তোমার জন্য ফিরে আসা !! Part- 14 & 15

তোমার জন্য ফিরে আসা !! Part- 14 & 15


কলেজ ক্যাম্পাসে একটা মেয়ে দৌঁড়ে যাচ্ছে এমন ঘটনা সচারাচর দেখা যায় না সবাই হাঁ করে তাকিয়ে আছে ইভা একটা ছেলের দিকে দৌঁড়ে যাচ্ছে কেনো?

ইভা দৌঁড়ঝাপে হাঁপিয়ে হাঁপিয়ে বললো,

“আলিব আপনি এখানে কি করে আসলেন?আপনি আজকেই আসবেন আমি ভাবতেও পারি নি ”

আলিব অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো,

“আপনাকে তো ঠিক চিনলাম না, কে আপনি? ”

“আমি আপনার মহারানী, আপনি আমার জন্য ফিরে এসেছেন মনে আছে ”

“এই মেয়ে মাথায় সমস্যা আছে নাকি, আপনার জন্য কেনো ফিরে আসবো? জব ট্রাসফার হয়েছে তাই এসেছি”

তোমার জন্য ফিরে আসা !! Part- 14 & 15

তোমার জন্য ফিরে আসা !! Part- 14 & 15


” আপনি তো বলেছেন আমার জন্য ফিরে এসেছেন, আমি আপনাকে বার বার স্বপ্ন দেখেছি নাকি বাস্তবে ছিলো জানি না কিন্তু আপনি ছিলেন এটা জানি”

“হ্যাঁ আপনার মতো একজনকে আমিও বার বার স্বপ্নে দেখেছি, জাদু দিয়ে আপনার ইচ্ছে পূর্ন করেছি ”

“হ্যাঁ এসব তো হয়েছে এই দেখুন আমার হাতের আংটি আপনি দিয়েছেন ”

আলিব ইভার হাতের দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখলো এই সেই আংটি যেটা স্বপ্নে ছিলে তাহলে কি মেয়েটাও স্বপ্ন দেখেছে কিন্তু স্বপ্ন দেখলে আংটি আসলো কিভাবে?

আলিব আবার একটু ইভার দিকে তাকিয়ে ভেবে বললো,

“বুঝতে পারছি না কি হচ্ছে? স্বপ্নের জিনিস বাস্তবে হয় কেনো? ”

” হ্যাঁ বাস্তবে ছিলো ”

” আচ্ছা, আপনি আমার নামও জানেন ব্যাপারটা কেমন জানো ”

“আমার কথা বিশ্বাস করেন আমি সত্যি বলছি, আপনার সাথে অনেক সময় কাটিয়েছি আপনার অতীত জানি ”

আলিবের ফোনে একটা কল আসে আর কোনো কথা না বলে চলে যাচ্ছে। ইভা আলিবকে ফলো করে ওর পিছু হাঁটতে শুরু করে। ইভা দেখতে পেলো ওদের বাসার পাশের বাসায় আলিব ঢুকে। এখানে আলিব থাকে এটা জেনে ইভা আবার কলেজে গেলো, আজকে ক্লাস না করলে রক্ষা নেই তাই ক্লাস করছে কিন্তু মন পড়ে আছে আলিবের কাছে।

ক্লাস শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় ইরা জিজ্ঞাসা করলো,

“তুই ওরকম ভরা মাঠে দৌঁড়ে ওই ছেলেটার কাছে গিয়েছিলি কেনো? ”

“আমার পরিচিত একজন তাই ”

“তুই নতুন প্রেম করছিস নাকি”

“আগে কি প্রেম করেছি নাকি যে এটা নতুন হবে “?

” নাহ্ কিন্তু তোর শুধু পরিচিত এটা মানতে পারলাম না নিশ্চয়ই কিছু আছে”

“হুম ভালো লাগে। একটা হেল্প করবি? ”

“হ্যাঁ বল?”

