রাত যখন গভীর Season:02 Part :49

রাত যখন গভীর 
#জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া 
#(jannatul mawa moho)
Season:02
Part :49
************

গল্পগুলো ভালোবাসার

গল্পগুলো ভালোবাসার 



কামাল বলেঃ ঘুমন্ত অবস্থায় আরও পিচ্চি লাগছে রিনি মা।কিন্তু তোই তো দুনিয়ায় চোখে পিচ্চি নেই।হুহ কাল তোকে বিদায় দিতে হবে।
তখনই, কামাল হাউমাউ করে কান্না করে উঠে। নিজের পিচ্চি মেয়ে টা কখন যে বিয়ের যোগ্য হয়ে গেছে কামাল নিজে ও বুঝতে পারে নি।কামাল কান্না করতে করতে রিনির বিছানার পাশে লুটিয়ে পড়লো। অঝোর ধারায় কান্না করছে। খুব কষ্ট হচ্ছে কামালের। 
 হঠাৎ কামাল তার কাঁধে কারুর স্পর্শ অনুভব করল। কামাল কিছু টা চমকে উঠে।কারণ সবাই তো ঘুমিয়ে পড়লো। কে হতে পারে!!! 
কামাল বলেঃ কে?
কামাল পিছনে ফিরে দেখে, রাবেয়া ঘুম থেকে উঠে গেছে। রাবেয়া করুন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে কামালের দিকে। 
রাবেয়া বলেঃ কামাল এটাই নিয়ম।আমার যেমন আমার মা বাবা কে ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে। ঠিক তেমনই আমার মেয়ে টার ও আমাদের ছেড়ে যেতে হবে। তুমি এভাবে ভেঙ্গে পড়লে কেমনে হবে? 
তুমি তো তোমার মেয়ের শক্তি। কাল যদি ও তোমার চোখে এক ফোটা অশ্রু দেখে তাহলে রিনি নিজেকে সামলাতে পারবে না।সামলা ও নিজেকে। 
কামাল বলেঃ রাবেয়া, মনটা যে মানছে না।নিজের পিচ্চি মেয়ে টার জন্য ঘরটা আলোকিত ছিলো। তাকে ছাড়া ঘর টা সম্পূর্ণ ফাঁকা হয়ে যাবে।কেমনে থাকবো আমরা?
কেনো ও বড় হয়ে গেছে? 
সেই পিচ্চি পাকনা বুড়ী হয়ে থাকতে পারেনি?
কতো যে পাকনা পাকনা কথা বলতো।
রাবেয়া বলেঃ কামাল,আমরা অভ্যস্ত হয়ে যাবো।মেয়ে মানুষ কে চাইলে ও ঘরে রাখা যায় না।কোন এক সময় ঠিকই তার পাড়ি জমিয়ে নিতে হয় শ্বশুর বাড়ি উদ্দেশ্যে।
সময় তো থেকে থাকে না।
মানুষ তো সময়ের সাথে সাথে শারীরিক ও মানসিক ভাবে বেড়ে উঠে। হুহ এটাই নিয়তি। 
কামাল বলেঃ হুহ বুঝতে পারছি সব।নিজেকে সামলে নিবো। তবে সময় লাগবে। 
কেমন যেনো অসহায় লাগছে নিজেকে।  
মেয়ের বাবা হয়ে, নিজের কলিজার ধন কাউকে দিয়ে দেয়া কতো কষ্টের তা শুধু। আমার মতো মেয়ের বাবা রাই জানে।
সাথে অনুভব ও করতে পারে। 
রাবেয়া বলেঃ আমি সবসময় তোমার পাশে আছি।ভেঙে পড়ো না।
