রাত যখন গভীর Season:02 Part :42

 #রাত যখন গভীর 

#জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া 

#(jannatul mawa moho)

Season:02

Part :42

************
রাত যখন গভীর Season:02 Part :42
রাত যখন গভীর Season:02 Part :42


জান্নাত চলে গেল। তখন,জান্নাত এর মা বলেঃসুমি কালকে যার সাথে জান্নাত এর engagement হওয়ার কথা ছিলো তার এক্সিডেন্ট হয়ে গেছে। বেশি কিছু হয়নি।তবে ছেলের মা বলেছে, তারা জান্নাত কে বউ করতে পারবে না।বিয়ের আগে তাদের ছেলের সাথে এমন হয়েছে না জানি বিয়ের পর কি হয়।
তাদের মতে আমার মেয়ে অপয়া। সুমি এখন কি করবো বলো মা!
আমি সবাই কে দাওয়াত দিয়ে দিছি।আর এসব জানলে তো আমার মেয়ে টা কে কেউ বিয়ে ই করবে না।জান্নাত এর বাবা কে ও কিছু বলিনি।তিনি মেয়ের দায়িত্ব আমাকে দিয়েছেন। মেয়ের জামাই দেখতে কেমন তাও জানতে চাননি।তিনি ব্যবসায়িক কাজে লন্ডন গিয়েছে। কালকে লন্ডন থেকে সোজা অনুষ্ঠানে আসবেন বলেছে।তার পুরো বিশ্বাস ছিলো আমার পছন্দের উপর।
এতো সব চিন্তা সহ্য করতে না পেরে আমি সেন্স লেস হয়ে যাই।
সুমি কি করবো এখন?
কোন পরামর্শ দাও!!!
সুমি বলেঃ আন্টি কালকে সব ঠিকঠাক হবে।আপনি কোন চিন্তা করবেন না।আমি সব সামলে নিবো। আপনি আমার উপর বিশ্বাস করেন তো?
জান্নাত এর মা বলেঃ বিশ্বাস করি বলে তো কাউকে কিছু বলিনি।শুধু তোমাকে বলেছি।
সুমি বলেঃ আন্টি জান্নাত এর বর কে আত্মীয় রা কেউ কি দেখেছে?
জান্নাত এর মা বলেঃ তেমন কেউ দেখেনি।সবাই কালকে দেখতো আরকি।তারা জানে ছেলে bcs ক্যাডার।
সুমি বলেঃ আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন। আমি ও রহমান সব সামলে নিবো। আন্টি ব্যাপারটা রহমানের সাথে শেয়ার করতে চাইচি।মাইন্ড করবেন না তো?
জান্নাত এর মা বলেঃ জামাই কে তো তোমার অবশ্যই বলতে হবে। তোমরা আমার মেয়ের জন্য খারাপ করবে না।সবসময় ভালো ই করবে আমি জানি।
সুমি বলেঃ আপনি ঘুমিয়ে পড়েন।আমি সামলে নিবো।
পরদিন সকালে। সারা বাড়ি সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। হাবিব,হাবিবের মা।
অর্ক,লাবু,রাহাত, রেশমি এবং কামাল,রিনি,রাবেয়া আসছে।তাদের আসার একটু পর শাম্মি ও রানী লোভা এবং সাথে রাজা মশাই এসেছে। আত্মীয় স্বজনরা এসে পড়েছে। চার দিকে হইচই করছে সবাই।
জান্নাত এর মা,বাবা মেহমানদের কে আপ্যায়ন করছে। সুমি ও রহমান তাদের সাথে জান্নাত কে পার্লার এ নিয়ে গেল। জান্নাত একদম একটা প্রাণহীন পুতুল এর মতো বসে আছে। আর পার্লার এর মেয়ে গুলো সাজিয়ে দিচ্ছে।
দীর্ঘ ৩ ঘন্টা পর জান্নাত কে রেডি করা হয়েছে। জান্নাত আজ লেহেঙ্গা পড়েছে।গোল্ডেন রঙের লেহেঙ্গা, সবুজ রঙের জুয়েলারি, হাতে লাল রঙের চুড়ি। চুলের মধ্যে খোপা করেছে। কপালে টিকলি।
সুমি বলেঃ বাহ রাজকন্যার মতো লাগছে। আজকে মনে হয় সবাই দেখে ক্রাশ খাবে। জামাই বাবা জি তো বেহুশ হবে।
জান্নাত বলেঃ যাহ বেশি বলিস।আচ্ছা শোন ও তো আমাকে কল দেয় নি।
সুমি মনে মনে বলছেঃ ওতো আর আসছে না।তাই কল দেয় নি।
জান্নাত বলেঃ কিছু বল?
