গল্পঃনির্দোষ পর্বঃঅন্তিম

 গল্পঃনির্দোষ

লেখকঃরনি হাসান
পর্বঃঅন্তিম

গল্পঃনির্দোষ  পর্বঃঅন্তিম
গল্পঃনির্দোষ  পর্বঃঅন্তিম


আজ তার স্বামী এরকম পশুর আচরণ দেখে ঘৃণায় কান্না করতে লাগলো। এবং তার স্বামীর প্রতি যে ভালোবাসাটা ছিলো সেটা নিমিষেই ঘৃণায় পরিনত হয়ে গেলো। রাতটা রিদিতার নির্ঘুমে কেটে গেলো। অপরদিকে তার স্বামী যেন শান্তির ঘুম ঘুমাচ্ছে।
সকালে বেলা কেমন জানি মাথাব্যথা অনুভবে ঘুমটা ভেঙে গেলো। দুইহাত দিয়ে মাথা চেপে চোখ মিলে সামনে তাকাতেই আমার চোখ যেনো কপালে উঠে গেলো
কি ব্যাপার রিদিতা আমার বিছানায় হাটু মোরে বসে কান্না করছে কেন আর তার পরনের বস্ত্র এরকম এলোমেলো কেন...?
এসব চিন্তা ভাবনা বিচ্ছেদ ঘটিয়ে রিদিতাকে জিজ্ঞেস করলাম
তুমি আমার বিছানায় কি করে এলে (অবাক হয়ে)
চুপ আরেক্টা কথা ও আপনি বলবেন না। খুব সাধু সাজা হচ্ছে। কি মনে করেছেন আমি আপনার প্রতি দুর্বল দেখে মদ খেয়ে এসে আমার সঙ্গে যা ইচ্ছা তা করবেন আর সেটা আমি মুখ বুঝে সহ্য করবো কখনোই না (কান্না করে)
কাল রাতে ড্রিংক করার কথা নিমিষেই মনে পড়ে গেলো নেশার ঘোরে তাহলে রিদিতার সঙ্গে.....। ছি নিজের প্রতি নিজেরই ঘৃণা হচ্ছে এ আমি কি করেছি। এটা বড্ড অন্যায়। নিজের প্রতি নিজেরই ধিক্কার আসছে (এসব ভাবতে রিদিতা বলল
আমি আর এখানে থাকবো না। যেখানে স্বামীর ভালোবাসা নেই। স্ত্রীর প্রাপ্য মর্যাদা নেই। সেখানে না থাকাই ভালো। ভেবেছিলাম আমার ভালোবাসা দিয়ে আপনার রাগ ভাঙিয়ে আপন করে নিবো। কিন্তু সে সুযোগ আর হলো না (রিদিতা অবিরাম কান্না করে)
নিশ্চুপ (আমি)
আমাকে তাড়ানোর জন্য তো আপনি মদ খেতে শুরু করেছেন। হইত ভেবেছেন এই মদ খেয়ে এসে আমার সঙ্গে শারীরিক নির্যাতন করলেই আমি চলে যাবো এই সবই ভেবেই তো এসব করছেন তাই না (অসহায় দৃষ্টিতে)
রিদিতা আমি আসলে (বলতেই রিদিতা আমার কথা থামিয়ে বলল
অই মুখে আমার নাম আর নিবেন না প্লিজ। আপনার এই ভালো মুখোশের পিছনে একটা নরপশুর আচরণ দেখেছি। সেটা আমি কখনো ভুলতে পারবো না। ( রিদিতা)