আমরা ঠিক এই কষ্টের সময় টা সামলে নিবো। 
কামাল বলেঃ ইনশাআল্লাহ। 
রাবেয়া বলেঃ ঘুমিয়ে পড়ি।কাল কে যে রেস্ট নেয়ার পুরসত পাবে না।
কামাল বলেঃ আচ্ছা চলো।তবে কিছু একটা বাকী আছে। 
কামাল রাবেয়ার হাত ধরে রিনি কপালের কাছাকাছি যায়। দুজন এক পলক তাকিয়ে ছিলো রিনির দিকে। 
অতঃপর, 
রাবেয়া ও কামাল রিনির কপালে একটা একটা করে চুমু দেয়। রিনির ঘুমন্ত মুখ টা খুব হাসিখুশি লাগছে। রাবেয়া ও কামাল সকাল থেকে অনেক ব্যাস্ত।অনেক মেহমান চলে আসে। 
খাবার, মেহমান দের আপ্যায়ন।কতো শত যে ব্যাস্ততা।জান্নাত,সুমি,ঐশী মিলে রিনি কে সাজিয়ে দিচ্ছে। রিনি আজ লাল রঙের শাড়ি পড়েছে। গাঁ ভর্তি জুয়েলারি। খুব সুন্দর একটা সাজ।মাথার চুল গুলো খোপা করে দেয়। বেশ মানিয়েছে।
জান্নাত বলেঃ মাশাল্লাহ রিনি।অসাধারণ লাগছে। 
রিনি বলেঃ ধন্যবাদ। 
সুমি বলেঃ নাজার না লাগে। 
রিনি বলেঃ আচ্ছা, সুমি খালামণি তোমার ননদ তাসনিয়া কোথায়? 
সবাই তো এসেছে তোমার শ্বশুর বাড়ির।এবং বাকি দের আত্মীয় স্বজনরা তাদের ঘরের  অন্যান্য সদস্য রা।
কিন্তু তোমার ননদী কে তো দেখে নি।
সুমি বলেঃ রিনি,কেউ জানে না।তাসনিয়া কোথায়। সে নাকি কিছু সময় একা থাকতে চাই। তাই কেউ আর খোঁজ করে নি।
তাছাড়া সে জানবে ও না অবশ্য। 
তাই আসেনি।
রিনি বলেঃ আচ্ছা এই ব্যাপার তাহলে। 
ঐশী বলেঃ দোস্ত সেই লাগছে তোকে।
রিনি একটা মুচকি হাসি দেয়। 
অন্য দিকে, প্রিন্স ও পাঞ্জাবি পড়ে নেই। চুল গুলো জ্যাল দিয়ে ঠিক করেছে।ছাঁকছাক দাড়ি, চোখে সানগ্লাস, মাথা তে পাগড়ি বাহ বেশ হেন্ডসাম লাগছে। ইনতিয়াজ ও তার পরিবার গাড়ি নিয়ে রিনি ঘরের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। 
ইনতিয়াজ মাহমুদ রিনির ঘরে পৌঁছে গেল। সবাই মাহমুদ কে বরণ করে নেই। রিনি ও ইনতিয়াজ এর বিয়েতে অনেক মেহমান এসেছে। পিচ্চি অনেক খুশি। রিনি স্টেজের মধ্যে বসে আছে। রিনির পাশে ইনতিয়াজ মাহমুদ এসে বসে। জান্নাত, মুগ্ধ মেহমান সামলাতে সাহায্য করছে।হাবিব,শাম্মি, রহমান, সুমি মানুষ জনের খাবার দাবার এর বিষয় দেখছে। 
রিনি ও ইনতিয়াজ  বসে আছে। ইনতিয়াজ আস্তে করে রিনির কানে কানে 
বলেঃ মিস মাহমুদ আজকে কিন্তু ভয়াবহ লাগছে দেখতে!!! 
রিনি বলেঃ কিহ?
ইনতিয়াজ বলেঃ ভয়াবহ!!! 
রিনি বলেঃ খুব খারাপ লাগছে নাকি?