“তুই আজকে বিকেলে আমার বাসায় আসিস ”

“ওক্কে ”

ইভা বাসায় গিয়ে বিছানায় শুয়ে পরলো। ইভা ভাবতে আছে এতো দিন ওর সাথে কি হয়েছে ওটা কি স্বপ্ন নাকি বাস্তব জীবন? এর উওর তান্ত্রিকসাধু দিতে পারবে তবে এখন ওর নানু বাড়ি যেতে পারবে না আর একা যাওয়া সম্ভব না তাহলে আলিব সাহায্য করতে পারবে কিন্তু ও তো না চেনার ভান করে চলে গেলো।?

অপেক্ষা করতে করতে বিকেল হলো ইরাও আসলো। ইভা আর ইভা দুজনে ছেঁদে গেলো এবং আলিবের দেখা পাওয়া মাত্র বলে,

” আপনার বাসায় কে কে আছে? ”

“আপনাকে কেনো বলবো হ্যাঁ?সকাল থেকে দেখছি আমার পিছে পরে আছেন ”

“আপনি আমার রাজামশাই, আপনাকে ভুলে যাওয়া সম্ভব না আর একবার যখন আপনার দেখা পেয়েছি তখন তো ছাড়ছি না ”

“আপনার মাথায় সত্যি কোনো সমস্যা আছে, ভালো ডক্টর দেখান ”

“আমার মাথা ঠিক আছে বরং আপনার মাথায় সমস্যা আছে। আমাকে আপনি চেনেন না এটা হয় নাকি”?

” হ্যাঁ হয়। ”

“আপনার সাথে কথা না বললে আমার ভালো লাগে না ফোন নাম্বার টা দেন”

“দিবো না”

আলিব চলে যাচ্ছে তখন ইভা ডাক দিলো,

“এই যে মিস্টার আপনার ফোন নাম্বার টা দিয়ে যান নয়তো আমি নিচে লাফ দিবো ”

আলিব চোখ বড় করে তাকিয়ে বলে,

“আপনি আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছেন নাকি? ”

“সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুল তো বাঁকাতে হয় ”

“আপনার যা ইচ্ছে তাই করুন ”

“সত্যি তো? আমি মরে গেলে আপনি দায়ী থাকবেন ”

“যত্তসব, ফোন নাম্বার টা লিখুন ”

আলিব ফোন নাম্বার দিয়ে চলে গেলো। ইভা তো মহাখুশি। ইরাকে কোনো কাজে লাগে নি। সন্ধ্যায় ইভা বই পড়তে বসেছে তখন খুব বৃষ্টি শুরু হলো রুমের জানালা বন্ধ করে দিবে তখন গেলো দেখতে পেলো আলিব ওর রুম সোজা বরাবর ফ্ল্যাটে থাকে, বিছানায় শুয়ে আছে। জানালা বন্ধ করে দিয়ে ইভা কল দিলো,

“ওভাবে শুয়ে আছেন কেনো? অসুস্থ নাকি?”

“কে আপনি? ”

“একক্ষুনি আমার নাম্বার সেইভ করুন ”

“আরে কে আপনি পরিচয় না দিলে নাম্বার সেইভ করবো কেনো?

” মহারানী, বিকেলে আপনার ফোন নাম্বার নিয়েছি মনে আছে”

“নাহ্ আপনার জ্বালায় কি আমি একটু শান্তিতে থাকতে পারবো? সকালে, বিকেলে,রাতে জ্বালিয়ে যাচ্ছেন ”

“আগের মতো হয়ে যান শান্তি পাবেন”

“ধুর ”

আলিব কল কেটে দিলো। পরের দিন সকালে ইভা কলেজের উদ্দেশ্য বের হলো পথে আলিবের দেখা পেয়ে বললো,

“এখন কোথায় যাচ্ছেন?