বিশ্বাস করো আমি ইচ্ছে করে ড্রিংক করেনি। অই জুয়েল আমাকে জুর করিয়ে এসব ছাইপাঁশ খাইয়েছে নইত কখনো এসব খেতাম না ( অনুশোচনা থেকে বলে বললাম)
এখন এসব মিথ্যা কথা বলে সত্যটাকে ধামাচাপা দিয়ে রাখতে পারবেন না। প্রকৃত পক্ষে আপনি আমাকে তাড়ানো জন্য এসব অবলম্বন করছেন (রিদিতা)
তোমার সঙ্গে মিস বিহেব করলে অনেক আগেই করতাম। তা তো করেনি কাল রাতের দুর্ঘটনা ভেবে ভুলে যাও প্লিজ (অনুরোধে সুরে বললাম)
সম্ভব না আমি আজই চলে যাচ্ছি (রিদিতা)
নিশ্চুপ (আমি)
রিদিতা এই বলে তার ব্যবহৃত জিনিস পত্র সুটকেসে ভরে। যেই রুম থেকে বের হবে ঠিক তখনই রিদিতার সামনে দাড়িয়ে বলল
_সত্যি কি চলেই যাচ্ছো
_ যে স্বামী রাতের আধারে মদ খেয়ে এসে তার স্ত্রীর সঙ্গে অসভ্যমী করে সে আর যাই হক ভালো কেউ হতে পারে না। তার কাছে থাকার চেয়ে একাকিত্ব থাকাই ভালো (রিদিতা মুখ ফিরে বলে উঠলো)
রিদিতা বিশ্বাস করো আমি এসব ছাইপাঁশ আগে কখনো ছুয়ে দেখেনি। কাল হঠাৎ ওরা আমাকে ড্রিংক করতে বাধ্য করেছে নইত কখনো এসব খেতাম না..
আপনার সব অবহেলা আমি মেনে নিতে পারবো। কিন্তু নেশা করে নিজেকে তিলে তিলে শেষ করবেন তা আমি দেখতে পারবো না। প্রয়োজন ক্রমে আমাদের মাঝে ডিভোর্সের ব্যবস্থাপনা গ্রহন করবো। তবুও আপনি ভালো থাকেন। আমাকে তাড়ানো জন্যই তো এসব প্ল্যান আপনার । (রিদিতা ভুল বুঝে বলল)
নিশ্চুপ (আমি)
অনেক হয়েছে এবার আমাকে যেতে দিন (রিদিতা)
রিদিতা তুমি কিন্তু আমাকে রীতিমতো ভুল ভাবছো। হ্যা মানছি কাল রাতে যা হয়েছে সেটা অন্যায়। কিন্তু কালের টপিক টা নিয়ে তুমি আমাকে এভাবে ছেড়ে যেতে পারো না (আমি)
কোন অধিকার নিয়ে এখানে থাকবো বলতে পারো..? (রিদিতা জিজ্ঞাসা দৃষ্টিতে)
নিশ্চুপ (আমি)
আমাদের বিয়ের প্রায় দুই মাস হয়ে গেলো। কই কখনো তো আমার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলিনি আমি আগ বাড়িয়ে কথা বললেও তুমি এড়িয়ে যেতে। যখন তুমি অফিসে কাজ করতে লান্সের সময় ঠিকই ফোন কিংবা মেসেজে বলতাম খাবার খেয়েছো কিনা কিন্ত তুমি তো আমার কথা জিজ্ঞেস করতা নাহ যে আমি খেয়েছি কিনা...?
