রাত যখন গভীর Season:02 Part :46

 #রাত যখন গভীর 

#জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া 

#(jannatul mawa moho)

Season:02

Part :46

************
রাত যখন গভীর Season:02 Part :46
রাত যখন গভীর Season:02 Part :46


কামার বলেঃ কি রে?
কি খবর তোর?
বিয়ে করে ভুলে গেলি নাকি?
জান্নাত বলেঃআরে ভুলতে যাবো কেনো!
তোদের আবার ভুলে যাওয়া যায় নাকি।
কি করিস?
কামাল বলেঃ রিনির বাগানে একটু কাজ করছিলাম।রিনির বাগানে হরেক রকমের ফুল গাছ আছে। অনেক ফুল ও ফুটেছে।
জান্নাত বলেঃ বাহ এতো ভালো কাজ। একটা কথা ছিলো।
কামাল বলেঃ বল,কি বলবি?
জান্নাত বলেঃ আসলে,আমি রিনির বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে চাই ছিলাম।
কামাল বলেঃ ভালো পাত্র হলে,দিয়ে দিবো।এতে আর কি।
মেয়ে তো সারাজীবনের জন্য চাইলে ও রেখে দেয়া যায় না।
জান্নাত বলেঃ আসলে,রিনি ও প্রিন্স কে ভালোবাসে।আমার মনে হয়, তাদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া টা ঠিক হবে।
কি বলিস?
কামাল বলেঃ মাশাল্লাহ, এটা তো ভালো খবর।আচ্ছা আমি দেখছি কি করা যায়। তবে আমার দ্বিমত নেই। তাছাড়া, রাবেয়া ও রাজি থাকবে।
জান্নাত বলেঃ আলহামদুলিল্লাহ। আচ্ছা রাখছি।
মুগ্ধ এসে পড়েছে। জান্নাত ও মুগ্ধ ঘুরতে চলে গেল। সুমি অনেক্ক্ষণ ধরে কেক বানানোর চেষ্টা করছে। সুমির রান্নার হাত তেমন ভালো না।শুধু চা টা বেশ ভালো ভাবে বানাতে পারে।রহমান আসে রান্না ঘরে।
রহমান বলেঃ রান্না ঘরে কি তোফান আসছিলো নাকি?
একি অবস্থা হায় আল্লাহ। আর নিজের কি হাল বানালে?
সুমি বলেঃ তোফান কেন আসবে।কই ততো বেশি এলোমেলো হয়নি।আমি কেক বানানোর চেষ্টা করছি।কিন্তু পারছি না।
রহমান বলেঃ আহা রে আমার বউ টা।
রহমান সুমির পিছনে দাড়িয়ে আছে। রহমান আস্তে করে সুমির হাতের উপর নিজের হাত রাখে।দুজন মিলে ময়দা বেকিং করছে।তখনই, সুমির মনে দুষ্টামি খেলে গেল।
সুমি মনে মনে বলেঃ আমার মুখে তো ময়দা পড়ে নিজে কে কেক মনে হচ্ছে। কিন্তু আমার উনি কতো সুন্দর করে আমার হাত ধরে কাজ করে যাচ্ছে। দাড়াও দেখাচ্ছি মজা।
এই বলে, সুমি কিছু ময়দা রহমানের গালে লাগিয়ে দেয়। রহমান বলেঃ বাহ রে এটা কি হলো।
রহমান ও আরও কিছু ময়দা নিয়ে সুমির দিকে এগিয়ে আসছে। সুমি ভু দৌড় দিল। পিছু নিলো রহমান ও।রান্না ঘরে ভুলে সুমি তেল ফেলে ছিলো।সেই তেলের মধ্যে সুমি পা পিছলা খেয়ে পড়ে যাচ্ছি লো।সাথে সাথে রহমান ধরে টান দেয়। আস্তে করে সুমির গালে সব ময়দা লাগিয়ে দেয়। কিছু টা সুমির কোমরে।
সুমি বলেঃ আমি তাইতো একদম শাড়ি পড়তে চাই না।শাড়ী একটা ঝামেলার জিনিস হুহ।
রহমান বলেঃ শাড়ী আসলেই ঝামেলার।তবে বিয়ের পর, শাড়ী পড়ার এবং খোলাখুলির ঝামেলাতে পড়তে হয়।
সুমি বলেঃ অসভ্য। চলেন বাকী কাজটা সম্পূর্ণ করি।
রিনি ছাদের এক কোণায় বসে আছে। এই জায়গায় ইনতিয়াজ আসে। তাদের দেখা হয় প্রতিদিন কথা ও হয়।ইনতিয়াজ এসেছে।
ইনতিয়াজ বলেঃ কেমন আছো?
