রাত যখন গভীর Season:02 Part :38

 #রাত যখন গভীর 

#জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া 

#(jannatul mawa moho)

Season:02

Part :38

************
রাত যখন গভীর Season:02 Part :38
রাত যখন গভীর Season:02 Part :38


বেশ কিছুক্ষণ পর,রিনির ঘুম ভেঙ্গে গেলো। রিনি আশেপাশে তাকিয়ে দেখে, মাহমুদ আছে কিনা। রিনি লক্ষ্য করে, আশেপাশে কেউ নেই। রিনি বিছানা থেকে উঠে পড়ে। আস্তে আস্তে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই অন্ধকার অংশে। যেখানে মাহমুদ চাদর দিয়ে রেখেছে ছবি গুলো।
রিনি এখন দাঁড়িয়ে আছে চাদরের সামনে। আজ রিনি দেখবেই কি আছে এই চাদরের আড়ালে।মাহমুদ স্যার কি লুকিয়ে রাখতে চাইছে?
রিনি আস্তে করে বড়ো চাদরটা সরিয়ে দেয়। রিনি সব ছোট চাদর সরিয়ে দেয় তাড়াতাড়ি। অন্ধকারের জন্য কিছু দেখতে পাচ্ছে না রিনি।রিনি রুমের মধ্যে একটা টর্চ খুজতে লাগলো। তখনই একটা মোমবাতি পেয়ে যায় ।সাথে একটা দেশলাই ও। রিনি তাড়াতাড়ি আলোর ব্যবস্হা করে।
আলো জ্বালিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ছবির সামনে। রিনি ছবিটা তে দেখে রিনি নিজে দাঁড়িয়ে আছে হাবিবের কাঁদে হাত দিয়ে। রিনির পরনে কালো টপস।চুল গুলো খোলা। চোখে একটা সাদা চশমা,মুখে একটা মিষ্টি হাসি।
হাবিবের পরনে লাল রঙের শার্ট।চোখে রিনির মতো চশমা। রিনির এই ছবি টার কথা একদম ভালো ভাবে মনে আছে।
১ বছর আগে, রিনির বাবা মা একটা পিকনিক এর আয়োজন করে। সেদিন হাবিব ও বিদেশ থেকে একটা কাজ শেষ করে ফিরে।রিনির থেকে জিজ্ঞেস করে ছিলোঃ মামুনি তোমার জন্য কি আনবো।
রিনি বলেছিলোঃ আঙ্কেল একটা টপস একটা চশমা।আর কিছু চকলেট।
তারপর, হাবিব রিনির জন্য যা রিনি বলেছিল সব আনে।হাবিব বলেঃ রিনি মা যাও পরে আসো।আমরা সেলফি তুলবো।তোমার মতো চশমা আমিও নিয়েছি।
রিনি অনেক খুশি হয়ে ছিলো সেদিন। সেবারে সবাই অনেক খুশি ছিলো।
রিনি বলেঃ এই ছবি মাহমুদ স্যারের রুমে এইভাবে গোপন করে রাখা কেনো?
কই পাইলেন তিনি?
রিনির মাথা কাজ করছে না।রিনির এবার মনে পড়েছে ওইদিন রিনি যে মেয়ে টা কে।মানে বাচ্চা মেয়ের ছবি দেখেছিলো সেটা তারই।
রিনি নিজেই নিজেকে চিনতে পারে নি সেদিন ।
রিনি আরেকটু সামনে গেলো।এবং ওইদিন এর ছবিটা পেয়ে গেল ।রিনি ভালো ভাবে দেখছে। হ্যাঁ এটা রিনিই।এটা তার ছবি।তবে এই এসব ছবি এখানে কেনো?