” দেখো মহারানী, প্রতিদিন ক্লাস ফাঁকি দেওয়া ভালো না নিজের পড়ালেখায় মন দেও”

“এই তো আপনি আমাকে মহারানী বলছেন তার মানে আপনিও আমাকে চিনেছেন শুধু শুধু না চেনার ভান করেন”

“না মানে গতকালকে এতো করে আপনার নাম মহারানী বলেছেন তাই আমিও বলে ফেলেছি ”

আলিব ইভাকে এড়িয়ে চলে যাচ্ছে কিন্তু ইভা তো নাছোড়বান্দা তাই আলিবের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললো,

“একদম মিথ্যে বলবেন না, আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলুন আপনি আমাকে চিনেন কি না?”

“উফফফ্ রে এক কথা আর কতো বললো ”

আলিব আর কিছু না বলে রিকশায় উঠে চলে গেলো। ইভা মন খারাপ করে কলেজে গেলো। ক্লাস শেষ করে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বের হতে আলিবকে দেখে কিন্তু ইভা কোনো কথা না বলে চলে যায়।

ইভা বুঝতে পারলো আলিব ইচ্ছে করে ওকে না চেনার ভান করছে, আলিব কেনো এরকম করেছে এটা জানাতেই হবে।

ইভা বিকেল বেলা ছাঁদে অপেক্ষা করছে কখন আলিব আসবে? বেশ কিছুক্ষণ হলো আলিব আসে নি তাই বাধ্য হলে কল দিলো ,

“আপনি কোথায় আছেন? ”

“আমার রুমে আছি ”

“একক্ষুনি ছাঁদে আসুন ”

“আসতে পারবো না, আমার খুব ঘুম পেয়েছে ”

“আপনি না আসলে আমি বৃষ্টিতে ভিজবো ”

“ভিজুন ”

আলিব কল কেটে দিয়ে ঘুমের দেশে পাড়ি দিলো। এদিকে ইভা ছাঁদে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে আছে। আলিবের ঘুম আসছে না, একবার ভাবছে ছাঁদে যাবে আবার ভাবছে ছাঁদে যাবে না। বেশ কিছুক্ষণ পরে আলিব ছাঁদে গিয়ে দেখছে ইভা বৃষ্টিতে ভিজে ভেজা কাক হয়ে গেছে।চুল থেকে টপটপ পানি পরছে, ঠান্ডায় জমে শরীর কাঁপছে।আলিব কিছু বলতে যাবে তখন ইভার মা এসে ইভাকে নিয়ে গেলো।

আলিব রুমে এসে ইভা কল করছে কিন্তু ফোন বন্ধ। অনেক বার কল দিচ্ছে তাও ফোন বন্ধ, ইভার রুমের জানালাও বন্ধ।

চলবে,,,,,


তোমার জন্য ফিরে আসা !! Part- 15 (Last-Part)


পাঁচদিন ধরে রুমের জানালা এবং ফোন বন্ধ করে রেখেছে।জ্বরে ভুগছে তাই বাসা থেকে বের হতে হয় নি।ইভার আজ জ্বর কিছুটা কমেছে তাই ড্রয়িং রুমে সোফায় শুয়ে টিভি দেখছে।

“মহারানী কি আমার উপর রাগ করেছে? ”

ইভা কথাটা শুনে চকমকে উঠলো কারন ওদের বাসায় আলিবের আসার প্রশ্ন উঠে না তাহলে কে কথা বললো? আলিব কি আবার জ্বীন-ভূত হলো নাকি? ইভা একটু নড়ে চড়ে বসে ভালো করে চারপাশে তাকিয়ে দেখে কেউ নেই। সারাক্ষণ আলিবকে নিয়ে চিন্তায় মগ্ন তাই এটা মনের ভুল।

“কি গো মহারানী আমার সাথে কথা বলবে না?”

