রাত যখন গভীর Season:02 Part :37

 #রাত যখন গভীর 

#জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া 

#(jannatul mawa moho)

Season:02

Part :37

************
রাত যখন গভীর Season:02 Part :37
রাত যখন গভীর Season:02 Part :37


রিনির করার কিছু নেই। কি করবে সে।তখনই, আবার গাছের উপর তাকাই। তখনই দেখতে পেল, সেই রশ্মি টা অনেক খানি কাছে এসে পড়েছে। রিনি আর কিছু চিন্তা করতে পারছে না। রিনি কোন মতে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। তার পা দুটো যেই দিকে এগিয়ে নিচ্ছে রিনি সেই দিকে চলে যাচ্ছে। জঙ্গলে অন্ধকার এর জন্য কিছু দেখা যাচ্ছে না। তাও রিনি দৌড়াতে থাকে। রিনি মনে হলো , সে কারো সাথে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যাচ্ছে। তখনই, রিনি অনুভব করল, তার কোমর টা কেউ একজন খুব শক্ত করে আঁকড়ে ধরেছে। রিনি কে পড়তে দেয় নি। রিনি কোমরটা ধরে টান দেয়। রিনি কার জানি বুকে এসে পড়েছে। রিনির নাকে চিরছেনা সুগন্ধি টা আসছে।
রিনি,
কোন এক পিচ্চির কন্ঠ শুনতে পেল, পিচ্চি বলছে,ভাইজান আমরা পাইয়া গেছি।শুকরিয়া। আলহামদুলিল্লাহ। রিনি আর কিছু শুনতে পাইনি।রিনির চারপাশ টা অন্ধকার এর ঘেরা, রিনির এখন মনে হচ্ছে অন্ধকার আরও গভীর হচ্ছে। রিনির মনে হচ্ছে, সে প্রশান্তি অনুভব করছে।রিনি সেন্স লেস হয়ে গেছে।
পিচ্চি মেয়ে বলেঃ ভাইজান,সকাল হয়তে তো মেলা দেরি।আমরা এহন কি করুম?
মাহমুদ বলেঃ পিচ্চি, ঠিক সময়ে যে পেয়েছি অনেক শুকরিয়া। না হলে না জানি কি হতো!
তাছাড়া, তোই ও একটু আগে নিজে নিজে কোল থেকে নেমে গেলি।তোই কোলে থাকলে রিনির পড়ে যাওয়া আটকানো সম্ভব হতো না।পিচ্চি চল আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যায়। অন্ধকার এ পথটা হারিয়ে ফেলেছি।আল্লাহ ভরসা করে এগিয়ে যায়।
দুজন হাঁটছে।রিনির হাত কাঁধে রেখে সেন্স লেস অবস্থা তে হাটাচ্ছে।
পিচ্চি বলেঃ ভাইজান এভাবে হাটলে হয়বো না।আপনি ভাবিজান রে কোলে নেন।উনি অসুস্থ তো।
মাহমুদ আর কোন উপায় না পেয়ে কোলে তুলে নেই। মাহমুদ বলেঃ তোই কেমনে বুঝতে পারলি এই দিকে পাবো?