রিনি আরও সামনে আসে। দেখতে পেল রিনি ঘুমন্ত মুখ এর ছবি।আরও সামনে দেখতে পেল রিনির ভেজা চুলে মিষ্টি হাসি মুখে এমন একটা ছবি।রিনি কিছু বুঝতে পারছে না।রিনির মাথা টা রীতিমতো ঝিমঝিম করছে।
রিনির সব প্রশ্নের উত্তর পাবে মাহমুদ এর কাছ থেকে। রিনি হন্য হয়ে খুজতে লাগলো মাহমুদ কে।কিন্তু সারা ঘর খুঁজে ও পাচ্ছে না। রিনির মাথা ব্যথা শুরু হয়ে গেছে। রিনি হঠাৎ করে বেলকনির দিকে এগিয়ে গেছে।কেন জানি রিনির মনে হলো বেলকনিতে পাওয়া যেতে পারে। ঠিক তাই হলো, রিনি দেখতে পেল, মাহমুদ এর চোখে চশমা নেই।মাহমুদ দোলনাতে আপন মনে ঘুমাচ্ছে। মাহমুদ কে দেখে মনে হচ্ছে, রাজ্যের ঘুম তার চোখে ভর করেছে।
মাহমুদ এর মুখটা বড্ড নিষ্পাপ লাগছে রিনির কাছে ।মাহমুদ এর মুখে রাজ্যের মায়া লুকিয়ে আছে রিনির মনে হচ্ছে। রিনির বুকটা দুপদুপ করছে। কারণ, মাহমুদ কে চশমা ছাড়া একদম অবিকল প্রিন্স এর মতো লাগছে। রিনি একটা জিনিস মনে করছে,মাহমুদ স্যার কখনো চশমা ছাড়া থাকেনি।
কিন্তু কেনো?তাই তো,
মাহমুদ কে রিনি কখনো চশমা ছাড়া দেখে নি।
রিনির মনে হচ্ছে, মাহমুদ তার চশমার আড়ালে প্রিন্স(ইনতিয়াজ) কে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে ।তাই হয়তো চশমা ছাড়া থাকতো না।যদি চশমার সাথে সাথে তার রহস্য খুলে যেতো সে ভয়ে। রিনি কিছু বুঝতে পারছে না।
রিনি বলেঃতাহলে মাহমুদ কি মাহমুদ?
নাকি প্রিন্স?
নাকি এসব আমার মনের ভুল?
যদি সব আমার মনের ভুল হয়,তাহলে আমার ছবি এখানে কি করছে? তাও আবার,
মাহমুদ এর শোয়ার ঘরের মধ্যে?
রিনি আর কিছু চিন্তা করতে পারছে না। রিনি তাড়াতাড়ি এক গ্লাস পানি নিয়ে আসে। পানি গুলো সব মাহমুদ এর মুখে ফেলে দেয়। মাহমুদ ধরপর করে উঠে পড়ে। মাহমুদ তাড়াতাড়ি চশমা টা খুঁজে নেই।সময় নষ্ট না করে চোখে পড়ে পেলে।অতঃপর,
মাহমুদ বলেঃ রিনি,এসব কি অসভ্যতা?
ভুলে যাচ্ছো আমি তোমার স্যার?
একটু প্রশ্রয় কি দিলাম মাথাতে উঠে গেলে?
আজব।
রিনি বলেঃ আপনার কোন প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারবো না।আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দেন।কে আপনি?
কি উদ্দেশ্য আপনার?
মাহমুদ বলেঃ মাথা ঠিক আছে?
নাকি মেয়াদ উত্তীর্ণ কিছু খেয়ে ফেলছো?
আমি কে জানো না?
রিনি বলেঃ আপনি যদি মাহমুদ স্যার হয়ে থাকেন তাহলে আমার এতো গুলো ছবি আপনার শোয়ার ঘরের মধ্যে কি করছে?
আপনি তো বলছেন আপনি আমার স্যার।আপনি যদি আমার স্যার হয়ে থাকেন।তাহলে তো আমার ছবি আমার স্যার এর শোয়ার ঘরের মধ্যে তো দূরের কথা তার ঘরের আনাছে কানাছে জায়গা তে ও আমার ছবি রাখবে না।যদি ছবি রাখে তাহলে আমার পারমিশন চেয়ে তারপর রাখবে।সো মিস্টার বলেন কে আপনি?