গ্রামে যখন কাকিমা তানিশা তাদের সঙ্গে একত্রে থাকতাম তখন তোমার অবহেলা গুলো সহ্য করে নিতে সহজ হতো। তখন কথা বলার জন্য তানিশা কিংবা কাকিমা থাকতো। কিন্তু ঢাকায় এসে তো সারাক্ষণ বাসাতে একাই থাকতে হচ্ছে। যার দারুণ একাকিত্ব থাকার কষ্টটা আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিলো। একাকিত্ব রেশ কাটানোর জন্য যখন তোমার ফোনে কল কিংবা মেসেজ দিতাম কথা বলার জন্য" তখন তুমি আমার কল মেসেজ দেখেও না দেখার ভান করে ফোনটা অবহেলায় রেখে দিতে সেটা আমি ভালো করে বুঝতে পারতাম। তারপর ও কেন জানি আমার কাছে মনে হতো তুমি ঠিকই আমাকে মেনে নিবে। সে ধারণা আমার ভুল প্রমানিত হয়েছে কাল রাতে তোমার পশুর আচরনে আমাকে বিশ্বাস করাতে বাধ্য করেছে। যাই হক এতদিন তোমাকে অনেক বিরক্ত করেছি আর বিরক্ত করতে চাই না ভালো থেকো ( রিদিতা এই টুকু বলে আমাকে পাশ কাটিয়ে গুটিগুটি পায়ে চলে যেতে লাগলো। তাকে কি বলে আটকাবো। যদি ও বিয়েটা আমাকে বাধ্য হয়ে করতে হয়েছে।কিন্তু রিদিতাকে তো কখনো স্ত্রী হিসাবে মেনে নেইনি। সে আমার জন্য রোজ খাবার নিয়ে টেবিল বসে থাকলেও তার সঙ্গে কখনো খাবার খেতাম না। ঢাকায় এসে রিদিতাকে তো একাকিত্ব রেখেই ছিলাম কখনো অফিস থেকে এক্টু আগে এসে তার সঙ্গে সময় কাটাইনি। রিদিতাকে এইভাবে অবহেলাটা করা আমার উচিত হইনি। তারউপর কাল যে ঘটনা ঘটেছে এতে নিশ্চয়ই রিদিতা আমার উপর রেগে আছে। এর জন্য হইত চলে যেতে চাচ্ছে। যেভাবেই হক রিদিতাকে ফিরাতে হবে। যে ভাবা সেই কাজ দুরুত্ব বাহিরে এসে ডান বামে খুজতে লাগলাম।কিছু দুর যেতেই লক্ষ্য করলাম রিদিতা একটা রিক্সায় উঠেছে এবং রিক্সাওয়ালা মামা তার রিক্সা নিয়ে রওনা দিবে তারমধ্য অখানে দৌড়ে রিক্সাওয়ালা মামাকে গিয়ে বললাম
মামা দাড়ান দাড়ান (রিক্সার সামনে)
এই কি করছিলে বাবা এক্সিডেন্ট হয়ে যেতো তো (রিক্সাওয়ালা মামা)
হলে হতাম সমস্যা নেই। কিন্তু ম্যাডামকে নিয়ে কোথায় যাচ্ছেন (আমি)
এই তো বাসস্ট্যান্ড (রিক্সাওয়ালা মামা)
মামা আপনি জলদি যান তো এইসব পাবলিকের ফালতু বকবক শুনার থেকে না শুনাই ভালো ( রিদিতা রেগে)
অই হেলো আমি এখন তোমার কাছে ফালতু পাবলিক হয়ে গেলাম (রিক্সায় উঠে)
মামা আপনি এনাকে কিছু বলছেন না কেন (রিদিতা বিরক্ত বলল)
বাবা অপরিচিত মেয়েদের সঙ্গে এইভাবে রিক্সায় উঠা উচিত না অনুগ্রহ করে নেমে যাও (রিক্সাওয়ালা)
মামা আপনি বুঝতে পারছেন না এই আমার সহধর্মিণী রিদিতা । আজ এক্টু মনোমালিন্য হয়েছে দেখে রাগ করে তার বাপের বাড়ি চলে যাচ্ছে (আমি)
অহহ এই ব্যাপার (রিক্সাওয়ালা মামা হেসে)
মামা আপনি রিক্সা ঘুরান বাসস্ট্যান্ডে যেতে হবে না। পার্কের অইদিকে নিয়ে যান (আমি)
এই আপনি রিক্সা থেকে নামবেন নাকি লোকজন ডেকে এনে গনপিটনি খাওয়াবো (রিদিতা রেগে)
তোমার ইচ্ছা (হেসে)
