রাত যখন গভীর Season:02 Part :35

 #রাত যখন গভীর 

#জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া 

#(jannatul mawa moho)

Season:02

Part :35

************
রাত যখন গভীর Season:02 Part :35
রাত যখন গভীর Season:02 Part :35


রিনির মাথা টা চক্কর দিচ্ছে। রিনির চারপাশে অন্ধকার লাগছে।রিনির চোখ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ করে, ঐশী ক্লাসের বাইরে,
লক্ষ্য করে,
রিনি নিচে পড়ে যাচ্ছে। ঐশী চিৎকার দিয়ে রি,,,রিনি বলার আগেই মাহমুদ স্যার তাড়াতাড়ি রিনি কে ধরে টান দেয়। রিনি পড়ে যায় নি।বরং এখন মাহমুদ স্যার এর বুকে লেপ্টে রয়েছে।
রিনি চোখ জোড়া বন্ধ করে ফেলেছে।
ক্লাস এর শিক্ষার্থী,
সবাই চলে এসেছে।সবাই জড়োসড়ো হয়ে রিনি কে দেখছে।
অবশ্য ভার্সিটি তে কেউ প্রশ্ন তোলেনি মাহমুদ এর এমন শাস্তির জন্য। কারণ, ভার্সিটির নিয়ম কানুন এর মধ্যে এটা ও একটা নিয়ম ছিলো।কোন স্টুডেন্ট দেরি করে আসলে টিচার চাইলে শাস্তি স্বরুপ ক্লাস এর বাইরে দাঁড়িয়ে রাখতে পারে। তবে কখনো কোন স্যার এমন করে নি।এই প্রথম মাহমুদ স্যার এমন করেছে ।
সব শিক্ষার্থী গুলো,
চিৎকার চেচামেচি করছিলো।কি হলো রিনির?
চোখ জোড়া খুলছে না কেন?
তাই মাহমুদ চিন্তা করে পরের ক্লাস এর স্যার টা কে আজকে তাড়াতাড়ি ক্লাস টা নিতে বলবে।যার ফলে ভিড় টা কমে যাবে।
তাছাড়া,
মাহমুদ এর ক্লাস শেষ প্রায়। তাই মাহমুদ অন্য একটা স্যার কে ক্লাস এ আসতে বলেছে। রিনিকে একটা বেঞ্চে শুয়ে দিয়েছে।
মাহমুদ ঐশী কে বলেঃ যাও ক্লাসে।আমি রিনি কে দেখছি। আর বাসায় আমি ড্রপ করে দিবো।তুমি চিন্তা করিও না। অকে!
ঐশী বলেঃ অকে।
ঐশী এই মাহমুদ স্যার নামক ব্যাক্তিতোটা টা কে বিশ্বাস করে।শুধু বিশ্বাস করে বললে ভুল হবে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে।কারণ, এতো বছর ধরে পরিচিত মাহমুদ স্যার। কখনো কারো ক্ষতি করে নি।সবসময় সবাই কে সাহায্য করেছে।সকলের বিপদে সাহায্য করেছে।সবসময় সবাই কে ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি,
বড়দের যেমন শ্রদ্ধা করেছে ছোট দের তেমন আদর, স্নেহ করে ।তাই ঐশী চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারে মাহমুদ স্যার কে।বিশ্বাস করে বলেতো সবচেয়ে প্রিয় বান্ধুবী কে একা রেখে এগিয়ে যাচ্ছে ক্লাসের দিকে। সপে দিয়েছে, মাহমুদ স্যার এর কাছে।
ঐশী ক্লাসে চলে গেল।
মাহমুদ কোলে তুলে নিলো রিনি কে। রিনিকে গাড়ি তে তোলে নেলো।মাহমুদ চিন্তা করে কি করবে!মাহমুদ বলেঃ আগে ডাক্তার এর কাছে নেয়া যাক।দেখি তিনি কি বলেন!