মাহমুদ এর মুখে রাগ এর আবাস ফুটে উঠেছে। মাহমুদ রিনির মুখের চোয়াল শক্ত করে ধরে।রিনি ব্যথা পাচ্ছে তাই রিনি পিছনে যাচ্ছে। দূর্ভাগা রিনি,পিছনে যেতে যেতে তার পিট দেয়ালের সাথে লেগে যাই।
মাহমুদ হুংকার দিয়ে বলেঃ তোমাকে না বলছি।ওই দিকে না যায় তে।কোন সাহসে আমার জিনিস ধরলে?
বারবার মানা করছি।বলছিলাম না ওই দিন আমার জিনিস ধরলে তুমি আমার অন্য রুপ দেখবে,কেনো অমান্য করেছো?
রিনির বড্ড ভয় করছে।এই মাহমুদ কে রিনি চিনে না।বড্ড ভয়ংকর রুপ এই মাহমুদ স্যার এর।রিনির বাক শক্তি যেনো হারিয়ে যাচ্ছে।
রিনি অনেক চেষ্টা করছে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে কিন্তু বারবার চেষ্টা বিফল হচ্ছে।
রিনি এবার চিৎকার দিয়ে বলে উঠেঃ কি হয়ছে দেখছি?
দেখে ভালো ই করছি।
আমার অনুমতি ছাড়া আমার ছবি রাখার অধিকার কে দিয়েছে আপনাকে কে হন আপনি আমার?
কে আপনি?
কি উদ্দেশ্য হাসিল করতে আসছেন?
এই বলে রিনি মাহমুদ কে একটা ধাক্কা দেয়। মাহমুদ কিছু টা দূরে গিয়ে পড়ে। কারণ হঠাৎ এমন ধাক্কা দিবে রিনি সেটা মাহমুদ বুঝতে পারে নি। মাহমুদ লক্ষ্য করে,
রিনির মুখে রাগ,অভিমান, কান্না সব মিলে একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
মাহমুদ বলেঃ তোমাকে কেন বলবো?
আমি তোমাকে জবাব দিতে বাধ্য না।আমার জিনিস কেনো ধরলে সেটা বলো?
রিনি বলে উঠেঃ চুপ একদম চুপ।।
রিনি এটা বলে সামনে মাহমুদ এর দিকে এগিয়ে আসতেই, পা টা পিছলে ফ্লোরে পড়ে যায় রিনি। সাথে সাথে হাতে থাকা কাচেঁর গ্লাস টা ভেঙ্গে গেলো। যার ফলে রিনি হাতের থেকে ও প্রচুর রক্ত ঝরে পড়ছে।
মাহমুদ বলেঃ রিনি,সামলে।
রিনি কি হয়েছে দেখি?
রিনি বলেঃ আর এক পা ও এগিয়ে আসবেন না।কেনো কেয়ার করবেন।
আমি বাচি মরি তা দিয়ে আপনার কি?
চোখের সামনে থেকে সরে যান।
মাহমুদ বলেঃ রিনি,এমন করে নিজেকে কষ্ট দিচ্ছো।এদিকে আসো।আমি রক্ত টা বন্ধ করে দি।
রিনি বলেঃ একদম দরকার নেই। যদি সত্যি আমার চিন্তা করেন।তাহলে আমার প্রশ্নের উত্তর দিন।তাহলে আমি আমার হাত আপনাকে ধরতে দিবো রক্ত বন্ধ করার জন্য। অন্যথায়,না বললে।
থাক রক্ত যা আছে সব বের হয়ে যাক।
আস্তে আস্তে আপনার সামনে আমার দেহ নিস্তেজ হয়ে যাবে
শালার জীবন টা তেজপাতা হয়ে গেছে অনেক আগেই।
এখন না হয় দেহ থেকে রক্ত বের হয়ে প্রাণ যাবে।
মাহমুদ কিছু টা আঁতকে উঠল। রিনি স্পষ্ট দেখতে পেল, মাহমুদ এর চোখে এখন রাগ নেই।এখন রিনি দেখতে পাচ্ছে,মাহমুদ যেনো ভয় পাচ্ছে। আর সেটা হলো,
কিছু একটা হারিয়ে ফেলার ভয় মাহমুদ পাচ্ছে ।
মাহমুদ বলেঃ আমি সব বলবো।প্লিজ আগে রক্ত বন্ধ করি,।।।।
রিনি বলেঃ সত্যি?