কে কোথাও আছো..... (রিদিতা চিৎকার মেরে বলতে যাবে তার আগেই রিদিতার মুখ চেপে বললাম
এই তোমার মাথার তার কি সত্যিই ছিড়ে গেলো নাকি হ্যা ( অবাক হয়ে)
আপনি রিক্সা থেকে নামবেন নাকি আমি সত্যি সত্যি লোকজন ডাকবো (রিদিতা রেগে)
না থাক পাবলিককে কিছু বলতে হবে না। আমি নিজেই নেমে যাচ্ছি। ভেবেছিলাম তোমার অভিমান ভাঙিয়ে পার্কে ঘুরতে নিয়ে যাবো কিন্তু তা আর হলো না। মামা রিক্সা থামান (একটু অভিনয় করে)
এইদিকে রিদিতা আমার রিক্সা থেকে নামার কথা শুনে অবাক হয়ে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো কিছু বললো না। হইত রিদিতা ও চাচ্ছে তার রাগ ভাঙিয়ে বাসায় নিবো যাবো
মামা আপনি বরং ওনাকে বাসস্ট্যান্ডেই নিয়ে যান। ভেবেছিলাম আমার কথা ও শুনবে কিন্তু তা আর হলো না (এই বলে রিক্সা মেনে পড়লাম)
রিদিতা আমার দিকে অসহায় ভাবে তাকিয়ে বুঝতে চাচ্ছিলো যে আমার সঙ্গেই যেতে রাজি সেদিকে ভ্রক্ষেপ না দিয়ে বললাম
মামা আপনি দাড়িয়ে আছেন কেনো নিয়ে যান ওনাকে (এই বলে ওখান সরে আসলাম। আপনারা কি ভাবছেন বাসায় চলে আসছি। নাহ রিদিতা যে রিক্সাই যাচ্ছে তার পিছনে আরেক্টা রিক্সা উঠে তাকে ফলো করছি দেখি সে কোথায় যায়)
অপরদিকে
দেখলেন মামা ও এক নাম্বারে একটা স্বার্থপর শুধু তার নিজের রাগ অভিমানটাই সে প্রধান্য দেই। আমি যে তার সঙ্গে অভিমান করে আছি সেদিকে তার ভ্রুক্ষেপই নেই (রিদিতা কান্না করে রিক্সার ওয়ালাকে বলল)
দেখো মা স্বামী স্ত্রীর মাঝে এসব মান অভিমান ভুল বুঝাবুঝি হয়ে থাকে এ বলে কি চলে যেতে হই আমি বলি কি তুমি বরং বাসায় ফিরে যাও (রিক্সাওয়ালা)
অই বাসায় আমি আর যাবোই না আপনি আমাকে বাসস্ট্যান্ড পযন্ত নিয়ে যান (রিদিতা কান্না করে)
আচ্ছা ঠিক আছে (রিক্সা ওয়ালা)
এইদিকে
এইরে সেরেছে রিদিতা তো সত্যি সত্যি বাসস্ট্যান্ডে চলে আসলো তারমানে গ্রামেরই চলে যাবে। না সেটা হতে দেওয়া যাবে না তার আগেই আমাকে কিছু করতে হবে (আমি)
রিদিতা এইদিকে বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে রীতিমধ্যে বকশিগঞ্জ কাউন্টার গিয়ে টিকিট ও নিয়ে ফেলছে। ব্যস রিদিতার আগেই রনি সে বাসে উঠে পড়লো রিদিতাকে সারপ্রাইজ দিবে বলে। কিছুক্ষন পর রিদিতা বাসে উঠে পড়লো ডানে বামে তাকিয়ে তার ছিট খুজার চেষ্টা করলো এবং পেয়েও গেলো। রিদিতা তার মতো সিটে বসে চোখের জল মুছতে লাগলো এইদিকে বাসে এক ঝাল মুড়িওয়ালার কাছ থেকে মিনি দোকান্টা নিয়ে রনি রিদিতার কাছে গিয়ে বলল
ম্যাডাম ঝাল মুড়ি খাবেন (রনি)
হঠাৎ রনির কন্ঠ সুর শুনে রিদিতা উপর দিকে তাকিয়ে রনিকে ঝালওয়ালার এই অবস্থায় দেখে তার নিজের হাসিটা আর চেপে রাখতে পারলো না কান্না মাখা হাসি দিয়ে বলল
তুমি এখানে কেন (রিদিতা)
আমার বউটাকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আসছি (রনি)
তখন ফিরালে না কেন (রিদিতা)
