গল্প: পাশেই ছিলাম

 গল্প: পাশেই ছিলাম

গল্প পাশেই ছিলাম
গল্প: পাশেই ছিলাম


"আপনি কাচ্চি বিরিয়ানি রান্না করতে পারেন?"

.
বেশ কয়েকদিন ধরে আম্মার এক কথা শুনতে শুনতে কেমন যেন নিজেই বিরক্ত হয়ে গিয়েছি। বিরক্ত হওয়ার পিছনে যথেষ্ট কারন আছে। সেদিন বৃষ্টিতে একটু ভিজে গিয়েছিলাম বলে বাড়িতে এসে আম্মাকে দেখি সোফাতে বসে আছে। পাশেই তোয়ালে রাখা। আমি বারবার বলছি "আম্মা তোয়ালেটা দাও, মাথা ভিজে গিয়েছে, মুছে নিই।" আম্মা কিছুতেই আমার দিকে তাকালো না। শেষে বিরক্ত হয়ে বসা থেকে উঠে তোয়ালে হাতে করে এনে বলে.. "বিয়েটা যদি করতি আজকে বউ এসে তোয়ালে দিত। আমাকে কেনো বারবার ডাকছিস? কবে বিয়ে করবি তুই? মাথায় তো টাক পড়ে যাবে কয়েকদিন পর। ভুড়িও তো বেঁড়ে যাবে। তখন কোন মেয়ে তোকে বিয়ে করবে শুনি? দেখবি তুই যাকে বিয়ে করতে গেছিস, সে ছেঁমড়ি অন্যের গার্লফ্রেন্ড। আর তুই চাকরি করিস বলে টাক ওয়ালা,ভূড়ি মোটা হওয়া সত্তেও তোর কাছে বিয়ে দিচ্ছে। শোন, আবির এরাকম চিন্তা থাকলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যা।"
আম্মার কথা শুনে খানিকটা সময় হাবার মত তাকিয়ে ছিলাম। কি বলবো আমি? পড়াশোনা করার জন্য নিজেই এলাকা ছাড়া করেছিল। শাষন করেছিল। শাষনের চিপায় পড়ে জীবনে একটা গার্লফ্রেন্ডও জুটাতে পারিনি। কোনো মেয়ে ভুলেও যদি কথা বলেছে আম্মা আমাকে বাড়িতে ধরে এনে বলত "শোন, মেয়েদের থেকে সবসময় দুরে থাকবি, মেয়েরা সবকিছু উল্টো বোঝে। বলবি এক আর বুঝবে আরএক। পড়োশোনার মাথা খাবে। শেষে চাকরি পাবি না আর বউ তো দুরে থাক বউয়ের বোনও তোকে পাত্তা দেবে না।" আম্মার কথা শুনে বোকার মত মনে মনে হাসলেও ভয় কিন্তু সত্যিই পেতাম। সেই ছোট থেকে আম্মার এমন কথা শুনে ভয়ে মেয়েদের দিকে তাকাতেও পারতাম না।
.