রিনি বলেঃ হুম ভালো।
ইনতিয়াজ বলেঃ মন খারাপ নাকি?
রিনি বলেঃ একটু চিন্তিত।
ইনতিয়াজ বলেঃ এতো চিন্তা করে কি হবে বলো তো?
শুধু শুধু চোখের নিচে কালো হয়ে যাবে।তাছাড়া, চিন্তা এমন এক জিনিস চাইলেই বন্ধ করা যায় না।তাই চিন্তা না করাই ভালো।
আর জানো তো,এই চিন্তা না একদম রেলগাড়ীর মতো। ইঞ্জিন বন্ধ করলে ও রেলগাড়ী চলতেই থাকে। তেমনই চিন্তা একবার করা শুরু করলেই চলতেই থাকবে।
রিনি বলেঃ আসলেই, যাক আর চিন্তা করতাম না।তা আজ কি আনলেন?
আমার জন্য ফুল কই?
ইনতিয়াজ বলেঃ ফুল তো আনিনি এখন কি হবে?
রিনি বলেঃ তাহলে কথা ই নাই।চলে যান এব্বে।
ইনতিয়াজ বলেঃ বাব্বাহ মেয়ে দেখি অভিমান ও করে।তোমার জন্য ফুল আনিনি তা ঠিক। একদম ফুল গাছ নিয়ে এসেছি।
রিনি বলেঃ সত্যি কই।
ইনতিয়াজ আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। রিনি অনেক খুশি হয়ে গেছে।
এভাবে দিনের পর দিন কেটে যাচ্ছে সবাই যার যার জীবন নিয়ে খুশি।
অনেক দিন পর, সবাই আবার একত্রিত হতে চলছে। কেননা আজ শাম্মি ও হাবিবের গায়ে হলুদ।
হাবিব অনেক খুশি। আজ তার গায়ে হলুদ। জান্নাত, মুগ্ধ, রাবেয়া, কামাল,অর্ক,লাবু,রাহাত, রেশমি,রিনি,সুমি,রহমান সবাই উপস্থিত হয়েছে।ইনতিয়াজ আসে নি।কারণ, তাদের রাজ্যে শাম্মির গায়ে হলুদ হচ্ছে। অনেক কাজ।অবশ্য কাজ হওয়ার ই কথা। রাজা ও রানী লোভার একমাত্র কণ্যা এবং প্রিন্স এর এক মাত্র বোন বলে কথা।
জান্নাত বলেঃ আজ আমরা হাবিব কে হলুদের মাঝে নাকানি চুবানি খাওয়াবো।হি হিিিি।
সুমি বলেঃ আবে বেচারা কে এতো কষ্ট কেন দিবি।
রহমান বলেঃ শাদি কা লাড্ডু যে কত মজা তা বুঝতে হবে তো তার।হা হা হা।
হাবিবের মা বলেঃ তোমাদের যা মন চাই করো।আমার পক্ষ থেকে কোন বাঁধা নিষেধ নেই।তোমরা সবাই খুশি হলে আমি খুশি।
রিনি বলেঃ তাহলে আজ পার্টি হবে।হিপ হিপ হোররে।
রাতে হাবিবের হলুদ লাগিয়ে অবস্থা কাহিল করে দেয়। যে যার মতো ইচ্ছে সুখে হলুদ লাগিয়ে দেয়।
মুগ্ধ বলেঃ দেখি দেখি,হাবিব এদিকে আসো বলে।
পালিয়ে গেলো, হাবিব ও মুগ্ধ । আরও কিছুক্ষণ থাকলে,হাবিব কে হলুদ এর ভিতর চুবিয়ে দিতো সবাই।
মেয়েরা সবাই বসে আছে। ছেলে রা অন্য দিকে সবাই বসে আড্ডা দিচ্ছিলো।মেয়েরা বলছে,
কাল তাদের কি জানি প্লেন আছে। তবে,এই প্লেন টা কাজ করলে,হাবিব এর কাছ থেকে টাকা বের করতে পারবে।তবে,যদি শাম্মি সহযোগিতা করে আরকি।
রিনি বলেঃ আমি শাম্মি কে কাল বউ সাজানোর সময় বলে দিবো।কাজ হবে।ইনশাআল্লাহ। কালকে হাবিব মামা কে ফতুর করে ছাড়বো। হা হা হা......হা।
সবাই আড্ডা দিচ্ছে যে যার মতো। খাওয়া, দাওয়া হচ্ছে প্রচুর। এভাবে অনেক সময় পার হয়ে গেছে। রাত গভীর হতেই সবাই যে যার মতো ঘুমিয়ে পড়লো। হাবিবের অবস্থা একদম কাহিল।বেচারা অনেক ক্লান্ত। তাছাড়া পাশের বাসার পিচ্চি ও কম প্যারা দেয় নি।
হাবিব ফ্রেশ হয়ে বিছানার কাছে চলে গেল। হাবিব বিছানা তে গাঁ এলিয়ে দেয়। হাবিব গাঁ এলিয়ে দিতেই রাজ্যের ঘুম তার চোখে এসে পড়েছে। হাবিব গভীর ঘুমে মগ্ন হয়ে গেছে।