রিনিকে ডাক্তার এর কাছে নেয়া হলো,
মাহমুদ এখন ডাক্তার এর সামনে বসে আছে । ডাক্তার বলেঃমিস্টার মাহমুদ, রোদে রিনির এলার্জি আছে।বেশিক্ষণ রোদের তাপ রিনির জন্য ক্ষতিকর। তাই রোদের তাপ সহ্য করতে না পেরে সেন্স লেস হয়ে গেছে। একটু পর হোশ আসবে।
মাহমুদ রিনিকে নিয়ে আবার গাড়ি তে তোলে। এখনো রিনি বেহুশ।এই বেহুশ অবস্থায় রিনির বাসায় রেখে আসা সঠিক মনে হয় নি মাহমুদ এর।
তাই মাহমুদ কোন উপায় না পেয়ে রিনি কে তার ঘরে নিয়ে গেল।
রিনি কে সুন্দর করে শোয়ে দেয়। রিনি নিশ্চিতে ঘুমাচ্ছে। মাহমুদ কিছু সময় ধরে ঘুমন্ত রিনির দিকে অপলক দৃষ্টি তে তাকিয়ে আছে।
আর আপন মনে বলে উঠেঃ
"কাচের দেয়াল উঠে গেছে,
তোমার আমার মাঝে।
কপালে লেখা হলো দেখা,
হলো না আসা কাছে,
দুটি হৃদয় আছে বসে,
আহত দুটি মন।
ছোতে গিয়ে যায় না ছোঁয়া।
দূরত্ব ভীষণ।
(কবিতা লেখকঃউর্মি)
মাহমুদ আলতো করে রিনি কে একটা চুমু দেয় রিনির কপালে। রিনি কারো স্পর্শ পেয়ে একটু নড়ে চড়ে উঠে। হঠাৎ করে, বেহুশ অবস্থা তে মাহমুদ এর হাত ধরে শক্ত করে। আর কোন নড়াচড়া করছে না।
মাহমুদ বলেঃ মেয়ে রা খুব অদ্ভুত। আসলেই,মেয়ে রা খুব ভালোবাসার কাঙ্গাল হয়,তাদের একটু যত্ন করে রাখলে তারা আপনার জন্য জীবন ও দিতে পারে নিঃসন্দেহে।
একটু ভালোবাসার পরশ পেতেই সেই পরশটা যত্ন করে আগলে রাখছে রিনি অবচেতন অবস্থা তে।
মাহমুদ আপন মনে বকবক করছে আর রিনি কে দেখছে।
হঠাৎ করে, মাহমুদ বলেঃ রিনি,এতো সহজে ধরা দিচ্ছি না। খোঁজে নিতে হবে তোমার নিজের থেকে।
এটা বলে মাহমুদ তার হাতটা আস্তে করে রিনির কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেই। আবার, একবার রিনির নিষ্পাপ চেহারার দিকে তাকিয়ে মাহমুদ
রুমে থেকে বেরিয়ে আসে। মাহমুদ এর মনটা বড্ড জ্বালাচ্ছে। কেনো জানি সব কিছু অসহ্য লাগছে। মেয়ে টা কে শাস্তি দিতে গিয়ে এটা কি করে ফেললো।মাহমুদ এর মনে অপরাধবোধ কাজ করছে।
মাহমুদ বলেঃ তাহলে কি মাফ চাইবো?
ধুর এটা করলে আস্কারা পাবে।দোষ ছিলো তাইতো শাস্তি দিলাম।
মাহমুদ আর কিছু না ভেবে বেলকনিতে দাঁড়িয়ে আছে। আকাশ পাণে দেখে আছে।
মাহমুদ বলেঃকেউ একজন ঠিকই বলেছেন। মন খারাপ এ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে। কারণ, আকাশের বিশালতার কাছে আপনার মন খারাপ কিছু ই না।
মাহমুদ আকাশ এর দিকে তাকিয়ে আছে। অপেক্ষা করছে রিনির সেন্স ফিরে আসার।
এভাবেই বেশ কিছু সময় পার হয়ে গেছে। রিনি আস্তে আস্তে চোখ জোড়া খোলে।মাথা টা এখনো ঝিমঝিম করছে। রিনি চোখ জোড়া খোলে দেখে, সে একটা বিছানা তে শোয়ে আছে।
রিনি বলেঃ আমি কোথায়?
এটা কার ঘর?
কার রুম?
রিনি আস্তে আস্তে ফ্লোরে পা রাখে।রুমের একপাশে অন্ধকার ছিলো।কিন্তু বাকি রুম আলোকিত ছিলো।রিনি মনে প্রশ্ন জেগে ওঠে,
কি আছে ওই দিকে?