আম্মার হাতে তোয়ালে দিয়ে তাড়াতাড়ি নিজের রুমে চলে এসে আয়নাতে বারবার নিজেকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে দেখেছিলাম। ভুড়িটা মোটা হয়ে গেছে কিনা, চুল টানলাম পড়ছে কি না। এই হচ্ছে সমস্যা। সরকারি চাকরি করলে বউ হয় সুন্দরি,অল্প বয়সী। কিন্তু কতগুলো প্রবলেম ফেস করতে হয়। সবাই বউয়ের দিকে তাকায় আর বলবে "দেখ দেখ, মালডা কি সুন্দর বউ পাইছে।" আবার মেয়ে দেখতে আসলে মেয়ে তাকাবেই না কারন মেয়ের বয়ফ্রেন্ড আছে। সব ভেবে চাকরি শেষ করার পরও বিয়ে করার জন্য তেমন চিন্তাই করিনি। কিন্তু আম্মার এমন ঘ্যান ঘ্যান কথাগুলো আর নিতে পারিনি।
তাই আজ সন্ধ্যায় আম্মা,আব্বা, ছোট চাচু, কাজিনদের নিয়ে ছোট চাচার পরিচিত এক মেয়ের বাড়িতে এসেছি। এমন একটা ভাব, যেন আজকেই বিয়ে হবে। কাজিনের দৌলতে নামটা জেনেছিলাম "ঐশি।" ঐশি নামের মেয়েগুলোকে আমার কেনো জানিনা একটু ফাজিল মনে হয়। অবশ্য আমার রিচার্স বলে "ছোট নামের মেয়েরা একটু বেশি ফাজিল হয়।" এমন নাও হতে পারে।
সবাই ফরমালিটিজ কথা বলে আমাকে যখন মেয়ের বাবা বলে "বাবা, আবির, তোমার কি আমার মেয়েকে পছন্দ হয়েছে? তোমার কি কিছু বলার আছে?" আমি ঐশির দিকে তখন প্রথমবার তাকায়। চোখগুলো জোনাকি পোকার মত নীলচে আবরনে যেন গতিবয়ী সৌন্দর্য বহন করে আছে। মুখ টা যেন এক চিলতে শান্ত রোদের মত মায়াবি পরিক্রমায় স্থির হয়ে সামনে চেয়ে আছে। এ মেয়ে কি পছন্দ না হয়ে যায়? কিন্তু সিওর, মেয়ে আমাকে পছন্দ করেনি। অবশ্য আজ কয়েকদিন আয়নাতে নিজেকে দেখেছি। যথেষ্ট চিকন আর হ্যান্ডসামও আছি। কিছু বলতে যাবো তার আগে ঐশি স্মার্টলি দাঁড়িয়ে বলে ওঠে "আপনারা কিছু মনে না করলে আবির সাহেবের সাথে কিছু কথা বলতে পারি?"
আম্মার দিকে তাকালাম। আম্মার মুৃখের এক্সপ্রেশন বলছে "না না, এটা একদমই উচিত হবে না। মেয়ে সিওর রিজেক্ট করবে। আমার ছেলের বিয়ে হবে না।" আম্মা না বলার জন্য মুখটা বাঁকা করতেই ঐশির বাবা বলে ওঠে "ঠিক আছে মা, যা আবির কে নিয়ে তুই আলাদা কথা বল। দুজনের মতেরও দরকার আছে।" আমি আবারো মায়ের দিকে তাকালাম। আম্মা গম্ভীর হয়ে বসে আছে। ধুর ভাল্লাগে না। শাষন না করলে এতদিনে অনেকগুলো মেয়ে কে নিয়ে পালানোর কেলেংকারিতে ফেসে যেতাম। কতগুলো গার্লফ্রেন্ড থাকতো। তবে সরকারি চাকরি থাকতো না।
.
"আপনি কাচ্চি বিরিয়ানি রান্না করতে পারেন?"
সন্ধ্যার কালো রং যেন প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে পরিবেশকে আঁকড়ে ধরার আহ্বানে চারপাশ ছড়িয়ে পড়ছে। শীতের আহ্বনে হালকা ঠান্ডা বাতাস যেন জানান দিচ্ছে প্রকৃতিতে ঠান্ডার আমেজ। বড় একটি ছাদ। ছাদের এক কোণাতে দাঁড়িয়ে ঐশি যখন আমাকে প্রশ্ন করলো "আপনাকে কেনো বিয়ে করবো?" আমি প্রত্যুতরে উপরের প্রশ্নটাই করলাম। সে কিছু সময় আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলে..
- কেনো?
- আমার কাচ্চি বিরিয়ানি অনেক পছন্দ।
- কিন্তু আমি তো আপনাকে বিয়ে করবো না।
- জানি।
- জানেন?
