রাত যখন গভীর Season:02 Part :21

#রাত যখন গভীর 
#জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া 
(jannatul mawa moho)
Season:02
Part :21
************
রাত যখন গভীর Season:02 Part :21
 রাত যখন গভীর Season:02 Part :21


প্রিন্স কথা শেষ করতেই রিনি বলেঃ তাহলে, ফিরে যাওয়া যাক আপাতত আপনার নীড়ে।
এই বলে, রিনি, প্রিন্স( ইনতিয়াজ)  কে জড়িয়ে ধরে। প্রিন্স এর মনে একটা স্বস্তি আসে। প্রিন্স একটা মুচকি হাসি দেয়। 
একটু পর প্রিন্স বলেঃ রিনি চলে এসেছি।কালকে ভোরে আমরা চলে যাবো।ধন্যবাদ আমার অনুরোধ রাখার জন্য। 
রিনি বলেঃ স্বাগতম।আপনার কথা কি  শেষ? 
শেষ হলে আমি ঘুমাতে যাই! 
প্রিন্স বলেঃ অনেক কথা আছে জমে,মনের কুটিরে, একদিন না হয় দুজনে পাশে বসে শুরু করবো।একদিন না হয় আবার দুজনে খোলা আকাশ দেখবো!!!
হাহা জানি, এই ইচ্ছে টা নিছক আমার স্বপ্ন। এই স্বপ্ন রাতে ঘুমে দেখার মতো স্বপ্ন। কারণ, সকাল হতেই, এর রেশ কেটে যাবে।
রিনি বলেঃআপনি আসলে একটা পাগল! 
প্রিন্স বলেঃ হা আমি পাগল। যখন আমার কাছে থাকবে না।তখন দেখবে এই পাগলের কথা গুলো মনে পড়বে তোমার।এখন আমার সাথে আছো তাই অনুভব করতে পারছো না।একদিন ঠিকই অনুভব করতে পারবে।
রিনি বলেঃ হয়তো বা।তো এখন কি আমি যেতে পারি?একটা পারফেক্ট ঘুম চাই আমার।তাছাড়া, 
আমি অনেক খুশি। কারণ কাল আমার বাসায় ফিরে যেতে পারবো।হুহ্। 
প্রিন্স বলেঃ শেষ একটা কথা রিনি।
রিনি,আমি চাই তুমি সব সময় সুখে থাকো।কষ্ট যেন তোমাকে স্পর্শ না করে। আমি জানি, না পাওয়ার কি বেদনা।অনুভব ও করতে পারি,একাকিত্বের যন্ত্রণা। আমি জানি অশ্রু ভেজা নয়নে কিভাবে হাসতে হয়।আমি কষ্ট কে আপন করে নিয়ছি।তুমি পারবেনা সহ্য করতে আমার মতন করে। তাই তুমি সুখে থেকো।তোমার কষ্ট গুলো আমাকে দিয়ে। 
সব সময় খুশি থাকবে রিনি। শেষ বার বলছি, ভালবাসি অনেক। রিনি রিনিনি নি iii love youuu কিছু টা চিৎকার করে। 
রিনি বলেঃ ধন্যবাদ, ভালবাসার জন্য। শুভ রাত্রি। 
রিনি ঘুমাতে চলে গেল। প্রিন্স এর আজকের আরেকটা রাত কাটবে নির্ঘুম।প্রিন্স বসে আছে বারান্দায়।
বারান্দায় বসে বসে, 
মনে করছে কাটানো সময় গুলো। তখন,
প্রিন্স বলেঃ কাল থেকে দুজন দু প্রান্তে থাকবো হয়তো। তোমার জন্য এই অবুঝ হৃদয়ে হাহাকার থাকবে আজীবন রিনি।তবু মনে হয় মিটবে না এই জনমে, কাছাকাছি এসে খুব ভালোবেসে দুজন দুজনকে একটুখানি আলতো করে ছুয়ে দেবার স্বাদ।
প্রিন্স এর দুচোখ দিয়ে অশ্রুতে টলটল করে ঝরছে জল। এ কান্না যেন বিচ্ছেদ এর।প্রিন্স রিনির রুমে প্রবেশ করে। রিনি ঘুমাচ্ছে। প্রিন্স সোফায় বসে যাই। আর রিনির ঘুমন্ত মুখ টা দেখছে।কারণ আজই শেষ দেখা ভোরের আলো ফুটবার সাথে সাথে ফিরে যাবে রিনি নিজ নিড়ে।রিনির দিকে এক নজরে পলক না ফেলে তাকিয়ে আছে।তখনই, 
প্রিন্স বলেঃ আঘাত করো, আঘাত করো আমাকে। এমন হৃদয় আর পাবে না।ভালোবাসা মৃত্যুর মতো ছড়িয়ে বীজ, আমাকে ছেড়ে সে যাবে না।
প্রিন্স এর প্রতিটি হাহাকার এর সঙ্গী হচ্ছে এই নিস্তব্ধ রাত।
প্রিন্স আবার  বলেঃ ভালোবেসে এই মন,তোমাকে চাই সারাক্ষণ। আছো তুমি মনের মাঝে, পাশে থাকবে না জানি সকাল সাঝেঁ!!