পিচ্চি বলেঃ আসলে, ভাবিজান এর শরীর এর এট্টা মিষ্টি ঘ্রাণ আছে। বাতাসের সাথে সেই ঘ্রাণ টা ভাইসা আইছে মোর নাকে।তাই বুঝতে পারছি।
মাহমুদ এবার অন্ধকারে।কিছু টা ঝোঁকে পড়ে। আর, রিনি বুকের কাছে নাক টা আনে।একটা মিষ্টি ঘ্রাণ পেলো।
মাহমুদ বলেঃ আসলেই তো।রিনির শরীরে একটা মিষ্টি ঘ্রাণ আছে। কখনো লক্ষ্য করে দেখিনি।
এমন সময় পিচ্চি চিৎকার করে দেয়। ভাইজান দেখেন এক্কান নদীর তীর।আরে আরে ভাইজান আমি তো এক্কান
নৌকা ও দেখতে পাইছি। তই ভাইজান আপনার তো পানিত যাওন লাগবো।ওইডা আনতে।
মাহমুদ লক্ষ্য করে, কিছু জোনাকি পোকা আলোতে নৌকা টা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। মাহমুদ নদীর তীরে রিনিকে শোয়ে দেয়। মাহমুদ নৌকা টা তীরে আনছে।এমন সময়, হঠাৎ করে বৃষ্টি চলে আসে। রিনির শরীর ভিজে যায়। মাহমুদ তাড়াতাড়ি নৌকা তে পিচ্চি ও রিনি কে তোলে নেই। নৌকা তে একটা চাওনি ছিলো। তাই বৃষ্টি পড়ছে না।
রিনির শরীর কাঁপুনি দিচ্ছে। মাহমুদ চিন্তার মধ্যে পড়ে যায়। মাহমুদ কি করবে বুঝতে পারছে না।হঠাৎ, মাহমুদ এর হাতে কিছু একটা স্পর্শ করে। মাহমুদ লক্ষ্য করে, একটা পুটলি। পিচ্চি কে মাহমুদ এর কোর্ট টা পড়িয়ে দেই। তাই পিচ্চি গরম তাপ পেয়ে ঘুমিয়ে পড়লো। মাহমুদ পুটলিটা
নিয়ে, সেটার ভিতরে দেখে, একটা শাড়ি। মাহমুদ দেরি না করে,অন্ধকারে রিনির কাপড় পরিবর্তন করে দেয়। কারণ, ভেজা কাপড়ে থাকলে রিনির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যাবে।
মাহমুদ কোন রকম করে শাড়ি টা পেচিয়ে দেয়। হঠাৎ পুটলি তে আবার হাত দিয়ে দেখে কি মনে করে ,
ভাগ্য সহায় ছিলো।পুঁটলিতে মাহমুদ,
আরেকটা কাপড় পেয়ে যায় । মাহমুদ সেটা পড়ে নেই।কারণ তার ও শীত লাগছিল। বৃষ্টি চলে গেল। মাহমুদ রিনিকে নৌকার চাওনি থেকে বের করে নিয়ে আসে।
নৌকার এক প্রান্তে দু'জন আছে। এভাবে কতক্ষণ ছিলো মাহমুদ জানে না।এবং
মাহমুদ যে কখন ঘুমিয়ে পড়লো নিজে ও জানে না।
সকালে ভোরের আলো তে মাহমুদ এর চোখ জোড়া খুলে। মাহমুদ দেখে,মাহমুদ একটা নীল রঙের পঞ্জাবি পড়ে আছে। রিনির পরনে কমলা রঙের শাড়ি। মাহমুদ এর বুকের বরাবর শোয়ে আছে রিনি।রিনির শরীর এর মিষ্টি ঘ্রাণ টা মাহমুদ পাচ্ছে। মাহমুদ দেখে পিচ্চি এখনো ঘুমাচ্ছে।
মাহমুদ তাড়াতাড়ি করে, রিনি কে নিজের থেকে কিছু টা দূরে সরিয়ে শোয়ে দেয়। নদীর থেকে কিছু পানি নিয়ে রিনির মুখে দেয়। রিনির হাত পা মালিশ করে দেয়। আবার, কিছু পানি ছিটিয়ে দেয়। রিনি আস্তে আস্তে চোখ জোড়া খুলে। রিনি আচমকা মাহমুদ কে জড়িয়ে ধরে।
রিনি বলেঃ আমাকে একা রেখে কই গেছিলেন?