দেখতেছিলাম তুমি কি আমাকে সত্যিই ছেড়ে যাও নাকি সব রাগ অভিমান ভুলে গিয়ে আমার কাছে ফিরে আসো সেটাই দেখতে ছিলাম (আমি)
তো কি দেখলে কি (রিদিতা)
দেখলাম আমার স্ত্রী তার নিজের রাগ অভিমান প্রতি অটুট সে তার স্বামীকে ছেড়ে সত্যিই চলে যাচ্ছে । তাই তো ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আসলাম (রনি)
সরি এখন আর সম্ভব না। অনেক দেরি করে ফেলছো (রিদিতা মুখ ফিরিয়ে বলল)
আমি কথা দিচ্ছি এখন থেকে তোমাকে আর কখনো অবহেলা করবো না কষ্ট দিবো না। সবসময় ভালোবাসবো। তোমাকে যথেষ্ট সময় দিবো। কোনোভাবে তোমাকে এড়িয়ে চলবো না
।প্লিজ তবুও আমার সঙ্গে বাসায় চলো প্লিজ (রনি)
নিশ্চুপ (রিদিতা)
রিদিতা চুপ করে থেকো না। বাস কিন্তু এখনই ছেড়ে দিবে আর দেরি করো না। আমার সঙ্গে বাসায় চলো প্লিজ (রনি)
না যাবো না (রিদিতা)
এই বাস ভরতি লোকজনের সামনে কোনো সিনক্রিয়েট করো না প্লিজ বাসায় চলো (রনি)
রিদিতা তার স্বামী এরকম অনুরোধে তার রাগ অভিমান নিমিষেই পানি হয়ে গেলো।
আচ্ছা ঠিক আছে তোমার সঙ্গে বাসায় ফিরবো তবে আমার মাথায় হাত রেখে তোমাকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে আর কোনোদিন অই সব ড্রিংক করবে না (রিদিতা)
আচ্ছা বাবা ঠিক আছে করবো না। এখন তো চলো (রনি)
আচ্ছা ঠিক আছে চলো (রিদিতা)
বাস থেকে নামার পর
তোমার জন্য শুধু শুধু ৫০০ টাকা জরিমানা খেতে হলো (রিদিতা)
কোথায় জরিমানা খেলে (রনি)
এই বাসের টিকিট কেটেও তো যেতে পারলাম না। মাঝখান থেকে টাকা টা উধাও হয়ে গেলো (রিদিতা)
তোমার তো শুধু টাকা চলে গেলো। আর আমার কাছ থেকে যে বউ চলে যাচ্ছিলো। সে একবার চলে গেলে তাকে কোথায় খুজে পেতাম (রনি)
আরেকটা বিয়ে করে নিতে। তাহলেই ঝামেলা চুকে যেতো (রিদিতা হেসে)
হ্যা আমি ও সেটাই ভাবছি আরেকটা বিয়ে করলে মন্দ হই না (ব্যস কথা শুনেই রিদিতা রেগে গলা চেপে ধরে বলে উঠলো
আমাকে অবহেলা করবি তো মেনে নিবো কিন্তু আরেক্টা বিয়ে করার কথা মুখে নিবি তো গলা চেপে মেরে ফেলবো (রিদিতা)
আরে করছো কি ছাড়ো আমাকে..! পাঠক ভাইয়েরা তো দেখছে (রনি)
দেখলে দেখুক তাতে আমার কি (রিদিতা)
এই যে পাঠক ভাইরা দেখলেন তো রিদিতা" আমার কাছে আরেকটা বিয়ে করার কথা শুনে কেমন ক্ষেপে গেছে। যাই হক আমি বরং রিদিতা কে সামলাই। আপনারা আপনাদের বউ কিংবা গার্লফ্রেন্ডদের সামলান

গল্পঃনির্দোষ পর্বঃঅন্তিম
____________সমাপ্ত__________
(গল্পের শুরু থেকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের সাপোর্ট ছাড়া এই গল্প সত্যি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। সুতরাং আজ একটা কথাই বলবো গল্পের মাঝে যদি ভুলত্রুটি হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই সুন্দর ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ধন্যবাদ
পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!