কেনো এতো অন্ধকার?
রিনি এগিয়ে গেছে। রিনির কাছে পর্যাপ্ত আলো ছিলো না।তাই আলো খুজতে লাগলো। রিনি লক্ষ্য করে, বিছানার পাশে ছোট একটা টর্চ আছে। রিনি তাড়াতাড়ি সেটক হাতে নিয়ে নেই।এগিয়ে গেলো সেই অন্ধকার এর দিকে।
আলো জ্বালিয়ে দেখে। একটা চাদর।
রিনি বলেঃ নিশ্চিত এই ঘরে যে থাকে সে পাগল। একটা চাদর কে কেউ কি এভাবে অন্ধকার করে রাখে নাকি!
রিনি আস্তে করে চাদরটা তে হাত রাখে।টাস করে পড়ে যায় চাদর টা।কিন্তু চাদরটার ভেতর আরও কিছু ছোট ছোট চাদর ছিলো। রিনি আস্তে করে একটা চাদর তোলে নেই। একি রিনি দেখে একটা বাচ্চা মেয়ের ছবি।বাচ্চা মেয়ে বললে ভুল হবে। মেয়ে টা কিশোরী ছিলো। বয়স বলতে আনুমানিক ১৪,১৫ বছর হবে।মেয়ে টা দেখতে পিচ্চি লাগছিলো তাই বাচ্চা মেয়ে বলা আরকি ।
রিনি আরেক টা চাদরে হাত রাখতেই,
কেউ একজন বলেঃ ভুলে ও চাদর টা সরাবে না রিনি।সরালে আমার অন্য রুপ দেখবে রিনি!!!
রিনি চমকে উঠে।এই কন্ঠ টা খুব পরিচিত। রিনি ভয়ে চুপসে যায়। আস্তে করে,
পিছনে ফিরে দেখে মাহমুদ স্যার। রিনি বলেঃ সা সা স্যার আপনি?
আপনি কেন?
কি করে?
সরি,আপনি এখানে কেমনে?
মাহমুদ বলেঃ আগে ওই দিক থেকে বেরিয়ে আসো।টেবিলে বসো।বলছি সব।
রিনি বাধ্য মেয়ের মতো গুটিগুটি পায়ে হেটে টেবিলে বসে যাই।
মাহমুদ সব কিছু খোলে বলে। রিনি মিটমিট করে তাকিয়ে আছে মাহমুদ এর দিকে। মাহমুদ সব বলেছে তবে লুকিয়েছে কিছু। সব কথা তো বলতে নেই। কিছু টা নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হয়।
মাহমুদ বলেঃ মনে হচ্ছে, তুমি এখন বেটার চলো।বাসায় দিয়ে আসি।
রিনির মন চাইছে, চাদরের আড়ালে কি ছিলো তা জানতে। কথাই আছে না।যেটা করতে নিষেধ করে মানুষ সেটাই করতে বেশি চাই। তাই রিনির ক্ষেত্রে ও ব্যাতিক্রম হচ্ছে না।
তবুও নিজের ইচ্ছে কে কবর দিয়ে রিনি মাহমুদ পিছু পিছু যাচ্ছে। বাসায় যে ফিরে যেতে হবে।
গাড়ি তে বসে আছে। মাহমুদ ও রিনি।মাহমুদ আপন মনে গাড়ি চালাচ্ছে। রিনি নিশ্চুপ হয়ে আছে।
মাহমুদ এর বাসা থেকে রিনির বাসায় যেতে একটা হাইওয়ে পড়ে। সেই রাস্তা টাতে চারপাশে গাছপালা। আর কিছু টা দূরে একটা নদী ও আছে।
রিনি গাড়ির জানালা দিয়ে তাকিয়ে আছে বাইরে। বেশ লাগছে দেখতে।
কিন্তু,
হঠাৎ করে, রিনি বলেঃ গাড়ি থামান প্লিজ।থামাননননননন।
মাহমুদ বলেঃ কেনো?
রিনি বলেঃ থামান।
গাড়ি টা থামিয়ে দেয়। অতঃপর, রিনি হাত দিয়ে জানালার বাইরে ইঙ্গিত করে।
মাহমুদ দেখতে পেল,.....