ইভা এবার কথাটা ভালো করে খেয়াল করলো যে এটা আলিবের কন্ঠ কিন্তু কথা না শোনার ভান করে টিভি দেখছে তখন ড্রয়িং রুমে লিমা, রিদায়, রিয়াদের বউ, নানু, আরো কয়েকজন এবং আলিব প্রবেশ করে। রিয়াদ বললো,

-আর কতো শুয়ে বসে দিন কাটাবি এবার একটু উঠে আমাদের আপ্যায়ন কর

-হঠাৎ তোমার সবাই এক সাথে?

-তোর বিয়ে আর আমার আসবো না তা কি হয়? (লিমা)

-আমার বিয়ে আর আমিই তো জানি না

-সারপ্রাইজ টা কেমন দিলাম মহারানী বলো (আলিব)

-আপনি সত্যি আমাকে চিনতে পেরেছেন?

-তোকে এখানে কে চিনে না? (নানু)

ইভা ভাবলো আলিব আগের মতো অদৃশ্য ওর ফিরে আসতে সময় লাগবে তাই ওর ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে তাই সবার উদ্দেশ্য বললো,

-আমি এখন বিয়ে করবো না, আমার বিয়ে নিয়ে কেউ বাড়াবাড়ি করলে ভালো হবে না

-কেনো তুই কি অন্য কেউকে ভালোবাসিস (রিয়াদ)

-হ্যাঁ, তোমরা তাকে দেখতে চাও তো?

-হুম সবাই দেখবো তাকে ডেকে নিয়ে আয় সবাই পরিচয় হই (রিয়াদ)

ইভা আলিবের পাশে গিয়ে ওর শার্টের কলার্ট ধরে বলে,

“আপনি এখানে বসে নাটক দেখছেন, আমার বিয়ে হয়ে গেলে আপনার খুব ভালো লাগবে তাই না কিন্তু আপনিও জেনে রাখেন আমি বিয়ে করবো না না। আপনি এখন দৃশ্য হয়ে আসেন ”

“কি করছো এসব? আমাকে ছাড়ো সবাই দেখছে তো আমি দৃশ্য আছি”

ইভার মা এরকম অবস্থা দেখে ইভাকে টেনে নিয়ে সোফায় বসালো আর বললো,

-তোর কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে নাকি ছেলেটা আমাদের বাসায় প্রথম এসেছে আর তুই এটা কি ধরনের অসভ্যতা করছিস? কোনোদিন কি তোর বুদ্ধিসুদ্ধি হবে না?

-আসার পর থেকে শুনছি ও অন্য কেউকে ভালোবাসে আবার দৃশ্য হতে বলে এসবের মানে কি ইভা (মামা)

-ওর কথা বাদ দেও জ্বর হয়েছে তো তাই মাথা খারাপ হয়ে গেছে। আলিবের সাথে ওর বিয়ে হবে(রিয়াদ)

ইভা সবার কথা শুনে বুঝলো আলিব দৃশ্য আছে। সবার সামনে আলিবকে ওরকম বলায় লজ্জা লাগছে আবার রাগ হচ্ছে তাই নিজের রুমে চলে গেলো।

ইভার মা লিমাকে বলেছে ইভাকে যেনো শাড়ি পড়িয়ে সাজিয়ে দিয়। ইভা আলিবের দেওয়া লাল রংয়ের শাড়িটা পড়েছে, চোখে কাজল, হালকা লিপস্টিক,হাতে চুড়ি , কানে ঝুমকো ব্যাস সাজ পরিপূর্ণ।

রিয়াদ, আলিব ইভার রুমে এসে বিছানার উপর বসলো। ইভা রাগ করে মুখ ঘুরিয়ে বসে আছে। কিছুক্ষণ পরে,

-না ভাই তুমি এখন রাগ সামলাও আমি গেলাম (রিয়াদ)

-ভাইয়া তুমি আগে ওকে একটু বুঝাও (আলিব)

-না পারবো না গেলাম (রিয়াদ)