সুমি বলেঃ আরে বেশি চিন্তা করিস।হয়তো বেজি।
জান্নাত বলেঃ সবাই কি এসে পড়েছে?
সুমি বলেঃ হা সবাই আসছে।
জান্নাত বলেঃ সবাই?
আ আ,,,,,আর মুগ্ধ আসছে?
সুমি বলেঃ তোর কি মনে হয় সে আসবে?
যা কষ্ট পাবে সে আজ।তোই কি বুঝবি ভালোবাসার মানুষ টা কে অন্য জনের সাথে দেখলে কতটা যে কষ্ট লাগে। বাদ দে চল।
পার্লার থেকে বেরিয়ে আসে। রহমান জিন বলেঃ বাহ আমার শালি কে তো মাশাল্লাহ অনেক সুন্দর লাগছে। ইশ আজ কতো জন যে কান্না করবে।আফটার এল তাদের ক্রাশ আজ অন্য জনের হয়ে যাবে সারাজীবন এর জন্য।
জান্নাত বলেঃ জিজু একটু বেশি হয়ে গেছে না?
সুমি বলেঃ হয়ছে আর ঝগড়া না। চলো এবার।দেরি হয়ে যাবে।
সুমি,জান্নাত, রহমান বাসায় ফিরে আসে। জান্নাত বাসায় প্রবেশ করতেই হইচই শুরু হয়ে গেছে। বউ এসেছে, বউ এসেছে বলে।
জান্নাত কে স্টেজের মধ্যে বসানো হলো।
রহমান এর সাথে ইনতিয়াজ এর মা বাবা ভালো ভাবে কথা বলেছেন। রহমান ও তাদের সম্মান করেছে।তবে রহমান ভুলে ও রিনির সামনে পড়ছে না।
একটু পর, বর এসেছে, বর এসেছে বলে সবাই চিৎকার দিচ্ছে। জান্নাত কে একা রেখে সবাই বর দেখতে গেছে। জান্নাত এর খারাপ লাগছে, মুগ্ধ আসেনি তাই।
জান্নাত বলেঃ এসব ভেবে লাভ নেই।সে হয়তো বেজি তাই আসেনি।হুহ।
সবাই জান্নাত এর দিকে আসছে বর সহ।জান্নাত এতোক্ষণ মাথা নিচু করে বসে ছিলো।জান্নাত চোখ জোড়া তোলে দেখে, যা দেখে নিজের চোখকে সে বিশ্বাস করতে পারছে না।
জান্নাত বলেঃ কেমনে সম্ভব?
আমি মেয়াদ উত্তীর্ণ কিছু খাইছি নাকি?
যে ভুল দেখতে পাচ্ছি!!!
জান্নাত আবার বলেঃ মুগ্ধ বর সেজে কেনো?
আমার সাথে আজ কার engagement?
বর এসে জান্নাত এর পাশে বসেছে।জান্নাত বর এর কানে কানে বলেঃ আ,,,,আপনি আজ দেখতে আমার একজন পরিচিত এর মতো লাগছেন?
কিন্তু আমি আপনাকে এর আগে ২,১ বার দেখেছি।আপনি দেখতে তো এমন ছিলেন না?
পাশ ফিরে, কানে কানে বর বলেঃ ঠিক কার মতো লাগছে?
জান্নাত এর পুরো শরীর কাঁপুনি দিয়ে উঠে। কারণ এর কন্ঠ ও মুগ্ধের।জান্নাত বুঝতে পারছে না,হচ্ছে টা কি।
জান্নাত আবার কানে কানে বলেঃ মু,,,মু,,,মুগ্ধ আ,,,,আপনি?