আমি যে অনেক ভয় পাই। আমার অন্ধকার কে ভয় করে।কখনো আমাকে একা রেখে যাবে ন না।প্লিজ।
মাহমুদ একদম স্তব্ধ হয়ে গেছে। কারণ, সে কিছু বলার ভাষা খোঁজে পাচ্ছে না।
হঠাৎ পিচ্চি বলেঃ চলেন ভাইজান,এবার আমরা সবাই চইলা যায়। মোর মাই ও মোর লাইগা অপেক্ষা করবো।মোরে মাইর দিবো এমনেতে। তাও যায়তে যহন হয়বো এহন ই যাওয়া যাক।দেরি কইরলে ভালা হয়বো না।
রিনি তাড়াতাড়ি মাহমুদ কে ছেড়ে দেয়। সবাই জঙ্গলে রাস্তা ধরে হেটে আসছে।পিচ্চি, সারা রাস্তা হাটছিলো আর রিনিকে পটর পটর সব কিছু বলছে।কালকে কি হয়েছে!
কেমনে তারা রিনি কে খুঁজে পেলো!
সবাই গাড়ির কাছে চলে গেল।
মাহমুদ বলেঃ পিচ্চি তোই ও উঠ
পিচ্চি বলেঃ ভাইজান মোর ঘর কাছে।গাড়িত ওইটা কিতা হবে।তাছাড়া মোর মাই দেখলে হাজার খান প্রশ্নো কইরবো।
মাহমুদ বলেঃ তোই আমার সাথে যাবি।আজ থেকে আমার সাথে থাকবি।পড়াশোনা করবি।কি যাবি না তোর ভাইজান এর সাথে?
যাবিতো পিচ্চি!
পিচ্চি কিছুক্ষণ চুপ হয়ে থাকে। রিনি ও মাহমুদ এর দিকে একবার তাকিয়ে দেখে। তারপর, পিচ্চি খুশী মুখে বলেঃ চলেন তইলে ভাইজান।
সবাই গাড়ি তে উঠে পড়ে। মাহমুদ গাড়ি চালাচ্ছে। রিনি পাশের সিটে বসে আছে। পিচ্চি পেছনে বসে আছে। সবাই মাহমুদ এর ঘরে যাচ্ছে। মাহমুদ গাড়ি স্টার্ট দেয়। একটু পর,
পিচ্চি বলেঃ ভাইজান এক্কান গান ছাড়েন।
গান শুনি এক্কান।
মাহমুদ একটা গান চালিয়ে দেয়। রিনির মনে হাজার প্রশ্নের উদয় হয়ে আছে। তার গায়ে শাড়ি কেমনে।পিচ্চি সব বলেছে,তবে রিনির কাপড় পরিবর্তন নিয়ে কিছু বলে নি।তার মানে এই ব্যাপারে পিচ্চি জানে না।রিনি চোখ বন্ধ করে গান শুনছে।গানটা রিনির খুব পছন্দের একটা গান।গান চলছে,
Tu aata hai seene mein
Jab jab saansein bharti hoon
Tere dil ki galiyon se
Main har roz guzarti hoon
Hawa ke jaise chalta hai tu
Main ret jaisi udti hoon
Kaun tujhe yoon pyar karega
Jaise main karti hoon
Haa. Aa.
Meri nazar ka safar
Tujhpe hi aake ruke
Kehne ko baaki hai kya
Kehna tha jo keh chuke
Meri nigahein hain teri nigahon pe
Tujhe khabar kyu bekabar
Main tujhse hi chup chup kar
Teri aankhein padhti hoon
Kaun tujhe yun pyar karega
Jaise main karti hoon
Haa. Aa.
Tu jo mujhe aa mila
Sapne hue sarphire
Haathon mein aate nahi
Udte hain lamhein mere
Meri hasi tujhse
Meri khushi tujhse
Tujhe khabar kyu bekhabar
Jis din tujhko na dekhun
Pagal pagal phirti hoon
Kaun tujhe yun pyaar karega
Jaise main karti hoon
Haa. Aa.
