তোমার জন্য ফিরে আসা !! Part- 10 & 11

তোমার জন্য ফিরে আসা !! Part- 10 & 11


বাড়ির চারপাশে মোমবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছে। বেল গাছের তলায় কাঁচা বেল পোড়া দিচ্ছে এবং কালো গোলাপের মালা বাড়ির সামনে ঝুলিয়ে রেখেছে। এরকম অদ্ভুত কাজ দেখে কয়েকজন বুঝতে পেরেছে এই বাড়িতে কিছু ঘটতে চলেতে তাই লোকটা কিছু বলছে না।

ইভা সবার আড়ালে গিয়ে আলিবকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলো,

“লোকটা বাড়িতে কি সব করছে সেটা দেখেছেন? ”

“হুম, উনি যা করছে তা করতে দেও ”

“কেনো এরকম কাজ করছে? আর উনি আপনার বিষয়ে জানেন কেনো? ”

“বহু বছর থেকে উনি জ্বীন-ভূতে গবেষণা করছে একমাত্র উনি তোমাকে আমাকে সাহায্য করতে পারবে ”

তোমার জন্য ফিরে আসা !! Part- 10 & 11

তোমার জন্য ফিরে আসা !! Part- 10 & 11


“আমি কিছু বুঝতে পারছি না, আমাদের সাথে ঠিক কি হতে চলছে? ”

“লোকটার কাছে পুরনো দিনের সাতরং পাথর আছে সেই পাথর তোমার কাছে রাখতে হবে তাতে তোমার ক্ষতি আর কোনো আত্মা করতে পারবে না। বট গাছের বাড়িতে ভয়ংকর রুপের আত্মা আছে সে আত্মা মুক্তি লাভের জন্য দরকার হবে যার সাথে আমার মতো কেউ আছে তাই সেই আত্মা তোমাকে চাইবে ”

“সব কিছু আমার সাথে ঘটে কেনো? ”

“আমাকে অভিশাপ্ত করেছে তোমাকে নিয়ে ”

“সেটা আবার কেমন অভিশাপ? “.

” এতো কথা বলার সময় নেই, তুমি লোকটার থেকে পাথর নিয়ে আসো যাও ”

“আচ্ছা তাহলে আপনি চলে যান ”

আলিব চলে যাওয়ার পরে ইভা বাড়ির উঠোনে যাবে লোকটার কাছে কিন্তু ওর মা বাঁধা দিলো। ইভা রুমের জানালা থেকে দেখছে লোকটা উঠানে ধুপ জ্বালিয়ে রেখেছে। বড় মামাকে বলছে,

-আজকে রাতে কেউ জেনো বাড়ির বাইরে বের না হয় আর বট গাছের বাড়ির ধারে কাছে কেউ যাবে না।

-জানি আপনি বড়মাপের অশুভ ছায়া দূর করতে পারেন তাই আমাদের বাড়িতে তেমন কিছু থাকলে আপনি দয়া সব অশুভ ছায়া দূর করে দেন।

-আমার পক্ষে যতোটুকু করা সম্ভব ততোটুকু করেছে বাকিটা আপনাদের সাবধানতার উপর নির্ভর করবে।

-হ্যাঁ আমরা সবাই আপনার কথা মেনে চলবো।

লোকটা চলে গেলো। ইভার মামা বাড়ির মেইন দরজা তালা লাগিয়েছে। সবার মধ্যে চিন্তার ছাপ, দু দিন পরে বিয়ে আর এখন বাড়িতে কিসব হচ্ছে? রাতে কোনো মতে সবাই একটু খেয়ে ঘুমাতে গেলো। ইভা, ওর নানু আর লিমা এক বিছানায় শুয়েছে। ইভা নানুকে বললো,

“নানু তুমি কি বট বাড়ির সম্পর্কে কিছু জানো? ”

“শুনেছিলাম কোনো এক জাদুমন্ত্রী জমিদার পরিবারের একজনের মাথা কেটে বট গাছের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে তারপর ধীরে ধীরে জমিদার পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়। সেই থেকে ওই বাড়ির নাম বট বাড়ি হয়। কেউ দিনের বেলাও সাহস পায় না বট বাড়ির ধারে কাছে যেতে। ”

” এই জাদুমন্ত্রী কি সবার ক্ষতি করেছে? ”

“সবার না যারা ক্ষমতাশালী ছিলো তাদের থেকে প্রিয় জিনিস কেড়ে নিয়ে শক্তিশালী হয়েছে”

“বট বাড়ি টা এখান থেকে কতো দূরে যে ওখানের আত্মার আমাদের ভয়ে থাকতে হচ্ছে ”