বলো রিনি কি করে ভুলবে এই মন, তুমি যে আমার জীবন। তোমাকে অনেক ভালোবাসি রিনি। অনেক। একবার সাড়া দিয়ে দেখতে। কতটা আগলে রাখতাম তোমাকে।
প্রিন্স সারারাত তাকিয়ে ছিল রিনির দিকে।শেষ প্রহরে ঘুমিয়ে পড়লো নিজের অজান্তেই। 
ভোরের প্রথম আলো তে রিনির ঘুম ভেঙ্গে গেলো। রিনি রুমে দেখে প্রিন্স সোফায় ঘুমিয়ে আছে। রিনি প্রিন্স এর কাছে চলে গেল। রিনি দেখে প্রিন্স এর চোখ ফোলা হয়ে আছে। 
রিনি বুঝতে পারছে,প্রিন্স কান্না করছে। রিনি আসলে, সিদ্ধান্ত হীনতার মধ্যে আছে। রিনি আসলে, জানে না তার মন কি প্রিন্স কে চাই নাকি চাইনা।তবে কেমন জানি একটা ভালো লাগা কাজ করে। ভালো লাগাকে ভালোবাসা বলা,নিচক একটা বোকামি ছাড়া কিছু না।
রিনি প্রিন্স কে একটা চাদর দিয়ে  জড়িয়ে দেয়। তারপর
রিনি নামাজ পড়ে বেলকনিতে দাঁড়িয়ে আছে।ভোরের আলো তে প্রকৃতি কে অপুর্ব লাগছে।তাছাড়া থেমে থেমে একটা ঠান্ডা স্রোত অতিবাহিত হচ্ছে। বেশ লাগছে রিনি।আজ মনটা ফুরফুরে লাগছে রিনির।আসলে,  সকালে ঘুম থেকে উঠলে এই দৃশ্য চোখে পড়ে। এমন পরিবেশে যে কেউর মন ফুরফুরে লাগবে। 
 প্রিন্স এর ঘুম ভেঙ্গে গেলো। ঘুম থেকে উঠে দেখে রিনি বিছানাতে নেই।ভোরের আলো ফুটে উঠেছে। 
প্রিন্স তাড়াতাড়ি দুমগ কফি নিয়ে রিনিকে সারা ঘর হন্য হয়ে খুঁজেছে।
অবশেষে, বেলকনিতে এসে দেখে, রিনি দাঁড়িয়ে আছে। 
প্রিন্স বলেঃ রিনি, তুমি এখানে?তোমাকে সারা ঘর খুঁজতে ছিলাম। এবার,
নাও কফিটা শেষ করো।আমদের বের হতে হবে।
দুজনে তাড়াতাড়ি কফি শেষ করে নেই।প্রিন্স কিছু বলার জন্য মুখ খোলার আগেই রিনি শক্ত করে জড়িয়ে ধরে। কারণ রিনি জানে এই একমাত্র  পদ্ধতি প্রিন্স এর সাথে কোথাও মহূর্তে যাওয়ার।
প্রিন্স মনে মনে বলছে,ছেড়ে তো যাবেই,
কিন্তু 
মায়া বাড়িয়ে দিচ্চো কেন!
তোমার ভালবাসাতে জ্বলছি।এবার এই মায়ার দাহনে ও কি জ্বালাবে?????