গানটা শেষ হতে হতেই সবাই মাহমুদ এর বাসায় পৌঁছে যায়। সবাই গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। মাহমুদ সহ সবাই বাসায় প্রবেশ করে। একটা চাকর কে কল করে পিচ্চির জন্য একটা ড্রেস আনতে বলে। সাথে রিনির জন্য ও।
চাকর ড্রেস নিয়ে আসে। তবে রিনির টা আনতে একটু সময় হবে।মাহমুদ পিচ্চি কে তার রুম দেখিয়ে দেয় আর বলে,ফ্রেশ হয়ে ড্রেস টা পড়তে। পিচ্চি টা অনেক খানি খুশী হয়ে গেছে।
মাহমুদ রিনি কে নিজের রুমে নিয়ে গেল। মাহমুদ বলেঃ ফ্রেশ হয়ে আপাতত আমার একটা শার্ট পড়ে নাও।ততক্ষণে তোমার ড্রেস আসবে হোপ সো।
রিনি বলেঃ ওকে।একটা প্রশ্ন ছিলো?
মাহমুদ বলেঃ পিচ্চি তো সব বলে দিয়েছে।আবার কিসের প্রশ্ন?
রিনি বলেঃ আমার গায়ে শাড়ি কেমনে? কে পড়িয়ে দিলো?
মাহমুদ কিছু টা ইতস্তত করে। তারপর বলেঃ আমি পড়িয়ে দিয়েছি।ভেজা শরীর বলে তোমার শরীর কাঁপুনি দিচ্ছিলো।তাই বাধ্য হয়ে এমন করা।আমি কিছু দেখিনি,চারপাশে অন্ধকার ছিলো।সো ডোন্ট ওয়ারি।
রিনি একটা স্বস্তির নিশ্বাস নিলো।রিনি আপন মনে বলছেঃ হুহ আল্লাহ অন্ধকার ছিলো বলে কিছু দেখেনি।শুকরিয়া।
মাহমুদ বলেঃ আর কিছু জানার আছে?
রিনি বলেঃ না।
রিনি ফ্রেশ হতে চলে গেল। মাহমুদ ও অন্য রুমে চলে গেল ট্রেশ হতে। বেশ কিছুক্ষণ পর,মাহমুদ নিজের রুমে প্রবেশ করে। হঠাৎ রিনি টাওয়াল পেচিয়ে বেরিয়ে পড়ে। মাহমুদ কে দেখে দৌড়ে আবার ওয়াশরুমের মধ্যে প্রবেশ করে। রিনি মনে করছে, মাহমুদ থাকবে না। তাছাড়া রিনি শার্ট ওয়াশরুমে নিতে ও ভুলে গেছে।
রিনি ওয়াশরুম থেকে বলেঃ আসলে শার্ট নিতে ভুলে গেছিলাম।প্লিজ একটা শার্ট দিন।
মাহমুদ একটা শার্ট দিলো।রিনি সেটা পড়ে বাইরে আসে।রিনির বড্ড লজ্জা লাগছে। লজ্জা তে মুখ বারবার ব্লাস করছে।
একটু পর, চাকর এসে ড্রেস দিয়ে যায়। রিনি কাপড় টা পড়ে নেই।মাহমুদ সবাই কে নিয়ে ভাত খেতে বসে।পিচ্চি ও আপন মনে খাচ্ছে।
মাহমুদ বলেঃ রিনি একটু রেস্ট নিয়ে তোমাকে বাসায় দিয়ে আসবো।
রিনি কিছু বলে নি। রিনির ইচ্ছে করছে থেকে যেতে।তাও কিছু প্রকাশ করে নি।
রিনি সোজা মাহমুদ এর রুমে গিয়ে শোয়ে পড়েছে, রিনি শরীর টা বিছানায় রাখার সাথে সাথে ঘুমিয়ে পড়লো। রিনির চোখে যেনো রাজ্যের ঘুম জমে আছে। পিচ্চি ও তার রুমে ঘুমিয়ে পড়লো। মাহমুদ বেলকনিতে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। আকাশ কে দেখে সময় টা কাটাবে।
মাহমুদ দোলনায় বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। মাহমুদের আজ কেনো জানি অকারণে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে মন চাইছে।মাহমুদ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়লো।
বেশ কিছুক্ষণ পর,রিনির ঘুম ভেঙ্গে গেলো। রিনি আশেপাশে তাকিয়ে দেখে, মাহমুদ আছে কিনা। রিনি লক্ষ্য করে, আশেপাশে কেউ নেই। রিনি বিছানা থেকে উঠে পড়ে। আস্তে আস্তে এগিয়ে যাচ্ছে........