- হুম, আপনি সুন্দর। প্রকৃতির এই ফিরফিরে বাতাসও থেমে যাচ্ছে আপনার সৌন্দর্য দেখে। এমন মহমিতাময় সুন্দর কেউ যে সিঙ্গেল থাকবে এটা কখনো আশা করা যায় না।
ঐশি একটু হাসলো। সে কেনো হাসলো কিছুই বুঝলাম না। আমি আর কিছুই বলছি না। ঐশি খোলা চুলে লাল ওড়না মাথায় দাঁড়িয়ে আছে। লম্বা কালো চুল। সে বারবার সেগুলো কানে গুজছে। আমি আড়চোখে তাকাচ্ছি ওর দিকে।
- আমার বাবা আপনার সাথে বিয়ে দিচ্ছে সরকারী চাকরি করেন সেটার জন্য, এটাই ভাবছেন তাই না?
- কিছুটা হলেও এটা ঠিক। কারন চাকরিওয়ালা ছেলের সাথেই মেয়ের বাবারা বিয়ে দেয় মেয়েকে। আর প্রেমিকরা তো পালিয়ে যায়।
- হিহিহি...
আমি ওর হাসি মুখটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। ঐশি আমার দিকে ঘুরে তাকাতেই আমি চোখ সরিয়ে নিলাম। ঐশি বলল "আমার ব্যাপারে কি কিছু জানতে চান না?" জানিনা কি হল হুট করেই জিজ্ঞাসা করলাম "আপনি কি কাচ্চি বিরিয়ানি রান্না করতে পারেন?" আমার কথা শুনে ঐশি খানিকটা চোখ গোল করে তাকায়। আমি ওর থেকে চোখ সরিয়ে সন্ধ্যার আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি।
- কেনো?
- আমার পছন্দ কাচ্চি বিরিয়ানি।
- যদি বলি পারি না, তাহলে?
- তাহলে, আপনার আমাকে পছন্দ হলেই আপনাকে বিয়ে করবো।
- কেনো?
- জানিনা।
- আমার না খুব খিঁচুড়ি পছন্দ।
- আমি রাধতে পারি। আপনাকে খাওয়াবো। (আমি)
ঐশি হাসল। আমি কিছুই বলছি না। আবারো আকাশের দিকে তাকালাম। ঐশি চুপ হয়ে যায়। কি বলবো এখন কিছুই মনে পড়ছে না।
- জানেন, আবির সাহেব। আমি একজনকে ভালোবেসেছিলাম।
এটারই অপেক্ষাতে ছিলাম। এরকম মেয়ে কখনো ভালো না বেসে থাকবে না। আর তাছাড়া আমার থেকে অনেক বয়সে কম হবে। আমি হয়ত ঐশির কারে বুড়ো পাত্র। কিন্তু কি করার ভাগ্যক্রমে হয়ত সরকারি চাকরির কারনে তাকে পেতে চলেছি।
- ভয় নেই, আমার সরকারী চাকরির জন্য আপনাদের ভালোবাসায় বাধা হবো না। বিয়ে করবো না।
ঐশি কিছুক্ষন ভ্রু কুঁচকে তাকাল। আমি চোখ নামিয়ে নিই। সুন্দরীদের দিকে বেশিক্ষন তাকানো যায় না। সামিয়ার দিকে আমিও তাকাতে পারতাম না। সামিয়াকে মজা করে একবার বলেছিলাম "আমাকে তোর জামাই বানাবি?" সামিয়া বেশ কিছুক্ষন আমার দিকে সরু চোখে তাকিয়ে থেকে বলেছিল "চল একটা গেম খেলি, আমরা দুজন সামনাসামনি বসে দুজনের দিকে তাকিয়ে থাকবো। কে কতক্ষন একবারো চোখের দিকে না তাকিয়ে থাকতে পার দেখি। যে বেশিক্ষন পারবে সে জিতবে। আর যে জিতবে সে যা বলবে পরের জন তা করতে হবে।"
বিকেলের নরম রোদে দুজন কলেজ মাঠে বসে একে অপরের দিকে তাকিয়েছিলাম। আমি এক মিনিটের বেশি ওর দিকে তাকিয়ে থাকতে পারিনি। চোখে পানি এসে গিয়েছিল তা কিন্তু না। আসলে সামিয়া ছিল সবচাইতে সুন্দরী মেয়ে। ওর দিকে তাকিয়ে থাকতে পারিনি। সে জিতে যায়। জানিনা মজা করে বলেছিল কি না, জেতার পর বলে "জামাই হবি,আমি রাজি।" আমি হেসে বলেছিলাম "হুট করে কিছু বলা যায় না। গেমের মাধ্যমে ভালোবাসা তৈরী হয় না। এটা হয় সময়, মনের অনুভুতি দিয়ে। ভালো থাকিস।" এরপর আর সামিয়ার সাথে দেখা করিনি। অবশ্য কোন হারামি বন্ধু আম্মাকে পুরো ব্যাপারটা এমনভাবে বলেছিল আম্মা আমাকে দুইমাস ধরে বকা দিয়ে দুরে পাঠিয়ে দিয়েছিল।
.