প্রিন্স ও রিনি দুজনে চোখ বন্ধ করে। মুহূর্তের মধ্যে রিনির বাসায় প্রবেশ করে। কিন্তু বাসায় কেউ ছিল না।তাই আবার রিনি শক্ত করে জড়িয়ে ধরে প্রিন্স কে।
আবার যাত্রা শুরু করে,অর্কের বাসার উদ্দেশ্যে।।।।।
💮
💮
আর চিন্তা করছে কি করবে?
সুমিকে বাঁচাতে স্পর্শ করবে নাকি যেমন আছে তেমনই রেখে দিবে?
ছেড়ে দিবে ভাগ্যের হাতে!!! 
রহমান( শয়তান প্রিন্স জিন)  অনেক চিন্তা করে। অবশেষে সিদ্ধান্ত নিল।মেয়ে টাকে বাঁচাবে।এই ভাবে চোখের সামনে কাউকে মরতে দেয়া যায় না।
রহমান চাদরের প্রবেশ করে।দুই মানবি একি চাদরের আচ্ছাদিত হয়ে আছে। 
 সুমি এখনো কেঁপে চলছে। হাত, পা ঠান্ডা হয়ে আছে। রহমান সুমির গলাতে স্পর্শ করছে। সুমি রহমানের স্পর্শ পেয়ে কেচুর মতো নড়াচড়া করছে।
আবার কোমরে স্পর্শ করছে, দুজনের ঠোঁট জোড়া এক করে দেয় রহমান। বেশ কিছুক্ষণ পর সুমি রেসপন্স করে।সুমির হাত,পা স্বাভাবিক তাপমাত্রা তে ফিরে আসছে।শরীর এর ফ্যাকাশে ভাব টা চলে গেল। 
সাথে সাথে রহমান উঠে পড়ে বিছানা থেকে ।সুমিকে চাদর দিয়ে ভালো ভাবে জড়িয়ে দেয়। যাতে গরম উষ্ণতা থাকে।রহমান অবশ্য চাইলে আরও অনেক কিছু করতে পারতো কিন্তু সে চাইনা তার অস্তিত্বে রিনি ছাড়া অন্য কেউ তার অস্তিত্ব জানান দিক।রহমান চাই তার মাঝে শুধু যেন রিনির বসবাস হোক।
তারপর  রহমান ফ্লোরে একটা চাদর নিয়ে ঘুমিয়ে পড়লো।ঘুমিয়ে বললে ভুল হবে। শুয়ে পড়েছে। তাছাড়া  প্রিন্স রহমান জানে সুমি এখন  আশঙ্কা মুক্ত। 
রহমান রিনির চিন্তায় বিভোর হয়ে আছে। রহমান বলেঃ রিনি,
"দেখো আজ মেঘ করছে খেলা।
 দেখো আজ মেঘের খেলা,
শূন্য সাগরে এসে থেমেছে ঢেউ, 
আছি একা, 
পাশে নেই তুমি।।। 
(কবিতা লেখক ঃ বিজয়)
রহমান আবার  বলেঃ রিনি আজকে একটা কথা মনে পড়ছে কেউ একজন বলেছিল আমাকে। 
 Piyaar 
Bhi unhi logo,
Se hota hai.
Jinko paane ke koi,
Chance, 
Hi nahi hota...
রিনি আমি কি হারিয়ে ফেললাম তোমাকে?