রিয়াদ চলে গেলো।আলিব সংশয় কাটিয়ে বললো,

” আজকে কেমন যানো লাগছে তোমার সাথে কথা বলতে, আগে কখনো বিয়ে করতে আসি নি তাই আর তুমি রাগ করে থেকো না ”

ইভার আলিবের দিকে ঘুরে বললো,

“এটা প্রথম বিয়ে হবে না তো কি দ্বিতীয় বিয়ে হবে? খবরদার আমাকে ছাড়া অন্য কেউকে বিয়ে করলে সংসার টিকবে না ”

“আমি কি বলেছি অন্য কেউকে বিয়ে করবো? তুমি তো সবাইকে বলে বেড়াচ্ছো অন্য কেউকে বিয়ে করবে ”

“আমি তো জানতাম না আপনি দৃশ্য হয়েছেন ”

“আমি দেখতে চেয়েছি তুমি জাদু আলিবকে নাকি মানুষ আলিবকে ভালোবাসো তাই তোমাকে না চেনার ভান করেছি আর তুমি পাগলামি করে বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর বাঁধালে ”

“আমি বুঝেন না আপনাকে ভাল,,,,,”

“কি বলো”

“বলবো না ”

“আচ্ছা বলতে হবে না আমি বলছি, খুব ভালোবাসি মহারানী ”

“ভালোবাসে আবার না চেনার ভান করে যত্তসব ঢং ”

“আহ্ হা আমি তো দুষ্ট মিষ্টি টক ঝাল প্রেম করতে চেয়েছি আর তুমি রাগ করে সব শেষ করে দিলে ”

“ওতো প্রেম করতে ভাল্লাগে না তার থেকে বিয়ের পর জামাইয়ের সাথে প্রেম করবো ”

“তাই বুঝি জামাইয়ের জন্য সাজলে খুব বেশি সুন্দরী লাগে ”

এবার ইভা লজ্জা পেয়ে পেয়ে উঠে দাঁড়ালো। আলিবকে ইভাকে ড্রেসিং টেবিলর সামনে নিয়ে এটা চেইন পরিয়ে দিলো।

” জানতে চাইবে না হঠাৎ করে সবাইকে সাথে করে কেনো নিয়ে এসেছি বা এতো তাড়াতাড়ি পরিচয় হলো কি ভাবে? তোমার তো কৌতুহল বেশি? ”

ইভা মাথা নেড়ে হ্যাঁ সূচক দিলো।

“রিয়াদকে বলেছি আমাদের বিয়ের ব্যাপারে আর তোমার বাবা তো নিজে থেকে তার মেয়ের জামাই করবে বলে আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলো রিয়াদের বিয়ের সময় তারপর রিয়াদ সব ব্যাবস্থা করলো ”

“এতো কিছু হলো আমি কিছুই জানতে পারলাম না ”

“একটু মিষ্টি খাও তাহলে মাথায় বুদ্ধি হবে ” বলে

আলিব ইভাকে দেয়ালের সাথে আটকে ধরলো। ইভার হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে, আলিবের নিঃশ্বাসের শব্দ শুনছে। আলিব ইভার একেবারে খুব কাছে তখন ইভা আলিবের মুখ চেপে ধরে বললো

“এই মিষ্টির স্বাদ পরে গ্রহন করবো আপাতত বাজারের মিষ্টি খেলে হবে, এখন চলুন আমাদের জন্য সবাই অপেক্ষা করছে ”

“হুম, তোমার জন্য ফিরে আসা আমার স্বার্থক হলো”

“ভালোবাসি রাজামশাই”

“ভালোবাসি মহারানী ”

ইভা আর আলিবের এনগেজমেন্ট হলো। কিছু দিন পরে ওদের বিয়ে সবাই বিয়ের আমেজে মেতে উঠছে।

সমাপ্ত 

পোস্ট রেটিং করুন
ট্যাগঃ
About Author

টিউটোরিয়ালটি কেমন লেগেছে মন্তব্য করুন!