“দূর আছে তাও তান্ত্রিকসাধু যা বলেছে আমাদের ভালোর জন্য বলেছে। উনি অনেক মানুষের উপকার করে।”

“ওহ্ ”

ইভা অপেক্ষা করতেছে নানু আর লিমার ঘুমানোর জন্য। রাত বারোটায় আলিব এসে ইভাকে ঘুৃৃম থেকে ডেকে তুলে। ইভা অপেক্ষা করতে করতে ঘুৃমিয়ে গেছিলো।

“আমার মহারানীর ঘুম ভাঙ্গিয়ে দেওয়ার ইচ্ছে ছিলো না শুধু একটা মিষ্টি ফল দিতে এসেছি তাই ঘুমটা ভাঙ্গাতে হলো ”

“মিষ্টি ফল খাবো কেনো? ”

“তোমার শরীরে কোনো বিষ প্রবেশ করতে পারবে না তাই”

“আপনি তো আমাকে সব বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারবেন তাহলে এই ফল খাওয়ার কি দরকার?”

“আমি তো সারাজীবন আমার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবো না তারজন্য আগে থেকে তোমাকে প্রস্তুত করছি যাতে তোমার ক্ষতি না হয় ”

“ওহ্ আচ্ছা ”

ইভা আলিবের সাথে বেশ কিছুক্ষণ কথা বললো। সকালে ইভা মনে পরছে সাতরং পাথরের কথা। আলিবকে অভিশপ্ত থেকে মুক্ত করতে হলে যা যা করতে হবে ইভা তাই করবে। বাসা থেকে একা বের হতে দিবে না তাই রিয়াদের কাছে গেলো,

“ভাইয়া চল একটু ঘুরে আসি ”

“আমার ঘুম পাচ্ছে, বিকেলে ঘুরতে নিয়ে যাবো ”

“না না এখনই যাবি, বিয়ের পর তো বউকে নিয়ে ঘুরবি তখন আমি জ্বালাবো না ”

“হয়েছে থাক এবার চল ঘুরতে নিয়ে যাই ”

“হুম ”

ইভা আর রিয়াদ বাসা থেকে বের হলো। রিয়াদের মন চাইছে তান্ত্রিকসাধুর সাথে দেখা করতে, কেনো হঠাৎ করে উনি নিজে থেকে সাহায্য করেছে? রিয়াদের মনে হাজার টা প্রশ্ন ঘুরছে তাই ইভা বললো,

-তান্ত্রিকসাধুর বাড়ি চল, আমার জানতে ইচ্ছে করছে আমাদের বাসায় কি আছে?

ইভা মন খুশিতে নেচে উঠতো।

-হ্যাঁ আমিও জানতে চাই কিন্তু আমার উনার বাড়ি গিয়েছি এটা বাসায় জানতে পারলে আচ্ছামত ধোলাই দিবে

-কেউ জানবে না চল তো।

ওরা দুজনে তান্ত্রিকসাধুর বাড়িতে গেলো। উনি ধ্যানে মগ্ন আছে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তার সাথে কথা বলার জন্য তার কক্ষে প্রবেশ করে। তখন রিয়াদের ফোনে ওর হবু বউ কল করে তাই কক্ষ থেকে বেড়িয়ে যায়। তান্ত্রিকসাধু ইভাকে বলে,

“আমি জানতাম তুমি আসবে, তুমি তাকে বাঁচাতে চাও এটা জেনে আমি তোমাকে বিপদ থেকে রক্ষা করতে চেয়েছি ”

“আমি কি সত্যি তাকে বাঁচাতে পারবো তার অভিশাপ জীবন থেকে? ”

“তোমার লক্ষ্য ঠিক রাখলে অবশ্যই পারবে আর তুমি সাতরং পাথর নিতে এসেতো তাই তো? ”

“হুম ”

“তোমার জিনিস তোমাকে দিলাম, তবে সাবধান এটা যেনো হারিয়ে না যায় ”

“সাবধানে রাখবো ”

“তুমি তাকে ভালোবেসে ফেলেছো কিন্তু এটা যে অনিশ্চিত সম্পর্ক। সে একটা সময় তোমাকে ছেড়ে চলে যাবো শত ডাকলেও সে আসবে না ”

“জানি তাকে পাবো না তাও অদ্ভুত মায়া কাজ করে ”

“আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো তাকে যেনো তুমি পাও ”

রিয়াদ বললো,

-কি ইভার সাথে জ্বীন-ভূত আছে তাকে আবার ভালোবাসে?

ইভা ভয় পেয়ে গেলো বাসায় সবাই জানলে রক্ষা নেই। আলিবকে অভিশপ্ত থেকে কি বেড় করতে পারবে না??