ইনতিয়াজ বলেঃ আমার বউ কে ভয়াবহ সুন্দর লাগছে। আমি চোখ ই সরাতেই পারছি না।
রিনি বলেঃআমি তো মনে করেছি খুব বাজে লাগছে। 
ইনতিয়াজ বলেঃ আমার রিনি আমার জন্য সবসময় সুন্দরী। তুমি সাজানো গোছানো না থাকলে ও তুমি সুন্দর। 
রিনি বলেঃহয়েছে হয়েছে আর বলতে হবে না। 
বেশ কিছু সময় পার হয়ে গেছে। ইনতিয়াজ হঠাৎ করে, হাটু গেরে বসে। একটা আংটি বের করে। সবাই চারপাশ ঘিরে চিৎকার করে দেয়। সবাই ভিডিও করছে।
হাবিব ও শাম্মি গোলাপের পাপড়ি ছোড়ে দেয়। সুমি ও রহমান গাদা ফুল ছড়িয়ে দিচ্ছে। জান্নাত ও মুগ্ধ একটা সুন্দর গান প্লে করে দেয়। 
রিনি দাঁড়িয়ে আছে। রিনি নিজের হাতটা এগিয়ে দেয় ইনতিয়াজ এর দিকে। ইনতিয়াজ খুব যত্ন করে হাতে আংটি পড়িয়ে দেই।এর পরপর ই,ইনতিয়াজ রিনির এক পা ধরে।ইনতিয়াজ এর হাটুর উপর রাখে।ইনতিয়াজ পকেট থেকে একটা নুপুর বের করে। সবাই তো অবাক রিনি যে এতো সারপ্রাইজ পাচ্ছে। 
অনেকে বলছে,ইস এমন রোমান্টিক বর যদি আমাদের হতো।ওফ।অনেক খুশি হতাম।ইসসসসসসসস।।।
ইনতিয়াজ, রিনির পায়ে নুপুর পড়িয়ে দেয়। রাবেয়া, কামাল,অর্ক,লাবু, রাহাত,রেশমি সবাই দাঁড়িয়ে আছে। দেখছে, ইনতিয়াজ এর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। 
লাবু বলেঃ ইনতিয়াজ সত্যি অনেক ভালোবাসে রিনি কে।
রেশমী বলেঃ নিসন্দেহে সত্য কথা এটা।যে ইনতিয়াজ রিনি কে প্রচন্ড ভালোবাসে।
দেখতে দেখতে, রিনির বিদায় এর পালা।কামাল যেনো অনুভূতি হীন রোবট হয়ে গেছে। রিনি, কামাল কে জড়িয়ে ধরেছে।অনেক কান্না করছে। কিন্তু কামাল এক ফোটা অশ্রু ফেলছে না।কারণ, তার চোখের বর্ষণ হলে রিনি কে সামলানো দায় হয়ে যাবে।রাবেয়া শাড়ীর আঁচল দিয়ে নিজের চোখের জল লুকিয়ে রাখছে। 
ঐশী জড়িয়ে ধরেছে রিনি কে।ঐশী অনেক কান্না করছে।আজ যেনো কান্না থামছেই না
।তখনই, 
ঐশী বলেঃ আচ্ছা রিনি।এটা তো তোর জন্য খুশীর একটা জিনিস।বিয়ে হচ্ছে। সংসার করবি।খুশি থাকবি।
 তবে আমাদের কেনো কান্না আসছে?