মুগ্ধ বলেঃ এতো সহজে তো ছাড়চি না।বলেছি না,জান্নাত শুধু আমার। দিন শেষে সে আমারই হবে।আল্লাহ পাক কাউকে ফিরিয়ে দেয় না।তিনি তো দোয়া কবুল করে,তবে সাথে সাথে ফল দেয় না।কিন্তু যখন ফলাফল দেয় তখন সবাই কে তাক লাগিয়ে দেয়।
জান্নাত বলেঃ কেমনে কি?
মনে হচ্ছে, স্বপ্ন দেখছি।
মুগ্ধ বলেঃ চুপ করো যা হচ্ছে তা দেখো।আগে বউ বানিয়ে নি।তারপর সব বুঝিয়ে দিবো।সাথে সব হিসাব ও টোটাল করে নিবো।সুদে আসলে সব ওসোল করবো।
আর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকো।হাসি দাও।না হয় ছবি সুন্দর হবে না। তখন তো আবার আমাকে দোষ দিবে।
জান্নাত যেনো কোন এক গোরের মধ্যে আছে। সবাই ছবি তুলছে।অনেক মেয়ে বলছে, ইস কি কিউট বর?
এতো হ্যান্ডসাম কেন?
তার উপর নাকি ডাক্তার সাহেব?
ইস আমি যদি পারতাম জান্নাত আপুর জায়গায় বসে যেতাম।
জান্নাত এর রাগ হচ্ছে। জান্নাত মনে মনে বলছে, শালী আয় না আয় বস আমার জায়গায়। নে নিয়ে নে আমার জামাই।
গুন্ডি কোথাকার আমার হবু বরের দিকে নজর দিচ্ছিস।চোখ গুলো ওস্টাই দিবো।।।
মুগ্ধ মিটিমিটি হেসে দিচ্ছে মেয়ে দের কথা শুনে। একটু পর,জান্নাত এর মা আংটি নিয়ে আসে।সাথে মুগ্ধের মা ও।
জান্নাত ও মুগ্ধের আংটি বদল হয়ে গেছে। জান্নাত এর মা মুগ্ধের মা কে বলেঃ বেয়াইন, আমার মেয়ে কে আপনার হাতে তোলে দিলাম।একটু দেখে রাখবেন।
মুগ্ধের মা বলেঃ আপনি কোন চিন্তা করবেন না।আপনার মেয়ে রাজরানি হয়ে থাকবে।আমি তো বউ নিচ্ছি না।আমি একটা মা নিয়ে যাচ্ছি। যে আমারা দুজন বুড়ো বুড়ী কে দেখে রাখবে।
জান্নাত এর বাবা ও মুগ্ধের বাবার হাতে জান্নাত এর হাত দিয়ে বলেঃ আমার কলিজা কে আপনার কাছে দিচ্ছি। কখনো রাগ করে হাত ও তুলিনি। আমার থেকে আমার মেয়ে কে খুব কম দূরে থাকতে দিয়েছি।দেখে রাখবেন আমার পাগল মেয়ে টা কে।
মুগ্ধের বাবা বলেঃআপনি কোন চিন্তা করবেন না। এমন ভালো মেয়ে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।
জান্নাত এর চোখ জোড়া অশ্রুতে টলটল করছে। মুগ্ধ বলেঃ অনেক টাকা দিয়ে মেকাপ করলে।কান্না করলে সব ভেসে যাবে।
জান্নাত কান্না করতে গিয়ে ও কান্না করতে পারে নি।আংটি বদল শেষে সবাই যে যার মতো ছবি তুলছে।জান্নাত ও মুগ্ধ বসে আছে।
রিনি অনেক খুশি হয়েছে।কারণ তার খুব ভালো লাগে মুগ্ধ আঙ্কেল কে।অবশেষে তাদের পরিণতি সুন্দর হয়েছে। তবে একটু মন খারাপ ও।কারণ, ইনতিয়াজ এর সাথে কথা ও দেখা হচ্ছে না অনেক দিন।
তখনই,রিনি দেখে বেশ কিছু মেয়ে, কি জানি দেখছে?
