবো তোমাকে।
যখন খুশি তার নাম্বারে ফোন দিও।
.
আফরান তাকে ফোন দিতে বলেছে!এটা কি সেই আফরান যে কিনা তাকে প্রয়োজনেও ফোন দিতে নিষেধ করেছিলো?
মুনিরাকে চুপ থাকতে দেখে সায়নী বলে উঠে-
ওই কিছু বলো?
মুচকি হেসে মুনিরা বলে-
ঠিক আছে।
.
সায়নীকে নিয়ে বের হয়ে যায় আফরান।
মনে তার একটায় আশা,তার ভালোবাসা সায়নীর যেনো কিছু না হয়।
.
সায়নীর এখন আর কোনো চিন্তা নেই।সবই পেয়েছে সে।এখন শুধু সুস্থ হয়ে ফিরে আসার অপেক্ষা।যদিও সে আফরানের ভাগ কাউকে দিবে কখনো ভাবেনি।কিন্তু মুনিরাকে দিতে তার কোনো সমস্যা নেই।আর সে জানে আফরানও মুনিরাকে একদিন ভালোবাসতে পারবে।
.
মুনিরার বিশ্বাস সায়নী ঠিক সুস্থ হয়ে ফিরে আসবে।কিন্তু সে জানেনা সে কখনো আফরানের ভালোবাসা পাবে কিনা।তবে সায়নী বলেছে বৈধ সম্পর্কের জোরে একদিন আফরান তাকেও ভালোবাসবে।আর এই বৈধ সম্পর্কের জোরেই তারা সুখে শান্তিতে সংসার করবে।
.
.
বি:দ্র: ওরা যখন একসাথে থাকতে চাইছে কি আর করার!

দোয়া করবেন সায়নী যেনো সুস্থ হয়ে ফিরে আসতে পারে।

আপাদত..এখানেই

সমাপ্ত......। 

পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!