আমি তো চাইনি অন্য কাউকে। তাহলে নিয়তি কেন।,অন্য একজন এর সাথে আমার বিয়ে করালো!!!আমি তো তোমাকে আগলে রেখে ছিলাম। শেষ মূহুর্তে এসে সব মাটি হয়ে গেছে।। 
রহমান চোখ জোড়া বন্ধ করে আছে। ভাবছে, রিনির সাথে কাটানো মূহুর্ত গুলো। ভাবতে ভাবতে রাজ্যের ঘুম চলে আসে। 
সুমি সকালে উঠে পড়ে। তার সাড়া শরীর দুর্বল লাগছে।আজ দুদিন ধরে যে পেটে কিছু পড়েনি।
সুমি হঠাৎ লক্ষ্য করে তার লেহেঙ্গা নেই।পরনে আছে অন্য কাপড়। তাড়াতাড়ি পাশ ফিরে দেখে নিচে রহমান ঘুমাচ্ছে। 
সুমি বলেঃ হে আল্লাহ কেন এমন করলে? যাকে চেয়েছি তাকে পেলাম না! সে ধোকা দিয়েছে। 
আর এখন যাকে পেলাম সে আমাকে সহ্য করতে পারে না। 
সুমির মাথা টা চক্কর দিচ্ছে। তাই ওয়াশরুমে গেল। মুখ ধোয়ার সময় লক্ষ্য করে সুমির ঠোঁটে কামড়ের দাগ।লাল হয়ে আছে। ফোলে গেছে ঠোঁট জোড়া। গলাতে ও একটা আলতো কামড়ের দাগ।সুমি যা বুঝার বুঝে গেছে। 
সুমির ধারণা রহমান সুমির উপর বর হওয়ার অধিকার ফলিয়েছে।সুমির মাথা রাগে টকটক করছে। তাই, 
সুমি ধড়পড় করে ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসে। সোজা রহমানের কাছে চলে যায়। তারপর রহমানের বুকের ওপর বসে যাই। 
রহমানের কলার ধরে বলেঃ বজ্জাত, লোচ্চা ব্যাটা।
তুই না রিনি কে ভালোবাসিস।
তাহলে আমাকে স্পর্শ করছিস কোন সাহসে?
কি কি করচস বলচস?মানুষ হোক বা জিন পুরুষ  তো সব এক।
রহমান সুমির এমন আচরণ দেখে হা হয়ে গেছে। হঠাৎ ঘুম থেকে যদি কেউ  এইভাবে জাগিয়ে তোলে তাহলে হা হয়ে যাওয়ার ই তো কথা। 
রহমান খুব শান্ত হয়ে বলেঃ শুনো।তুমি আমার বউ!সব নিয়ম কানুন মেনে বিয়ে হয়েছে। সো তোমান উপর এবং তোমার শরীরের উপর আমার অধিকার আছে। তুমি কি শুনতে চাচ্ছো কোথায় কোথায় স্পর্শ করছি?
কি কি করছি.?
বলবো?
সুমি বলেঃ কি করচস? 
রহমান বলেঃ সব করছি।যা একজন বর,বউ করে।নাকি বিস্তারিত শুনতে চাচ্ছো?
আর এতো বড় মেয়ে আমার বুকের ওপর বসে আছো কেন নামো!!!
সুমি রাগে সারা শরীরে আগুন জ্বলছে। তাই,
সুমি ধড়পড় করে আবার ওয়াশরুমের মধ্যে ঢুকে যায়। চোখে ভর্তি অশ্রু ছিল।  
রহমান আবার পাশ ফিরে শুয়ে আছে। আর বলেঃ এমন কিছু করিনি।আমার মনে এখনো রিনি বসবাস করে। তাছাড়া, কাল বাধ্য হয়ে তোমাকে বাঁচাতে গলায়, কোমরে স্পর্শ করছি।অন্য তাই ছোঁয়ে ও দেখতাম না।
সব টা সত্যি বলতাম সুমি তোমাকে কিন্তু তুমি যে আমাকে তুই কে বললে? 
আর কৈফিয়ত চাইলে!
তাই বলিনি।আমার পছন্দ না।আমি কাউকে  কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নই।
রহমান আবার ঘুমিয়ে পড়লো। 
সুমি ওয়াশরুমে বসে বসে কান্না করছে। 
সুমি বলেঃ বজ্জাত জিন।মেয়ে দেখলে হয়লো।এখন আমার কি হবে!  
ওইদিন তো তুই করে বলছিলি।আজ কেন তুমি তুমি করতেচস?
নিজের স্বার্থ হাছিল করে তুমি বলা হচ্ছে। 
আমার জীবন টা শেষ করে দিলি শালার রহমান জিন।মা মা মা....... আমার এখন কি হবে, ভে ভে কান্না করছে সুমি।
হঠাৎ করে ...... 