রিনি গিয়ে দেখে ইনতিয়াজ আসছে।আর মেয়ে রা হ্যাংলার মতো তাকিয়ে আছে। রিনি মনে বলছেঃ দরকার কি ছিলো?
এতো গেটআপ নিয়ে আসার?
ওফ মেয়ে গুলো তো এখন পারলে খাই ফেলবে?
আজিব।গুন্ডিরা কি কখনো ছেলে দেখেনি।ফাজিল এর দল।
ইনতিয়াজ প্রবেশ করে, জান্নাত ও মুগ্ধ কে,শুভেচ্ছা জানালো।তারপর, ইনতিয়াজ রানি লোভার কাছে চলে গেল। লোভা বলেঃ তা দেরি করছিস কেন?
আমি মনে করেছি তোই আসবি না.
রিনি ও এসেছে।
ইনতিয়াজ বলেঃ কেনো আসতাম না।তোমরা সবাই আসছো না।
আচ্ছা মা আমি সাইডে আছি।তোমরা গল্প করো।
শাম্মি অনেক কষ্ট করে, রানি লোভার চোখ ফাঁকি দিয়ে হাবিবের কাছে এসেছে। হাবিব ও শাম্মি দাড়িয়ে আছে।
হাবিব বলেঃ আজ মা আমাদের বিষয়ে কথা বলবে।আমার অনেক ভালো লাগছে। তাছাড়া জান্নাত এর জন্য ও অনেক খুশি।
শাম্মি বলেঃ আসলে সত্যি কারে যে যাকে চাই তাকেই পায়।আর আল্লাহ পাক মুগ্ধের দোয়া কবুল করেছে। সত্যি আমি ও অনেক খুশি।
হাবিব লক্ষ্য করছে, একটা ছেলে আড়ালে, আড় চোখে শাম্মির দিকে তাকিয়ে আছে। হাবিব বারবার ছেলে টা দিক দিয়ে তাকাচ্ছে সে দিকে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে।
হাবিব বলেঃ আচ্ছা শাম্মি এতো সুন্দর করে সেজে আসলে কেন?
অনেকে তো লাইন মারতে চাইবে।
শাম্মি বলেঃ বাহ রে কই বেশি সাজলাম।
এই বলে,শাম্মি তার পার্স এর মধ্যে হাত দেয়। দেখে, ২ টা চকলেট একটা চিরকুট।
হাবিব বলেঃ বাহ আমার কমপেটিটর চলে আসছে।তাই বলছি আজ একটু বেশি সুন্দর লাগছে। এখন কি হবে?
শাম্মি বলেঃ বাহ রে নিজে কি একদম ড্রেস আপ না করে আসছেন নাকি?
হাবিব বলেঃ হয়ছে আর বলতে হবে না।সত্যি হলুদ ড্রেসে তোমাকে অসাধারণ লাগছে। আবার প্রেমে পড়ে যাচ্ছি কিন্তু।
আচ্ছা চিরকুট এ কি দিয়েছে?
শাম্মি বলেঃ এইটা তো দেখছি একটা নাম্বার আর লিখেছে,
"রাজ্যে সব মায়া আছে এই মুখে।
আপন করতে চাই মায়াবতি কে।
হবে কি আমার???
হাবিব বলেঃ শালা কে পাইলে হবে।জিন্দা কবর দিবো।হুহহহহহহ।
আমার শাম্মির দিকে নজর দেয়। সাহস তো কম না।
শাম্মি বলেঃ হি হি হি,,,,,হি হি।
যাহ।একটু বেশি বলে ফেলছেন।চলেন যায়। কি কথা বলছে আম্মু, আব্বু এবং আপনার আম্মু শুনি গা।
দুজন চলে গেল।
জান্নাত এর মা অনেক খুশি।সবার চোখের আড়ালে, জান্নাত এর মা, সুমি কে ডাক দিলো।
জান্নাত এর মা বলেঃ সুমি এতো অল্প সময়ের মধ্যে এতো ভালো ছেলে এবং পরিবার কই পেলে?