মাহমুদ বলেঃ আল্লাহর কসম করে বলছি সব বলবো।আল্লাহ এর নামে কসম টা কসম। আর যে গুলো কসম কাটে সবাই সেগুলো মিথ্যা কসম।বিলিভ মি।
রিনি বলেঃ আচ্ছা, আসেন এদিকে।
মাহমুদ এগিয়ে আসে,রিনি কাছে।মাহমুদ রিনির হাতটা ধরে। হাতের মধ্যে বেশ কিছু কাচের টুকরো ফুটে গেছে।
মাহমুদ আস্তে আস্তে সব তোলছে।রিনি ব্যথার জন্য চিৎকার দিচ্ছে। চাকর গুলো ও পিচ্চি ঘুম তাই কেউ শুনতে পাচ্ছে না রিনির চিৎকার।
রিনির হাত থেকে প্রচুর রক্ত ঝরে পড়ছে। রিনির হাতের থেকে প্রায় সব কাঁচের টুকরো নিয়ে ফেলেছে মাহমুদ।
মাহমুদ, রিনির হাতটা শক্ত করে ধরে। নিজের শরীর এর শার্ট টা এক হাতে আস্তে আস্তে খোলে ফেলে।সেই শার্ট দিয়ে, রিনির হাতের রক্ত গুলো মুছে দেয়। আর হাতের মধ্যে শার্টটা শক্ত করে চেপে ধরে। রিনি আহ ব্যথা বলে উঠে।
মাহমুদ, তাড়াতাড়ি করে রিনির জন্য পানি নিয়ে আসে। বেশি করে পানি খাইয়ে দেয়।রিনির রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেছে।
মাহমুদ রিনিকে কোলে করে নিয়ে আসে।মাহমুদ রিনিকে নিজের রুমে বিছানা তে বসিয়ে দেয়। মাহমুদ এর রুম সাউনফ্রোপ।মাহমুদ দরজাটা আটকে দেয়। যাতে কেউ প্রবেশ করতে না পারে।
মাহমুদ ফাস্ট এইডস বাক্স টা নিয়ে নে ড্রয়ারের থেকে। মাহমুদ চুপচাপ রিনির হাতের মধ্যে ড্রেসিং করে দেয়। তারপর মলম দিয়ে দিলো।অবশেষে হাতে বেন্ডেজ করে দিলো।
রিনি বলেঃ দরজা আটকানোর কারণ কি?
মাহমুদ বলেঃ সমস্যা আছে?
নাকি ভয় পাচ্ছো?
রিনি বলেঃ একটা ও না জাস্ট জিজ্ঞেস করলাম। কেউ তো রিজন ছাড়া কিচ্ছু করে না।সো বলেন সব।
মাহমুদ বলেঃ রিনি তার আগে আমি কিছু দেখাবো।তারপর সব বলবো?
দেখবে!
রিনি বলেঃ আজ সব জানবো।যা দেখাবেন দেখান।
মাহমুদ রিনি কে বলেঃ আসো এদিকে।
রিনি হাটতে ও পারছে না।রক্ত বেশি বেরিয়ে যাওয়ার ফলে । তাই দুর্বল হয়ে গেছে। মাহমুদ রিনি কে কোলে তুলে নেই।
মাহমুদ এগিয়ে আসে। সেই অন্ধকার অংশে। তারপর.........
💮
জান্নাত চুপচাপ বসে আছে।জান্নাত এর নিরবতা মেরে ফেলছে মুগ্ধ কে।
মুগ্ধ হাল ছাড়বে না।জান্নাত কে নিজের করে তারপর দম ছাড়বেই।
কামাল বলেঃ চলো সবাই। একটু ঘুমিয়ে নি।কালকে তো বেক করতে হবে।
রাবেয়া বলেঃ কালকে না আমরা পরশু ফিরে যাবো।বেশ লাগছে। তাছাড়া, জান্নাত এর engagement তো শুক্রবার এ।সো সমস্যা হবে না।
সুমি বলেঃ ভাবি,ঠিক বলছেন।তাছাড়া, কেবলা কান্তো bcs বাবুর সাথেই তো হবে।সো দরকার নেই কাল যাওয়ার। তাছাড়া,
কাল গিয়ে দেখা যাবে,জান্নাত এর সাথে কেবলাকান্তো টা দেখা করতে চলে আসবে।জান্নাত ও মা বাবার মন রাখতে দেখা করে নিবে।
রহমান( শয়তান জিন প্রিন্স) বলেঃ আরে আরে।কামাল ভাই কাল যাবো না।অনেক দিন পর প্রকৃতির রূপে বিভোর থাকতে ভালো লাগছে।
মুগ্ধ চুপ হয়ে আছে। কি করবে সে?