💮
💮
রাতের খাবার শেষ করে সবাই বসে আছে। ড্রয়িং রুমে গোল করে বসেছে সবাই।
সেই ক্ষণে,রাজা মশাই বলেঃ আমি আজকে আমাদের রাজ্যের ওইখানে সবচেয়ে বয়স্ক জিন কে ডাক দিবো।এতদিন ধরে চেষ্টা করছি।কাল তিনি সাড়া দিয়েছে। আজ আবার ডাকলে হাজির হবে।
রাজা ( রশিদ) চোখ জোড়া বন্ধ করে এক মনে ডেকে চলছে। বেশ কিছুক্ষণ পর,রুমের সব লাইট অন অফ হচ্ছে। পচন্ড বাতাস বয়ছে, বজ্র পাত হচ্ছে। কিছু সময় পর, সব থেমে যায়। 
একটা লাল অালো রুমে প্রবেশ করে। আস্তে আস্তে জিনটা কে দেখা যাচ্ছে। 
সবাই সালাম দিলো।
রাজা মশাই বলেঃ দাদা জান।
বয়স্ক জিনকে সবাই দাদা বলে ডাকে।তাই রশিদ রাজা ও দাদাজান বলে ডেকেছে। 
রশিদ রাজা আবার বলেঃ আমার ছেলে টা.....
একথা বলতেই বয়স্ক জিন বলেঃ আমি সব জানি তুর বলতে হবে না। 
বয়স্ক জিন চোখ জোড়া বন্ধ করে। তারপর বয়স্ক জিন বলেঃ রিনি, প্রিন্স কে বোতল বন্দী জীবন থেকে বের করে এনেছে। তাছাড়া, দুজন এখন একসাথে আছে। ভোরের আলো ফুটে উঠতেই চলে আসবে।তবে,সবার জন্য একটা দুঃসংবাদ আছে। 
আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, তোমাদের বান্ধবী সুমির বিয়ে হয়ে গেছে। 
সবাই একসাথে বিস্ময় স্বরে বলে উঠেঃ কার সাথে? 
সুমি কি শয়তান জিন এর কাছ থেকে রেহাই পেয়েছে!!!! 
বয়স্ক জিন বলেঃ নাহ,বরং, যে জিন তাকে ভর করেছিল। সে ছেড়ে তো দিয়েছে। কিন্তু? 
অর্ক বলেঃ কিন্তু কি?
বয়স্ক জিন বলেঃ শয়তান রাজ্যের প্রিন্স, রহমানের সাথে সুমির বিয়ে হয়ে গেছে! 
প্রিন্স ইনতিয়াজ এর সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিল রহমান জিন। কিন্তুু এত বছরে ও তোমরা কেউ ধরতে পারো নি। আমি জানতাম কিন্তু বলতে পারিনি।বেশ ইশারা ইঙ্গিত করে দিছিলাম। আফসোস বুঝোনি রশিদ রাজা তুমি ও রানি লোভা।প্রিন্স ও রিনির সাথে যা হয়েছে তার জন্য অনেক টা রহমান জিন দায়ী। 
সবাই চুপ হয়ে আছে। বয়স্ক জিন বলেঃ আমার যেতে হবে। তাহাজ্জুদ এর নামাজের সময় চলে  যাচ্ছে। চিন্তা করো না কালকে ওরা দুজন পৃথিবীতে চলে আসবে।তবে যা করবে ভেবে চিন্তে করবে।আল্লাাহহাফেজ।
বয়স্ক জিন চলে গেল। সবাই মন মরা হয়ে গেছে। 
মুগ্ধ বলেঃ চলেন।সবাই তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে নি।যাতে আল্লাহ পাক সব ঠিক করে দেয়। 
সবাই নামাজ পড়ে নেই। ফজরের আজান শুনতে পেল। সবাই ফজরের নামাজ পড়ে নেই।ভোরের আলো ফুটে উঠেছে। এমন সময়,
সবাই দেখে একটা লাল রশ্মি প্রবেশ করেছে। 
আস্তে আস্তে দেখে সবাই, সেটা রিনি ও প্রিন্স। 
রিনিকে দেখে রাবেয়া দৌড়ে আসে রিনির কাছে। 
রাবেয়া বলেঃ আমার মেয়ে টা।রিনি কেমন আচিস? ওই দিন ওমন করে কই গেছিলি?
তোর চিন্তায় আমি আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাচ্ছি লাম। কামাল এগিয়ে আসে রিনির দিকে। রিনির মা বাবা দুজন রিনিকে জড়িয়ে ধরে। 
কামাল বলেঃ......  
চলবে......
গল্প কেমন হচ্ছে কমেন্ট করে জানাবেন??? 
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!