[ দুঃখীত ব্যাস্ততার জন্য গল্পের পার্ট ছোট হয়েছে। ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন]

চলবে,,,,,,


...তোমার জন্য ফিরে আসা !! Part- 11...


এসব কি শুনলাম ইভার সাথে জ্বীন-ভূত কিছু একটা আছে, তাকে অভিশপ্ত থেকে মুক্ত করতে ওকে লাগবে? ”

“ভাইয়া তুই বাসায় কাউকে কিছু বলিস না প্লিজ ”

“না না না সবাইকে জানাতে হবে নয়তো তোর ক্ষতি হয়ে গেলে আমার নিজেকে দোষী মনে হবে”

“আমার কোনো ক্ষতি হবে না ”

তান্ত্রিকসাধু রিয়াদকে বললো,

” তুমি আমার উপর বিশ্বাস রাখো, তোমার বোনের ক্ষতি হবে না। আমি যুগ যুগ ধরে ওদের নিয়ে কাজ করি তাই কে ভালো আর কে খারাপ তা বুঝি ”

“তাই বলে ও মায়ায় জড়িয়ে যাচ্ছে এটা কেমন কথা”?

” ওর অভিশপ্ত থেকে বেড়িয়ে গেলো তোমার বোনের মায়া না থাকতে পারে ”

“আচ্ছা আপনি যা বলবেন সব মেনে নিবো কিন্তু আমার বোন বা পরিবারের কারো ক্ষতি হয় না যেনো ”

“হুম তুমি নিশ্চিত থাকো ”

ইভা চুপ করে দাঁড়িয়ে ওদের কথা শুনছে। তান্ত্রিকসাধুর কথা রিয়াদ অমান্য করতে পারবে না। ওরা দুজনে তান্ত্রিকসাধুর থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিলো। ইভার মনে ভয় কাজ করছে যদি রিয়াদ কোনো ভাবে কাউকে কিছু বলে তাহলে আলিবের সাথে দেখা হবে না?চুপচাপ রিয়াদের পিছু হাঁটছে। রিয়াদ একগাল হেঁসে বললো,

-কি রে পাগলী কোনো কথা বলছিস না যে?

-নাহ্ কি আর বলবো?

-তুই ভয় পাচ্ছিস আমি যদি কাউকে কিছু বলে দেই তাই না?

– (ইভা চুপ)

-আমি কাউকে কিছু বলবো না তোকে কথা দিলাম। এবার একটু হাসি দে।

-হুম, ওকে ডেকে আনি।

ইভা আলিবকে ডাকে। আলিব এসে রিয়াদের দিকে গোলাপ ফুল ধরে।

-সে কি এসেছে?

-হুম আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে, তোর সামনে গোলাপ ফুল ধরার কারন যাতে বুঝতে পারিস সে এসেছে তাই।

-সে আমার কথা শুনতে পাচ্ছে তো,? তাকে বলছি আমার বোনটিকে ভালো রাখে যেনো কোনো ক্ষতি না করে আর তাতে অভিশপ্ত থেকে মুক্ত করতে আমার কিছু করা লাগলে করবো।

আলিব ইভাকে বললো,

” তোমার ভাইকে আমার হয়ে ধন্যবাদ জানিয়ে দিও সে আমার জন্য ভেবেছে এটাই যথেষ্ট ”

“আচ্ছা কিন্তু আপনি আর কতো দিন থাকবেন ”

“আমার চলে যাওয়ার সময় এসে গেছে, তুমি গিয়ে ওই যে তান্ত্রিকসাধু নামে যাকে চিনো তার থেকে জাদুমণি কালো গোলাপ নিয়ে আসো ”

“কেনো কি করবেন?”

“পূর্নিমারর রাতে দরকার হবে ”

“আচ্ছা নিয়ে আসবো তাহলে আপনি চলে যান ”

“হুম ”

রিয়াদের হবু বউ একটু পর পর কল দিতে থাকে তাই ওদের কথার মাঝে থাকতে পারে নি৷ রিয়াদকে কথা বলতে দেখে ইভা আবার তান্ত্রিকসাধুর বাড়িতে গিয়ে জাদুমণি গোলাপ নিয়ে এসে বাড়ি খুব সাবধানে সাতরং পাথর টা এবং জাদুমণি গোলাপ নিজের ব্যাগে রাখলো।

সারাদিন সবার সাথে আড্ডা, মজার খাওয়া দাওয়া কাটলো। রাতে সবাই ঘুমিয়ে যাওয়ার পরে,

আলিব এসে ইভাকে ছাঁদে নিয়ে যায়।

“ছাঁদে আসার কি দরকার ছিলো, কেউ বুঝতে পারে আমি ছাঁদে এসেছি “?