- আবির সাহেব, আমি তাকে এখন ভালোবাসি না।
- কেনো? ভালোবাসা শেষ হয়ে গেছে?
- হুম।
- ভালোবাসা কি শেষ হয়?
- হুম হয়। ভালোবাসা তৈরী হতে যেমন অনুভুতির প্রয়োজন, তেমনি শেষ হতে তার প্রতি ঘৃনার প্রয়োজন। সে ছিল প্লে-বয়। পরে বুঝতে পারি। তারপর থেকে ওর প্রতি ঘৃনা তৈরী হয়।
- হিহিহি..
- আপনি হাসছেন? (ঐশি)
- আমরা সবসময়, ভূল সময়ে ভুল মানুষকে ভালোবেসে ফেলি। আমাকে হয়ত বিয়ে করবেন না। কারন আমিও এমন হতে পারি। আসি।
.
সেদিন চলে আসি ঐশিদের বাড়ি থেকে। আম্মা অনেকবার জানতে চেয়েছে মেয়ে কিছু বলেছে কিনা। কোনো উত্তর দিই নি। ঐশির সাথে দেখা করার ১৫ দিন হয়ে গেছে। অফিসে বসে আছি। হঠাৎ কাজের ছেলেটা এসে বলে..
- স্যার, আপনার সাথে কে যেন দেখা করবে। বলছে আপনার অনেক পরিচিত। আপনাকে ডেকে দিতে।
অফিস প্রায় শেষ। অনেকেই চলে গেছে। কিছু দরকারী কাজ থাকায় আমি যেতে পারিনি। কাজের ছেলেটাকে বিদায় করে ওয়েটিং রুমে আসি। বোরখা পরে মুখ ঢাকা একটি মেয়ে বসে আছে।
- আপনিই কি খুজছেন আমাকে?
- জ্বি।
অবাক হলাম। কণ্ঠটা খুব পরিচিত। মনে মনে বলে উঠি "ঐশি?" ঐশি মুখ থেকে কাপড়টা খোলে। আমি কিছুক্ষন অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি। ঐশি এখানে কেনো?
- আপনি? (আমি)
- হুুম। আপনাকে একটু বিরক্ত করতে এলাম। হাঁটবেন আমার সাথে একটু সময়?
.