কি এমন করবে সে,যে জান্নাত শুধু তারই হবে।
জান্নাত কিছু বলছে না।চুপ হয়ে বসে আছে।একটু পর, সবাই ঘুমাতে চলে গেল।
মাঝ রাতে জান্নাত এর ঘুম ভেঙ্গে গেলো। জান্নাত, একটা শব্দ শুনতে পেল। জান্নাত এর মনে হচ্ছে কেউ যেনো কান্না করছে। কিন্তু কে?
জান্নাত তাঁবু থেকে খুব সতর্কতার সাথে হেঁটে বেরিয়ে পড়ে। জান্নাত দেখতে পেল,মুগ্ধ জায়নামাজ বিছিয়ে মোনাজাত ধরেছে।
মুগ্ধ বলেঃ ইয়া আল্লাহ, এই দুনিয়ার মধ্যে তোমার জন্য অসম্ভব কিছু না।আমার একটা ফরিয়াদ তুমি শুন।আমি জান্নাত কে ছাড়া আমার অস্তিত্ব কল্পনা করতে পারি না।না জানি কি আছে তার মাঝে?
কেনো এতো পাগল হয়ে গেছি?
হে আল্লাহ, প্লিজ এমন কিছু চমৎকার করে দেন।কোণ ও ফায়াকোণ বলে সব ঠিক করে দেন।
কান্না করে এসব বলতে বলতে মুগ্ধ জায়নামাজে লুটিয়ে পড়ছে। জান্নাত আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে নি।তাড়াতাড়ি তাঁবু তে ফিরে আসে। জান্নাত এর বাবা মা তাদের পরিচিত bcs ক্যাডারের সাথে বিয়ে টিক করেছে।জান্নাত তার মা-বাবা কে হতাশ করতে চাইনি।তাদের বাধ্য মেয়ের মতো রাজি হয়ে গেছে বিয়েতে। তাছাড়া, মুগ্ধের মিথ্যা বলাতে অনেক কষ্ট পেয়েছিল জান্নাত।
জান্নাত জানে কিছু করার নেই।এখন যদি কিছু করতে পারে,তা পারবে একমাত্র রব্বুল আলামীন। জান্নাত এর চোখে অশ্রু টলটল করছে। জান্নাত কান্না করতে করতে ঘুমিয়ে পড়লো।
সকালে, সূর্যের কিরণ এসে পড়েছে জান্নাত এর মুখে। জান্নাত এর ঘুম ভেঙ্গে গেলো। সবাই আস্তে আস্তে উঠে পড়ে।
রহমান বলেঃ আজ একটু জঙ্গলে ঘোরে দেখতে চাই।আজ সবাই জোড়ায় জোড়ায় যাবে।
আমি,সুমি।
কামাল ও রাবেয়া।
জান্নাত তোমার বর তো নেই।তাছাড়া মুগ্ধ ভাই ও একা।সো তোমরা দুজন যাও।
সবাই জোড়ায় জোড়ায় বেরিয়ে পড়ে। জান্নাত ও মুগ্ধ হাঁটছে।কারো মুখে কোন কথা নেই।
হঠাৎ, জান্নাত দেখতে পেল, একটা
......
চলবে.....
কখনো মাঝ রাতে এইভাবে দোয়া করে চেয়েছিলেন প্রিয় মানুষ টাকে?
পেয়েছেন কি তাকে?
কমেন্ট করে বলবেন কিন্তু 😨
[গল্প কেমন হচ্ছে কমেন্ট করে বলেন প্লিজ ]
(বানান ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!