নিজের চোখ অজান্তেই কান্না করছে। 
রিনি বলেঃ আমি ও জানি না।কেনো এমন হচ্ছে। হুহহহহহহ
রিনির কান্না দেখে, মুগ্ধ বলেঃ ইনতিয়াজ তোমার বউ কে কোলে তুলে নাও।না হয় আজ কান্না করতে করতে শেষ হয়ে যাবে।
ইনতিয়াজ রিনিকে কোলে তুলে গাড়ি তে বসিয়ে দেয়। ইনতিয়াজ নিজের ঘরে নিয়ে গেল। বাকী রা জিন রাজ্যে ফিরে গেছে। গাড়ি নিয়ে আসার সময়, ইনতিয়াজ রানী লোভা কে বলেঃ মা তোমরা জিন রাজ্যে ফিরে যাও।আমি একা থাকতে চাই। 
রানী লোভা দ্বি মত করে নি।ঘর ফাঁকা, পিচ্চি এবং কাজের লোক রিনির ঘরে থাকতে বলে দিয়ে ছিলো ইনতিয়াজ। 
রিনির হাতে হাত ধরে ইনতিয়াজ প্রবেশ করেছে তাদের সুইট ঘরে। কিন্তু একি,
সারা ঘর অন্ধকার।
 রিনি বলেঃ আলো নেই কেনো?
ইনতিয়াজ আলো জ্বালিয়ে দেয়। 
রিনি দেখে ঘরের মধ্যে কোন সাজসজ্জা নেই।একদম নরমাল। 
রিনি বলেঃ এমন কেনো?
ফুল দিয়ে সাজানো হয়নি কেনো?
ইনতিয়াজ কিছু বলে নি। সোজা রুমে প্রবেশ করে। রিনি ও পিছনে পিছনে রুমে চলে গেল। রিনি দেখে রুমের মধ্যে ও ফুলের ছিটেফোঁটা নেই। 
ইনতিয়াজ গিয়ে শোয়ে আছে। 
রিনি বলেঃ সব কিছু এমন কেনো?
একটা ফুল নেই?
কোন আয়োজন নেই?
ইনতিয়াজ বলেঃ কিসের আয়োজন। কেনো ফুল আনবো?
আমার কি কোন কাজ নেই আর।যত্ত সব।
রিনি বলেঃ এমন করে বলছেন কেনো?
ইনতিয়াজ বলেঃ কি করলাম।যাও শুয়ে পড়ো।আমার ঘুম পাচ্ছে। গুড নাইট।
রিনি বলেঃ কিহ!!!
ইনতিয়াজ বলেঃঘুমা ও।
রিনির মনে কষ্টের মেঘের সৃষ্টি হয়েছে। কি চিন্তা করে ছিলো?
রিনি মনে করছে, ইনতিয়াজ মাহমুদ অনেক সুন্দর করে ঘর সাজাবে।তাদের শোবার ঘর অনেক সুন্দর করে ফুল দিয়ে সাজাবে।রিনি সাথে সুন্দর করে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবে।কিন্তু কি হলো? 
কিছুই তো হলো না।
রিনি শোয়ে পড়েছে।রিনি চিন্তা করছে, কি হলো তাদের শর্তের?
সব ভালোবাসা কই গেছে? 
হয়েছে টা কি?