অন্য দিকে, শাম্মি আজ অনেক খুশি। তার স্বপ্ন সত্যি হচ্ছে। আজ তার গায়ে হলুদ।জীন রাজ্যের সব জায়গায় ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। জীনদেন ফুল এর সুঘ্রাণ অনেক পছন্দ।
শাম্মির অনুষ্ঠানের জন্য হরেক রকম ফুল এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। শাম্মি কে তার মা রানী লোভা নিজ হাতে সাজিয়ে দিচ্ছে। শাম্মির পরনে কাঁচা হলদে শাড়ি। বাঙালি রমনীদের মতন করে শাড়ী পড়িয়েছে শাম্মিকে।হাতে হরেক রকম ফুল দিয়ে বানানো হাতের চুড়ি। সাথে আছে হাত ভর্তি কাচের চুড়ি। শাম্মির চুল গুলো বিনি করে সামনে এক পাশে এনে দিয়েছে। চুলের মধ্যে ফুল গুজিয়ে দিছে।মাথাতে হালকা হলুদ রঙের একটা ওড়না,
দিয়ে হালকা করে গুমটা দিয়েছে শাম্মি কে।সাথে
গলায় ও কানে সবুজ রঙের হালকা জুয়েলারি।
শাম্মি কে সাজানো শেষ। শাম্মির মা তার সামনে মেয়ে কে দাঁড়িয়ে রাখে।রানী লোভা দু চোখ ভরে মেয়ে কে দেখছে।
রানী লোভা বলেঃ আমার মেয়ে কে এতো টা সুন্দর লাগছে যে বলে বুঝাতে পারবো না।শাম্মি তোর জন্য তারিফ করতে শব্দের সংকট হচ্ছে। আমার মেয়ে টার যেনো নজর না লাগে।
শাম্মি বলেঃ মা,তোমার জন্য আমি ই পৃথিবীর সেরা সুন্দরী। মা আমি একটা কথা বলি?
রাগ করবে না তো?
রানী লোভা বলেঃ আরে রাগ কেনো করবো।আমার মেয়ের উপর কি আমি রাগ করতে পারি নাকি।বল কি কথা?
শাম্মি বলেঃ মা,তোমার রিনি কে কেমন লাগে?
রানী লোভা বলেঃ সত্যি করে বলবো?
শাম্মি বলেঃ সত্যি টাই শুনতে চাই।
রানী লোভা বলেঃ
যখন প্রিন্স কে শাস্তি দেয়া হয়।তখন আমার অনেক রাগ হয়ে ছিলো রিনির উপর। ইচ্ছে করছিলো রিনি কে আমি মেরে ফেলবো।কিন্তু পরে,তোর আর তোর বাবা আমাকে যে কথা গুলো বলেছিলি।আমি নিজের ভুল বুঝতে পারি।
আমার ছেলের ই দোষ ছিলো।তাই সে শাস্তি পেয়েছে।
শাম্মি বলেঃ তাহলে মা এখন কেমন লাগে?
রানী লোভা বলেঃ অসম্ভব ভালো ও মিষ্টি মেয়ে। সবার খেয়াল রাখে।আমার ছেলের পছন্দ আছে। খাঁটি হীরা হচ্ছে রিনি।আমার ছেলে এই রাজ্যের জীন অপসরী ফেলে এমনি এমনি তো আর ওর জন্য পাগল হয়নি।
শাম্মি বলেঃ তাহলে মা,কাল আমার বিদায় এর আগে তাদের দুজন কে একটা সারপ্রাইজ দিতে চাই আমি।
তুমি কি সাহায্য করবে?
ভাই কে একদম বলা যাবে না।
রানী লোভা বলেঃ আমার কোন আপত্তি নেই। তাছাড়া, রাজা রশীদ এর আপত্তি থাকবে না।
আমি সাহায্য করবো।এবার চল তোর অনুষ্ঠানের জন্য দেরি হচ্ছে।
শাম্মি কে জীন রাজ্যের সবাই দেখতে এসেছে। অবশ্য দেখতে আসারই কথা জীন রাজকন্যার অনুষ্ঠান বলে কথা। শাম্মি কে একে একে সবাই হলুদ লাগিয়ে দেয়। শাম্মি অনেক আনন্দ করেছে।
শাম্মির অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেছে ফজরের আযান এর আগে। শাম্মি তাড়াতাড়ি হাবিবের রুমে চলে গেল চোখের পলকে।
শাম্মি হাবিবের গায়ে হাত স্পর্শ করতেই,হাবিব জেগে ওঠে।
হাবিব বলেঃ বাহ,আমার হানি কে তো ভয়ংকর সুন্দর লাগছে।ওফ।
মাশাল্লাহ।