💮
জান্নাত সত্যি মুগ্ধ এর উপর মুগ্ধ হয়ে গেছে। জান্নাত অনেক খুশি আজ।সবাই বসে আছে। মুগ্ধ তাকিয়ে আছে জান্নাত এর দিকে।সুমি ও রহমান একে অপরের গাঁ ঘেঁষে বসে আছে। রাবেয়া ও কামাল হাতে হাত রেখে দুজন দুজনার দিকে তাকিয়ে আছে। এ যেনো এক রোমাঞ্চকর দৃশ্য।
মুগ্ধ হঠাৎ করে জান্নাত এর কাছে চলে আসে। মুগ্ধ, জান্নাত এর কানে কানে বলেঃ মাফ কি করেছো?
জান্নাত তোমার বিয়ে টা কি আটকানো যাবে না?
আমার আশা কি পূর্ণতা পাবে না?
আমি তো বেশি কিছু চাইনি, শুধু তোমাকে চেয়েছি?
জান্নাত বলেঃ মুগ্ধ আপনি যে জিন পরী তা আমাকে বলেন নি।সত্যি টা যদি নিজে বলতেন মেনে নিতে কষ্ট হতো না। আর আপনাকে অনেক আগে মাফ করে দিয়েছি।
প্রিয় নবী মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে কেউ খারাপ কিছু করলে, তার শত্রু দের মাফ করে দিতেন।
মাফ করা একটা মহৎ কাজ।তাই আমি প্রিয় নবীর উম্মাত হয়ে তার আদেশ অমান্য করি কি করে। সো মাফ করে দিয়েছি।
তাছাড়া, আমি মা বাবার বিরুদ্ধে যেতে পারবো না।
মুগ্ধ বলেঃ তাহলে আমার ভালোবাসার কি হবে?
জান্নাত বলেঃ মুগ্ধ আমি যদি আপনার কপালে লেখা থাকি তাহলে আপনার ই হবো।তাছাড়া আল্লাহ পাক এর কাছে দোয়া করেন।উনি যে কোন অসম্ভব কে কোণ,ফায়াকোন বলে সম্ভব করে দিতে পারে। আল্লাহ এর মর্জি থাকলে, আপনার দোয়া কবুল হলে আমি সারাজীবন এর জন্য আপনার হবো।
মুগ্ধ বলেঃ আমাকে কি ভালোবাসাে?
জান্নাত চুপচাপ বসে আছে। তাকিয়ে আছে সামনে ঝর্ণার দিকে। জান্নাত যেনো ইচ্ছে করে এড়িয়ে যাচ্ছে প্রশ্ন টা।
মুগ্ধ এর মনে এক পাহাড় সম কালো মেঘ জমে আছে। কি হবে তার এই অপেক্ষার?
চলবে.....
জান্নাত এর সাথে কি মিল করিয়ে দিবো মুগ্ধের?
নাকি ছেঁকা দিবে মুগ্ধ কে?
আপনাদের মতামত এর ভিত্তি তে এগিয়ে যাবে গল্প।
*সবাই কি আমার উপর রাগ করে আছেন??? 😥
[গল্প কেমন হচ্ছে কমেন্ট করে বলেন প্লিজ ]
(বানান ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!