💮
সবাই অনুসন্ধান করে অবশেষে
দেখে একটা খুব সুন্দর একটা ঝর্ণার দেখা পেলো।
সবাই অনেক আনন্দিত হয়ে গেছে। জান্নাত তো খুশি তে চিৎকার করে দিলো।জান্নাত এর সাথে তাল মিলিয়ে চিৎকার করে দেয় সুমি ও।
সবাই জানে জান্নাত ও সুমি প্রকৃতি প্রেমি।তবে ঝর্ণা দেখে এমন করবে কেউ কল্পনা করেনি।
সুমি অবাক হয়ে ঝর্ণা দিকে তাকিয়ে আছে। সবাই সবার মতো মজা করছে।এতো ঝামেলার পর সবাই যেনো প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যাচ্ছে। জান্নাত চোখ জোড়া বন্ধ করে ফেলেছে। লম্বা লম্বা নিশ্বাস নিচ্ছে।
এমন সময় কে যেনো একটানে জান্নাত কে ঝর্ণার পানির জল প্রপাতের নিচে বসিয়ে দিয়েছে। জান্নাতের চোখ এখনো বন্ধ।ইচ্ছে করে চোখ জোড়া বন্ধ করে রেখেছে। জান্নাত এর শরীরে পানি ঝরে পড়ছে।ঝর্ণার পানি ঠান্ডা ছিলো। তাও জান্নাত ওই ভাবে বসে আছে।
জান্নাত নাক দিয়ে জলের গন্ধ নিচ্ছে। জান্নাত এর মনে হচ্ছে, এই জলের মধ্যে কেমন একটা মৃথিকার সুগন্ধি মিশে আছে।
জান্নাত যেনো কল্পনা তে ডুবে যাচ্ছে। তখনই, কারো শব্দে চোখ জোড়া খোলে জান্নাত।
মুগ্ধ বলেঃ ওহে মহারানি!
আর কতো?
এবার তো উঠো?
আমি মনে করেছি হঠাৎ এমন করে পানিতে বসিয়ে দেয়ার জন্য রাগ করবে তুমি?কিন্তু আমার ধারণা মতো তো কিছুই হলো না?
জান্নাত বলেঃ প্রকৃতির রূপে বিভোর আমি।এখানে এসে রাগ দেখাবো এটা কি করে হয়।
তবে একটু ভয় পেয়ে ছিলাম।
মুগ্ধ বলেঃ সরি জান্নাত।
জান্নাত বলেঃ মাফ করা কি এতো সহজ?
চাইলেই মাফ করা যায় না মিস্টার।একটা ভুল তো না,আরও অনেক ভুল করেছেন।
মুগ্ধ বলেঃ কি করলে মাফি নাফা মঞ্জুর হবে বলো?
জান্নাত বলেঃ যা বলবো তাই করবেন?
মুগ্ধ বলেঃ ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করবো করার।
জান্নাত বলেঃ তাহলে প্রমাণ করেন যে রহমান( শয়তান প্রিন্স জিন)
ও সুমির মধ্যে ভালোবাসা আছে। তারা ও আর দশটা কাপাল এর মতো একে অপরের কদর করে!
কি পারবেন!
মুগ্ধের মুখে বিশ্ব জয় করা হাসি।কারণ এটা প্রমাণ করা একদম কঠিন কাজ না।
তাছাড়া, মুগ্ধ ভালো করে জানে রহমান আস্তে আস্তে সুমির প্রতি দুর্বল হয়ে গেছে। সুমি কে রহমানের একটা মুহূর্ত ও কাছে না পেলে চলে না।সুমিও, রহমান এর পাশে পাশে থাকার চেষ্টা করে। দুজনের অজান্তেই তারা একে অপরের উপর নির্ভর হয়ে গেছে।বাঁধা পড়েছে মায়ার বাঁধনে।যে বাঁধন কখনো ছিড়ে যাবে না।
মুগ্ধ বলেঃ জাস্ট ওয়েট এন্ড ওয়াছ হানি।
জান্নাত বলেঃ অকে মাকারফল।
যে যার মতো মজা করছে। রহমান জিন এর ও মুখ হাস্য উজ্জ্বল দেখা যাচ্ছে। খুশি হবে না কেনো!