রিনির মনে অনেক অনেক চিন্তা কাজ করছে। রিনির মনে হচ্ছে, বিয়ে করার জন্য হয়তো ইনতিয়াজ এমন আচরণ করছে। 
রিনি এসব ভাবতে ভাবতে, 
 রিনির চোখে অল্প অল্প ঘুম জড়িয়ে ধরেছে।
রিনির মনে হচ্ছে, তার শরীর কেউ স্পর্শ করছে। স্পর্শ বললে ভুল হবে। 
রিনি কে কোলে তুলে নিচ্ছে। রিনি চোখ জোড়া খুলে দেখে, ইনতিয়াজ রিনিকে কোলে তুলে।
 নেই। 
রিনি বলেঃ ছাড়ুন।আমি নামবো।
ইনতিয়াজ মাহমুদ বলেঃ একদম চুপ।
রিনি চুপ হয়ে গেছে। রিনি একদম নিস্তেজ হয়ে গেছে ইনতিয়াজ এর কোলে। 
ইনতিয়াজ রিনিকে কোলে তুলে নিয়ে ছাদের উপর নিয়ে যাচ্ছে। রিনি নাকের মাঝে একটা সুঘ্রাণ ভেসে আসছে। 
রিনি দেখে, ছাদের মাঝে চাঁদ এর আলো পড়ছে। ইনতিয়াজ রিনিকে ছাদের উপর নামিয়ে দেয়। ইনতিয়াজ তালি দেয় সাথে সাথে ছাদের উপর আলো জ্বালে উঠে। 
ছাদের উপর, হরেক রকম ফুলের পাপড়ি দিয়ে খুব সুন্দর করে হার্ট বানিয়েছে। রিনি দেখে অবাক। তার ঠিক সামনে, একটা খুব সুন্দর খাট সাজিয়েছে।সেখানে হরেক রকমের ফুল দিয়ে সাজানো। 
ইনতিয়াজ বলেঃ তোমাকে একটু খেপাচ্ছিলাম।সরি বউ।বলে মিষ্টি হাসি। 
রিনির তো রাগে গাঁ জ্বলে যাচ্ছে। রিনি বলেঃ আপনাকে আমি দেখেন কি কি করি!!!
ইনতিয়াজ বলেঃ আরে বউয়ের সাথে একটু মজা করছি আরকি।
রিনি বলেঃ করা যায়। তবে এতো মারাত্মক আমি তো মনে করছি, বিয়ে করে ভুল হয়ে গেছে। 
ইনতিয়াজ বলেঃ নাহ রিনি।ঠিকই করে ছি।আসো নিচে যায়।
 রিনি নিচে গিয়ে দেখে, সারা ঘর ফুল দিয়ে সুসজ্জিত। 
ইনতিয়াজ বলেঃ ইচ্ছে করে সাজানো হয়নি।তুমি যখন হালকা ঘুমের মধ্যে পড়েছো।তখন করেছি।
রিনি বলেঃ অনেক সুন্দর লাগছে। সত্যি ওয়াও।
ইনতিয়াজ বলেঃ চলো ছাদে যায়। চলো আজ সারা রাত গল্প করবো।
রিনি,ইনতিয়াজ এর হাত ধরে ছাদের উপর উঠে গেছে। ইনতিয়াজ ফুল দিয়ে বানানো হার্টের মাঝে শোয়ে আছে। 
ইনতিয়াজ বলেঃ রিনি আসো।
রিনি বলেঃ কেনো?
ইনতিয়াজ বলেঃ আমার আবদার ভুলে গেলে নাকি?
রিনি বলেঃ কোনটা?
ইনতিয়াজ বলেঃ ওমা।আমার বুকের ওপর তুমি মাথা রাখবে।
রিনি বলেঃ হি হি মনে আছে। 
রিনি ইনতিয়াজ এর বুকের ওপর মাথা রেখেছে। দুজন ফুল দিয়ে বানানো হার্টের মাঝে আছে। বেশ লাগছে দুজন কে। ইনতিয়াজ তাকিয়ে আছে রিনির দিকে।অপলক দৃষ্টিতে। 
রিনি বলেঃ এই সময় এখানে থেমে যাক!
এই রাত যেনো আমাদের জন্য শ্রেষ্ঠ রাতের মধ্যে একটা হয়।সারাজীবন যেনো আমাদের ভালোবাসা এমনই থাকে। 
ইনতিয়াজ বলেঃ রিনি,.....
চলবে....
[গল্প কেমন হচ্ছে কমেন্ট করে বলেন প্লিজ 
(বানান ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)।


Tags:- গল্পের লিংক,রোমান্টিক গল্পের লিংক,নীল ক্যাফের গল্পের লিংক,গল্প পোকা,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প লেখক লেখিকা vs পাঠক পাঠিকা,গল্পগুলো ভালোবাসার,গল্পের বই,নীল ক্যাফের ডায়েরী
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ ,
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!