” ধুর তুমি এতো বোকা কেনো? আমি আছি তো, কেউ বুঝতে পারবে না। ”

“তাড়াতাড়ি বলুন তো আপনার কি বলার আছে? ”

“তুমি রেগে রেগে কথা বলছো কেনো কি হয়েছে? ”

“কয়েকদিন পরে তো চলে যাবে এখন শুধু শুধু মায়া বাড়ায় যত্তসব ঢং, আমার কষ্ট হবে সেটা বুঝে না ” (ইভা মনে মনে বলছে)

“কি গো মহারানী কি হয়েছে তোমার? ”

“কিছু না ”

“আচ্ছা চোখ বন্ধ করো ”

“কেনো?”

“আরে করো তো ”

ইভা চোখ বন্ধ করে। আলিব ইভার হাতে এক ডালা কাঁচের চুড়ি, লাল শাড়ি, কানের ঝুমকা, গলার হার। ইভা চোখ মেলে খুশিতে আত্মহারা হয়ে আলিবে জড়িয়ে ধরে।

“এই যে মহারানী আপনি খুশিতে আত্মহারা হয়ে যেকেউ কে জড়িয়ে ধরবেন না এটা শুধু আআআমার”

ইভা আলিবকে ছেড়ে দিলো।

“আপনি এতো সুন্দর জিনিস গিফ্ট করেন তাতে আমার যে কতো খুশি লাগে বলে বোঝাতে পারবো না ”

“হুম জানি আমার মহারানী অল্পতেই খুশি হয়”

“অসংখ্য ধন্যবাদ, এতো সুন্দর জিনিস আমাকে দেওয়া জন্য”

“রিয়াদের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এই শাড়িটা পড়ো ”

“হুম পড়বো”

“আচ্ছা শুনো, আমি তোমার সাথে একশো দিন থাকতে পারবো তারপর তোমার সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। আমাকে অভিশপ্ত জীবন থেকে মুক্ত করতে তোমার মতো কোনো মেয়ে দরকার ছিলো। জাদুমন্ত্রী বলেছিলো,একশো বছরের মধ্যে তার বাড়ির কাছের কোনো সুন্দরী মেয়ে হয়, সেই মেয়ে যদি আমাকে অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে যা যা করতে হয় সেগুলো করে দেয় তারপর আমি অভিশপ্ত মুক্ত হবে ”

“কি করে আপনার অভিশাপ মুক্ত হবে সেগুলো কি আপনি জানেন? ”

“সব জানতাম না কিন্তু জাদুমন্ত্রীর একটা বড় বক্সের মধ্যে সব তথ্য লেখা ছিলো, আমি একদিন সেটা চুপিসারে দেখে জেনে নিয়েছি ”

“ওই যে একদিন মিষ্টি খাইয়ে ছিলেন সেটার স্বাদ তিতা ছিলো তারপর মিষ্টি হলো কিভাবে? ”

“তথ্যে লেখা ছিলো ওই মিষ্টি যদি বাগান বাড়ির পদ্ম ফুলের ভিতরে রেখে দেয় তাহলে ওটার স্বাদ পরিবর্তন হয়ে খুব সুস্বাদু মিষ্টি হবে ”

“জাদুকরী কি ধ্বংস হবে না?”

“সেটা তো ঠিক বলতে পারি না ”

“আর কোনো দিন কি ফিরে আসবেন না?”

“হ্যাঁ আসবো ”

“কবে আসবেন?

” যদি তোমার মনে আমার জন্য জায়গায় হয় তাহলে আসবো”

“ওহ্”

“আচ্ছা আমি এখন যাই ”

পরের দিন রিয়াদের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে আলিবের দেওয়া জিনিস পড়ে ইভা সেজেছে। ইভাকে দেখে মনে হচ্ছে ওর গায়ে হলুদ। রাতের ঝলমলে আলোয় ইভাকে খুব বেশি সুন্দরী লাগছে। ইভার পাশের চেয়ারে একটা ছেলে বসে বললো,

-উহুম ম্যাডাম আপনার পরিচয় জানতে পারি?

-না পারেন না

-কেনো?

-আমার ইচ্ছে তাই

-ওক্কে ম্যাডাম।

ইভাকে লিমা ডাকতে আসে নানু প্রেশারের ওষুধ খায় নি তাই প্রেশার লো হয়ে গেছে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ইভা লিমার সাথে নানুর রুমে যাবে তখন ছেলেটা ইভার চুলের খোঁপায় লাল গোলাপ কেঁথে দেয়।

[গল্পের মোড় ঘুরে যাচ্ছে, আমি নিজেই কনফিউজড কি হবে এর পরে ]

চলবে,,,,,,

পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!