সুমি বলেঃ আন্টি ছেলে টা জান্নাত কে অনেক ভালোবাসে।কিন্তু জান্নাত আপনাদের পছন্দ কে মূল্যায়র করেছে।তাই ছেলে টার প্রস্তাবে রাজি হয়নি।ছেলে টা জান্নাত বলতে পাগল প্রায়।
তাছাড়া,
আমি ব্যাক্তিগত ভাবে ওনাকে চিনতাম অনেক ভালো মানুষ এবং তাদের পরিবার ও ভালো।
সুমি ইচ্ছে করে, মুগ্ধ যে জিন পরী তা বলেনি
বলার দরকার ই নেই।কারণ মুগ্ধের পরিবার পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত।
জান্নাত এর মা বলেঃ সত্যি আমার মেয়ে প্রতি আমার অহংকার হয়।আমার মেয়ে আমার গর্ব।তাছাড়া, সুমি তুমি ওর সাথে ছায়ার মতো ছিলে।ভালো, খারাপ বুঝাতে। সত্যি আমি খুব লাকি তোমার মতো যে আরেক টা মেয়ে পেয়ে।এমন ভালো বান্ধুবী হয়তো খুঁজে পাওয়া যায় না।
সুমি বলেঃ জান্নাত এর সাথে হয়তো রক্তের সম্পর্ক নেই।তবে আত্মার সম্পর্ক রয়েছে আমাদের। ও আমার বোনের চেয়ে বেশি।
জান্নাত এর মা বলেঃ অনেক ধন্যবাদ মা।আমাকে বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য।
সুমি বলেঃ হ'য়েছে আন্টি ধন্যবাদ কেনো দিচ্ছেন।আমি আমার বোনের জন্য এমন করেছি।তাছাড়া মা কি কখনো মেয়ে কে ধন্যবাদ দেয়?
জান্নাত এর মা বলেঃ আরে পাগলি।বুকে আই আর ধন্যবাদ দিবো না।
সুমি জান্নাত এর মা কে জড়িয়ে ধরেছে।
সুমি বলেঃ চলেন। ওই দিকে যায়। কার কি লাগে না লাগে দেখি।
রিনি দাঁড়িয়ে আছে জান্নাত এর রুমের বেলকনিতে। রিনির বড্ড রাগ হচ্ছিলো।কারণ মেয়ে গুলো কে না কিছু করতে পারছিলো না কিছু বলতে পারছিলো।
রিনি বলেঃ প্রোগ্রাম বাসায় আয়োজন করে ভালো করেছে।ক্লাবে হলে তো একান্ত কোথাও গিয়ে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকতে পারতাম না।
হঠাৎ করে, রিনির কোমরে স্পর্শ করছে কেউ।রিনি চমকে উঠে।
রিনি বলেঃ কে?
রিনি পিছনে ফিরে দেখে, ইনতিয়াজ মাহমুদ( প্রিন্স) ।
রিনি বলেঃ স্যার আপনি?
আর স্যার আমার কোমরের মধ্যে হাত দিলেন কেন?
ইনতিয়াজ বলেঃ আমাকে স্যার বলছো কেন?
ভার্সিটি তে বলিও এখানে না?
রিনি বলেঃ তা কি বলবো আপনাকে?
আর আপনি আমার কে হন?
ইনতিয়াজ রিনি টান দিয়ে কাছে নিয়ে আসে।রিনির চুলের মধ্যে মুখ ডুবিয়ে দিল।
ইনতিয়াজ বলেঃ বাহ রে?
আমি কে জানো না নাকি?
রিনি কি আর বলবে, হঠাৎ ইনতিয়াজ এর এমন কাছে টানা তে শিউরে ওঠেছে রিনি।
রিনি বলেঃ আ,,,,,, আপনি?
আমার স্যার ওকে।আর কিছু না!!!!
চলবে.....
তারপর বলো প্রিয় মানুষ টা কখনো এমন জেলাস ফিল করছিলো???
কেমন্ট করে বলো!!!!
[গল্প কেমন হচ্ছে কমেন্ট করে বলেন প্লিজ ]
(বানান ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!