শাম্মি বলেঃ তাই।তোমাকে দেখানোর জন্য চলে আসলাম।
এখন উঠ ফ্রেশ হয়ে যাও।দুজন মিলে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করবো।
হাবিব তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে গেছে। শাম্মি ও
ফ্রেশ হয়ে গেছে।দুজন মিলে তাহাজ্জুদ নামাজ টা পড়ে নেই।
শাম্মি বলেঃ আজ অনেক খুশি আমি। কাল থেকে এই ঘরে আমরা দুজন থাকবো।
হাবিব বলেঃ ইনশাআল্লাহ।
শাম্মি নামাজ পড়ে নিজের রাজ্যে ফিরে আসে। একটু পর, ফজরের আযান দেয়। শাম্মি নামাজ পড়ে আল্লাহ পাক এর দরবারে শুকরিয়া আদায় করলো। অন্য দিকে, হাবিব ও ফজরের নামাজ পড়ে আল্লাহ পাক এর দরবারে শুকরিয়া জানালো।হাবিব নামাজ শেষ করে ঘুমিয়ে পড়লো।
শাম্মি নামাজ শেষ করে নিজের রুমে বসে আছে। প্রিন্স প্রবেশ করে।
শাম্মি বলেঃ ভাই নামাজ পড়া হয়েছে?
প্রিন্স বলেঃ হা।
দুজন চুপচাপ হয়ে গেছে।
প্রিন্স বলেঃ তাহলে কাল আমাকে একা করে চলে যাবি?
মিস করবি আমাকে?
তোকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া খুব মিস করবো।
তোর দুষ্টামি গুলো আমার আরও বেশি মনে পড়বে।তোই জন্য ঘরটা আলোকিত থাকতো। তোই সবাই রেখে থাকতে পারবি তো?
শাম্মি বলেঃ ভাই এবাবে বলিও না।তুমি এমন বললে আমি কেমনে থাকতে পারবো।
ভাই তোমার সাথে যদি কোন খারাপ আচরণ করে থাকি মাপ করে দিও।
ভাই তুমি আমার কাছের বন্ধু ছিলে।আমার ও তোমাদের ছাড়া ভালো লাগবে না।
প্রিন্স বলেঃআমার বোন যে কখন এতো বড় হয়ে গেছে বুঝতে পারিনি।
আমার বোনের কাছে অন্যের ঘর আলোকিত করার দায়িত্ব এসে পড়েছে। আমার সাথে এমন কিছু করস নি যে তোর মাপ চাইতে হবে।
শাম্মি বলেঃ ভাই তোমাকে একটু জড়িয়ে ধরতে চাই!
সাথে সাথে প্রিন্স শাম্মি কে জড়িয়ে ধরে। দুজন এর চোখের জল গড়িয়ে পড়ছে।এই যেনো ভাই বোনের কান্নার উৎসব।
প্রিন্স বলেঃ একটু রেস্ট করে নে।সব সময় হাসি মুখে রাখবি।হাবিব যদি কখনো বকা দেয় আমাকে বিচার দিবি।
শাম্মির চোখে অশ্রু, মুখে হাসি।
শাম্মি বলেঃ আচ্ছা ভাই 😊
সকাল থেকে আয়োজন শুরু হয়ে গেছে। শাম্মি ও হাবিব কে জীন রাজ্যের মধ্যে একটা বড় হজুর এর কাছ থেকে বিয়ে পড়ানো হয়ে গেছে। হাবিব কে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেয়।
শাম্মির জন্য দু জায়গায় বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। ১,তাদের জীন রাজ্যে
২,পৃথিবীতে।
কারণ, পৃথিবীর মানুষদের সামনে শাম্মি একজন সাধারণ মানুষ। তাই দু জায়গায় আয়োজন করেছে।
শাম্মি কে শাম্মির শাশুড়ী একটা অনুরোধ করে ছিলো।
তার অনুরোধ ছিলো,তিনি নিজ হাতে নিজের পুত্র বধু কে তৈরি করবেন।শাম্মির মা বাবা বারণ করেন নি।
তাই শাম্মি এখন বসে আছে শাশুড়ির রুমে। অবশ্য, সাথে রিনি,সুমি,জান্নাত ও থাকবে।হাবিবের মা কে সাহায্য করতে। শাম্মি অপেক্ষা করছে তাদের জন্য। কিন্তু,
হঠাৎ করে,
চলবে....
[গল্প কেমন হচ্ছে কমেন্ট করে বলেন প্লিজ ]
(বানান ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!