ঐশির সাথে হাঁটছি। সন্ধ্যা নেমে গেছে। অফিসের প্রায় কাছে বড় একটি ব্রীজ করা। ব্রীজ টা দেখার মত। রাস্তা ছাড়াও অনেক খানি জায়গা জুড়ে বানানো। লাল নীল সাদা হলুদ বাতি ব্রীজের পাশের বেড়াতে লাগানো। তার পাশে খোপ খোপ করে ফুল গাছ লাগানো হয়েছে। অনেক কাপল বিকেল থেকে এখানে এসে হাঁটে,দাঁড়িয়ে পানি দেখে। অনেক সময় একসাথে থাকে, হাতে হাত রেখে কাধে মাথা রেখে।
ঐশিকে নিয়ে ব্রীজের উপর এসে দাঁড়ালাম। এক হাত দুরুত্ব রেখে দাঁড়িয়ে আছি। ঐশি সামনের দিকে তাকিয়ে আছে। আমি ওর দিকে তাকালাম।
- আবির সাহেব, আমাকে বিয়ে করবেন?
এহ? একটা ঢোক গিললাম। এরাকম সুন্দরী একটা মেয়ে আমাকে বিয়ের কথা বলবে? কেমন যেন অবিশ্বাস মনে হচ্ছে।
- আমি কিন্তু কাচ্চি বিরিয়ানি রান্না করতে পারি।
- হিহিহি।
- প্রেমে পড়ে মানুষ হুট করে। কিন্তু ভালোবাসা তৈরী হয় সময় নিয়ে। আপনার প্রেমে পড়ে গিয়েছি। তাই ভালোবাসা তৈরি হওয়ার জন্য বিয়ে করবো।
- যদি ভালোবাসা তৈরী না হয়?
- সেটা তো আপনার উপর ডিপেন্ড করবে। আপনি তৈরী করাবেন। পারবেন না?
- হুম পারবো।
- আমি কিন্তু অনেক জ্বালাবো।
- হুম।
- একি বালিশে ঘুমাবো।
- আচ্ছা।
- সকালে ঘুম থেকে উঠে বাসি মুখে আমার কপালে চুমু দিতে হবে। সরাকারী চাকরি করেন বলে সময় দিতে পারবেন না তা কিন্তু হবে না।
- হিহিহি, আচ্ছা।
- আমাদের একটা ব্রাশ থাকবে। একটাতেই দুজনে দাঁত ব্রাশ করব।
- হাহাহা...
- যখন অফিস বন্ধ থাকবে, তখন রান্না করবো পিছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরতে হবে।
- আর?
- আমি রাগ করলে খাইয়ে দিতে হবে। আর আপনি রাগ করলে আমি আপনাকে জড়িয়ে ধরবো যেন বকা না দিতে পারেন।
- আরকিছু...
- হুম আছে তো,আপনি...
ঐশি একাই কথা বলছে। আমি হাঁটছি। ও আমার পাশে হাঁটছে। হুট করে খেয়াল করি, ঐশি আমার হাত ধরেছে। যখন ওর দিকে তাকালাম,দেখি বড় ট্রাক আসছে বলে ভয়ে হাত ধরেছে ও। আমি তাকাতেই লজ্জা পেয়ে হাত ছেড়ে দেয়। জানিনা কি হল আমি নিজেই ওর হাত ধরি। সে আমার হাত ধরে আবারো নিজের ইচ্ছেগুলো বলা শুরু করেছে।
আমি কেবল হুম ছাড়া কিছুই বলছি না। দুজনে হাঁটছি। রঙিন আলোর সাদা রং এর ব্রীজের উপর দুজন চেনা মানুষ হাঁটছি।।আমি ওর হাত ধরতেই সে আমার হাত শক্ত করে পেঁচিয়ে ধরে। যেন একটা ভরসার আবছায়া সে খুজে পেয়েছে। আমি কল্পনা করছি অনেক কিছু। অনুভবে কল্পনাতে হঠাৎ শুনি ব্যাকগ্রাউন্ড এ বেজে উঠেছে..
"কারণে অকারণে,নিষেধে বা বারণে
তোমার নামে যত জোছনা নিলাম।
নিয়মে অনিয়মে, দহণে বা ধারণে
আমায় নিখোঁজ ভাবো বা পাশেই ছিলাম.."
---"(সমাপ্ত)"---
গল্প: পাশেই ছিলাম
লেখক: আবির হাসান নিলয়
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!