সবাই যে আপন করে নিয়েছে রহমান কে।সবাই তার ভুল গুলো মাফ করেছে। তাছাড়া,
আজকাল রিনির কথা মনে হলে, রহমানের মনে হয়। নিছক এসব বোকামি করে ছিলো রিনির সাথে।
প্রেম, ভালোবাসা, জিন হোক বা মানুষ কারো কাছ থেকে জোর করে আদায় করা যায় না। জোর করলর বড়জোর শরীর টা পাওয়া যায়। মন তো পাওয়া যায় না।
সবার হইহট্টগোল এ চিন্তা থেকে বেরিয়ে পড়ে রহমান।
রহমান সাতার কাটছিলো।তাই সাঁতার কাটাতে মনযোগ দিলো।তখনই,হঠাৎ রহমানের মনে হলো,সুমি কে অনেক্ক্ষণ ধরে দেখতে পাচ্ছে না।কোথায় সে!
আজকাল সুমি কে বেশিক্ষণ চোখের সামনে না দেখলে মনটা আনচান কে তার!তাহলে কি নিজের অজান্তেই নিজের মনটা সুমির দখলে চলে গেল। দূর এসব কি চিন্তা করছে। সুমি কই সে দিকে নজর দি!!!
রহমান জিন লক্ষ্য করে,
সবাই উপস্থিত আছে ঝর্ণার আসে পাশে তবে,
সুমি ছাড়া।
রহমান সবার উদ্দেশ্য করে
বলেঃ সবাই আছেন কিন্তু সুমি কই?
কেউ কি কিছু জানেন!
তখনই, রহমান লক্ষ্য করে,.......
💮
শাম্মি অনেক চেষ্টা করছে,মা বাবা কে হাবিব এর কথা বলতে। তাও পারছে না।লজ্জা লাগছে শাম্মির বেশি। সে পারছে না নিজ মুখে বলতে।
কিন্তু হাবিব তার মা কে সব খুলে বলেছে।তার মা বিনা বাক্যে রাজি হয়ে গেছে। তার মায়ের বিশ্বাস তার ছেলের পছন্দ সেরা হবে। তাছাড়া, সেরা না হলে জিন কণ্যা কে নিজের মেয়ের মতো করে শিখিয়ে পড়িয়ে নিবে।হাবিব এর মা অনেক খুশি। অবশেষে, ঘরে নতুন সদস্য আসবে।যার চটপট কথা তে মুখরিত থাকবে সম্পূর্ণ ঘর।
শাম্মি নিজের রুমে শোয়ে ছিলো।অনেক চেষ্টা করে ও বলতে পারে নি। হঠাৎ করে, রাজা মশাই ( রশিদ) রুমে প্রবেশ করে।
শাম্মি বলেঃ বাবা তুমি?আমাকে ডাকলে আমি চলে যেতাম।তুমি কেনো কষ্ট করলে!
রাজা মশাই বলেঃনা কোন ব্যাপার না।তা কি করছে মামুনি টা।একটু কি ফ্রী আছিস একটা কথা ছিলো।তাছাড়া,আমি তো তোর মাকে কথা টা বলতে বলে ছিলাম।কিন্তু তিনি আমাকে পাঠালেন।
শাম্মি বলেঃ বাবা বলে পেলো।এতো হেজিটেট করার কি আছে।
রাজা মশাই বলেঃ শাম্মি,তোর কাছে,,, হাবিব কে কেমন লাগে!
শাম্মির বুক দুপদুপ করছে। বাবা হঠাৎ হাবিব এর কথা কেনো বলছে!
শাম্মি নিজেকে সামলে নেই।
শাম্মি বলেঃ বাবা, কেনো?
রাজা মশাই বলেঃ আসলে,
চলবে.....
পরিবারের সমস্যার জন্য গল্প দিতে পারিনি তাই দুঃখীত।প্লিজ কেউ মন খারাপ করিয়েন না। 😣😣😣
ইনশাআল্লাহ গল্পের শেষ টা সবার মন ছোঁয়ে যাবে।সেভাবে লিখার চেষ্টা করবো।আরেকটা কথা, season 1 সম্পূর্ণ পড়ে season2 পড়েন।অনেক দিন পর গল্প দেয়াতে গল্প ভোলে গেছেন হয়তো অনেকে । তাই অনুরোধ শুরু থেকে আবার একবার পড়ে নিবেন।ইনশাআল্লাহ দেখবেন পড়তে মন্দ লাগছে না।
(বানান ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!